1. admin@ajkerbasundhara.com : admin :
শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ০১:০৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম
একটি বিদ্যালয়, এক স্বপ্নদ্রষ্টার স্মৃতি—শ্রীপুরে শিক্ষানুরাগী শিরিনকে স্মরণ গাজীপুরে সেপটিক ট্যাংকের ওপর কক্ষ, বিস্ফোরণে প্রাণ গেল ভাড়াটিয়ার দামুড়হুদায় অবৈধ দুই ইটভাটা গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন জীবননগর থানা পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযান, ৪৬ বোতল এসকাফসহ যুবক আটক ‎‎‎ধামরাইয়ে পুকুর থেকে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার সাভারে মেডিকেল অফিসারের বিরুদ্ধে মানববন্ধন‎‎ ‎ যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকার ধামরাইয়ে সমাবেশ ও র‍্যালি‎ সাত দিনের মধ্যে পোশাকশিল্পের মজুরি বোর্ডের গেজেট: শ্রমমন্ত্রী পিংক সাইকেল চালিয়ে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর কিশোরীদের উৎসাহ দিলেন গাজীপুরের ডিসি গাজীপুরে ঝুটের গোডাউনে আগুন, কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ৪ ইউনিট

দক্ষিণ লেবাননে ফের ইসরায়েলি বিমান হামলা, যুদ্ধবিরতি নিয়ে বাড়ছে অনিশ্চয়তা

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬

দক্ষিণ লেবাননের তায়র জেলার মাজদাল জাউন শহরে বুধবার (২৫ আগস্ট) ভোরে ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান থেকে বিমান হামলা চালানো হয়েছে। সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতি ও শান্তি চুক্তির পরিস্থিতির মধ্যেই এই হামলার ঘটনা ঘটল। তবে তাৎক্ষণিকভাবে এই হামলায় কোনো হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। আনাদোলু এজেন্সির তথ্য অনুযায়ী, হামলার সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তু বা ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য এখনও স্পষ্ট নয়।

গত ২ মার্চ থেকে ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে নতুন করে সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে ওই অঞ্চলে উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে। ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের দাবি, তাদের সামরিক অভিযান মূলত হিজবুল্লাহর সামরিক অবকাঠামো ও কার্যক্রমকে লক্ষ্য করে পরিচালিত হচ্ছে। ইসরায়েলের অভিযোগ, হিজবুল্লাহর সামরিক সক্ষমতা এবং সীমান্তবর্তী বিভিন্ন কার্যক্রম তাদের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য বড় ধরনের হুমকি। এর বিপরীতে হিজবুল্লাহও ইসরায়েলের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে নিয়মিত হামলা চালিয়ে আসছে।

এই ধারাবাহিক সংঘাতের ফলে ২০২৪ সালের নভেম্বর থেকে কার্যকর থাকা যুদ্ধবিরতি বর্তমানে বেশ দুর্বল হয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গত জুন মাসে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে একটি কাঠামোগত চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। এই চুক্তির মূল লক্ষ্য ছিল দক্ষিণ লেবাননে দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা। চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, ইসরায়েলের ধীরে ধীরে দখলকৃত এলাকা থেকে সেনা সরিয়ে নেওয়ার কথা এবং একই সঙ্গে ওই এলাকায় লেবাননের সেনাবাহিনী মোতায়েন ও সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে নিরস্ত্র করার পরিকল্পনা রয়েছে।

তবে নতুন করে চালানো এই বিমান হামলার ঘটনায় চুক্তির বাস্তবায়ন নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি সামরিক উপস্থিতি এবং হিজবুল্লাহর কার্যক্রমের কারণে পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল হচ্ছে। যেকোনো নতুন সামরিক অভিযান চলমান উত্তেজনাকে আরও বাড়িয়ে দিতে পারে, যা চুক্তি অনুযায়ী সেনা প্রত্যাহার ও শান্তি প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে।

হামলার পর লেবাননের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বা হিজবুল্লাহর পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে পরবর্তী সময়ে আরও তথ্য প্রকাশ হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বর্তমানে দক্ষিণ লেবাননে শান্তি বজায় রাখা এবং চুক্তির শর্তগুলো বাস্তবায়নের প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
২০২৬ © আজকের বসুন্ধরা কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customization By NewsSun