1. admin@ajkerbasundhara.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:৩৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
দেশের ৬৪ জেলায় তদারকির দায়িত্বে ৩০ মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও হুইপ: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রজ্ঞাপন ফৌজদারহাটে জলিল টেক্সটাইলের জমিতে সমরাস্ত্র কারখানা: পাওনা নিয়ে শ্রমিকদের তীব্র বিক্ষোভ জুলিয়ান আলভারেজকে নিয়ে বার্সার সঙ্গে কোনো আলোচনাই করবে না অ্যাতলেতিকো ময়মনসিংহে কাস্টমস কর্মী নিখোঁজ ও মৃত্যুর ঘটনায় দুইজনের স্বীকারোক্তি পুলিশ বাহিনীতে বড় নিয়োগ: ১০ হাজার কনস্টেবলসহ মোট ১৪ হাজার ৪০০ জনবল নেওয়া হবে দক্ষিণ লেবাননে ফের ইসরায়েলি বিমান হামলা, যুদ্ধবিরতি নিয়ে বাড়ছে অনিশ্চয়তা ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা প্রশমনে তেহরানে কাতারের প্রধানমন্ত্রী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বদলিতে নতুন কড়াকড়ি ও শর্তাবলি জারি নেপাল-তিব্বত সীমান্তে আকস্মিক বন্যায় চোখের সামনে পরিবার হারালেন ব্যবসায়ী বিলুপ্তির পথে সিরাজগঞ্জের কামারখন্দের ঐতিহ্যবাহী শীতলপাটি শিল্প

ময়মনসিংহে কাস্টমস কর্মী নিখোঁজ ও মৃত্যুর ঘটনায় দুইজনের স্বীকারোক্তি

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬

ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ায় কাস্টমস কর্মী আবু রায়হান তালুকদার (৪০) হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার দুই আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে ময়মনসিংহের জ্যেষ্ঠ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ইকবাল হোসেনের আদালতে রাজু মির্জা (১৯) ও সোহেল মির্জা ওরফে জিতুল (২০) এই জবানবন্দি প্রদান করেন। এর আগে গত মঙ্গলবার রাতে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল রেলওয়ে স্টেশন এলাকা থেকে পুলিশ তাঁদের গ্রেপ্তার করে।

নিহত আবু রায়হান তালুকদার ফুলবাড়িয়া উপজেলার এনায়েতপুর ইউনিয়নের সোয়াইতপুর গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন এবং ঢাকার কমলাপুরে কাস্টমসের নিরাপত্তা শাখায় সেপাই হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ঘটনার চার বছর ধরে রাজু মির্জা তাঁর বাড়ির কেয়ারটেকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। রাজু জবানবন্দিতে জানান, আর্থিক লেনদেন ও মূল্যবান সামগ্রীর তথ্য জানার সুযোগে তিনি টাকা আত্মসাতের পরিকল্পনা করেন।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, গত ২৪ জুলাই রাতে দুধের সঙ্গে ২০টি ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে আবু রায়হানকে পান করান রাজু। রায়হান অচেতন হয়ে পড়লে লোহার রড দিয়ে আঘাত করে তাঁকে হত্যা করা হয়। এরপর রাজু তাঁর সহযোগী সোহেল মির্জাকে ডেকে আনেন। দুজনে মিলে মরদেহটি ১৫ টুকরা করে তিনটি ব্যাগ ও কাপড়ে পেঁচিয়ে বাড়ির প্রায় ৩০০ গজ দূরে একটি পরিত্যক্ত ডোবার ঝোপে ফেলে দেন। হত্যাকাণ্ডের পর ঘরের মেঝে ও বাথরুম পরিষ্কার করতে তারা ডিটারজেন্ট, হ্যান্ডওয়াশ ও হারপিক ব্যবহার করেন।

রাজু আরও জানান, হত্যার পর তিনি নিহত ব্যক্তির আইফোনটি নিয়ে ঢাকায় গিয়ে ৭০ হাজার টাকায় বিক্রি করেন। এছাড়া রায়হান নিখোঁজ থাকাকালীন তাঁর মোবাইল ব্যাংকিং ও ব্যাংক কার্ড ব্যবহার করে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা উত্তোলন করেন। ঘটনার পর নিহত ব্যক্তির ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ (জব্দ) করে দেওয়া হয়, ফলে তারা আর টাকা তুলতে পারেননি।

গত ২ আগস্ট বিকেলে নিখোঁজের ৯ দিন পর বাড়ির পেছনের পুকুর থেকে তিনটি ট্রাভেল ব্যাগ ও চাদরে মোড়ানো অবস্থায় রায়হানের ১৫ টুকরা মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ৪ আগস্ট নিহত ব্যক্তির বড় ভাই নুরুল ইসলাম বাদী হয়ে থানায় হত্যা মামলা করেন। এজাহারে রাজু মির্জা, সোহেল মির্জা ও অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে পূর্বপরিকল্পিতভাবে হত্যাকাণ্ড ও লাশ গুমের অভিযোগ আনা হয়।

ময়মনসিংহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, বিশ্বস্ত কেয়ারটেকার রাজু টাকার লোভে একাই এই হত্যাকাণ্ড ঘটান এবং লাশ গুম করতে বন্ধু সোহেলের সহায়তা নেন। তদন্তে এখন পর্যন্ত এই দুজনের বাইরে আর কারও সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়নি। জবানবন্দি গ্রহণের পর আদালত তাঁদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: দুজনে মিলে মরদেহটি ঘরেই চাপাতি দিয়ে ১৫ খণ্ড করেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তিনি আবু রায়হানের মা রাহেলা খাতুনকে দেখাশোনা করতেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: দুজন আদালতে হত্যার দায় স্বীকার করেছেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: পরে তাঁদের দুজনকে কারাগারে পাঠানো হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
২০২৬ © আজকের বসুন্ধরা কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customization By NewsSun