1. admin@ajkerbasundhara.com : admin :
মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:০৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ঢাকাকেও লোডশেডিংমুক্ত রাখার পরিকল্পনা থেকে সরে আসছে সরকার: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা শেখ হাসিনাকে ধরে আনতে চাই, মৃত্যুদণ্ড অপেক্ষা করছে: ডা. জাহেদ উর রহমান প্রথমবারের মতো দেশের আটটি বিভাগীয় শহরেই হবে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশ ও জিম্বাবুয়েকে নিয়ে আফগানিস্তানের পূর্ণাঙ্গ সিরিজ পাকিস্তান ক্রিকেটের বিশৃঙ্খলা ও আকিব জাভেদের ভূমিকা নিয়ে বিস্ফোরক জেসন গিলেস্পি সৌদি আরবে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় সিলেটের ৪ প্রবাসীর মৃত্যু বোয়িং থেকে ১৪ উড়োজাহাজ কেনায় স্বচ্ছতা নিয়ে আইনি নোটিস ২০৩০ বিশ্বকাপ: নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারে স্পেনের সাথে কাতারের নতুন চুক্তি বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটের জন্য বিগত সরকারের অদূরদর্শিতাকে দায়ী করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য দিল্লি সফর: গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তির নবায়ন নিয়ে জোর তৎপরতা

নেপালে বন্যায় ৩৮৯ জনের প্রাণহানি, নিখোঁজদের সন্ধানে উদ্ধার তৎপরতা অব্যাহত

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশ : শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৬

নেপাল ও তিব্বত সীমান্তবর্তী হিমালয় অঞ্চলে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় শুক্রবার (২৮ আগস্ট) পর্যন্ত অন্তত ৩৮৯ জনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। গত বুধবার হিমবাহের একটি অংশ ধসে পড়ার ফলে বিপুল পরিমাণ বরফ, কাদা, পাথর ও পানি পাহাড়ি নদীর ঢাল বেয়ে নিচে নেমে আসে। এই প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে নেপালের রসুয়া ও নুয়াকোটসহ সংলগ্ন এলাকা এবং তিব্বতের গিরং কাউন্টিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সময় যত গড়াচ্ছে, ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়া ব্যক্তিদের জীবিত উদ্ধারের সম্ভাবনা ততই ক্ষীণ হয়ে আসছে।

নেপাল ও তিব্বত অঞ্চলে বর্তমানে এক হাজারেরও বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। নিখোঁজদের তালিকায় উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বিদেশি পর্যটক, ট্রেকার ও তীর্থযাত্রী রয়েছেন, যারা ঘটনার সময় ওই সীমান্তবর্তী পথ দিয়ে যাতায়াত করছিলেন। চীনা কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, কেবল তিব্বতের গিরং এলাকাতেই ৫৫৮ জন নিখোঁজ রয়েছেন, যাদের মধ্যে ২৬০ জনই বিদেশি নাগরিক। নিখোঁজদের সন্ধানে নেপালি সেনাবাহিনী ও উদ্ধারকারী দল হেলিকপ্টার, ড্রোন, ভারী যন্ত্রপাতি এবং প্রশিক্ষিত কুকুর ব্যবহার করে নিরলস অভিযান চালাচ্ছে।

বন্যার প্রবল তোড়ে প্রায় ৪০ কিলোমিটার সড়ক এবং বেশ কয়েকটি সেতু সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হয়েছে। অবকাঠামোগত এই ক্ষয়ক্ষতির কারণে দুর্গম এলাকাগুলোতে উদ্ধারকারী দলগুলোর পৌঁছাতে ব্যাপক বেগ পেতে হচ্ছে। উদ্ধার অভিযানের পাশাপাশি বিচ্ছিন্ন জনপদগুলোতে জরুরি খাদ্য ও ত্রাণ সামগ্রী পৌঁছে দেওয়ার কাজও চলমান রয়েছে। তবে উদ্ধারকর্মীদের জন্য পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলেছে নতুন এক প্রাকৃতিক ঝুঁকি।

বন্যার ধ্বংসাবশেষ জমে ভোতেকোশি নদীর গতিপথে একটি অস্থায়ী হ্রদ তৈরি হয়েছে। এই হ্রদে পানির পরিমাণ ক্রমাগত বাড়ছে এবং প্রাকৃতিক বাঁধটি যেকোনো সময় ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বাঁধটি ভেঙে গেলে আবারও ভয়াবহ বন্যার কবলে পড়তে পারে নদীর তীরবর্তী এলাকাগুলো। এই ঝুঁকির কথা মাথায় রেখে স্থানীয় বাসিন্দা ও উদ্ধারকারী দলগুলোকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

হিমবাহ ধসের পর সৃষ্ট এই বিপর্যয় নেপাল ও তিব্বতের জন্য বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। একদিকে নিখোঁজদের উদ্ধার এবং অন্যদিকে নতুন করে বন্যার ঝুঁকি মোকাবিলায় কর্তৃপক্ষ সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। নিখোঁজ শত শত বিদেশি নাগরিক ও স্থানীয়দের ভাগ্যে কী ঘটেছে, তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে আন্তর্জাতিক মহলেও।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
২০২৬ © আজকের বসুন্ধরা কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customization By NewsSun