1. admin@ajkerbasundhara.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:১৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
এমআরপি যুগের ইতি: ডিসেম্বরের মধ্যে শতভাগ ই-পাসপোর্ট সেবার লক্ষ্য সরকারের গভীর সমুদ্রে নতুন এলএনজি টার্মিনাল ও ২৬ ব্লকে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের উদ্যোগ উন্নয়ন প্রকল্পের ব্যয় ও মেয়াদ বৃদ্ধি রোধে কঠোর অবস্থানে সরকার মায়ের চেয়ে আপন কেউ নেই, মায়ের জন্য দোয়া চাইলেন কৃষিমন্ত্রী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন আয়কর রিটার্নে ভুল মানেই কর ফাঁকি নয়: জরিমানা আরোপে এনবিআরের নতুন নির্দেশনা দুই সরকারি প্রতিষ্ঠানে ৮৪ জনকে নিয়োগের জন্য পিএসসির সাময়িক মনোনয়ন নির্ঘুম রাতের কাব্যময় মুহূর্ত: এক দীর্ঘ কবিতার মুগ্ধতা ও ক্লান্তি শাহজালাল বিমানবন্দরে গার্মেন্টস ফেব্রিকের আড়ালে ১,৬৫৫টি দামি মোবাইল জব্দ পরিবেশদূষণ রোধে কঠোর অবস্থানের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর: পলিথিন ও প্লাস্টিক ব্যবহারে জিরো টলারেন্স মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের জেরে ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়াল ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম

হবিগঞ্জের মাধবপুরে কিশোরীর সঙ্গে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা: সালিসের মাধ্যমে ৯০ হাজার টাকা নির্ধারণ

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশ : মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

হবিগঞ্জের মাধবপুরে এক কিশোরীর সঙ্গে ঘটে যাওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় স্থানীয় পর্যায়ে সালিস বৈঠক হয়েছে। ইউপি সদস্যের মধ্যস্থতায় আয়োজিত এই সালিসে ভুক্তভোগী পরিবারকে ৯০ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। গত শুক্রবার অনুষ্ঠিত এই সালিসে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। তবে এ ঘটনায় মঙ্গলবার পর্যন্ত থানায় কোনো মামলা দায়ের করা হয়নি।

ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২০ আগস্ট দুপুরে বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে হানিফ মিয়া (২৫) নামের এক ব্যক্তি ওই কিশোরীকে কৌশলে নিজের ঘরে ডেকে নিয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সৃষ্টি করেন। ঘটনার পর মেয়েটি বাড়িতে ফিরে তার মাকে বিষয়টি জানায়। পরিবারের লোকজন ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই অভিযুক্ত হানিফ পালিয়ে যান। ওই দিনই কিশোরীকে হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং স্বাস্থ্য পরীক্ষার পর ২৩ আগস্ট সে বাড়িতে ফেরে।

সালিস বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, কিশোরীর পরিবারকে ৯০ হাজার টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে তাৎক্ষণিকভাবে ২০ হাজার টাকা পরিশোধ করা হয়েছে এবং বাকি ৭০ হাজার টাকা আগামী ১০ সেপ্টেম্বর দেওয়ার কথা রয়েছে। ভুক্তভোগী কিশোরীর মা জানান, তারা মামলা করতে চাইলেও গ্রামের মুরব্বিরা তাদের বাধা দেন এবং সালিসের মাধ্যমে ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা করেন।

সালিসের মধ্যস্থতাকারী ইউপি সদস্য আবেদুর রহমান দাবি করেন, ঘটনাটি ধর্ষণের চেষ্টা ছিল। উভয় পরিবার আর্থিকভাবে অসচ্ছল হওয়ায় এবং মামলা পরিচালনার সামর্থ্য না থাকায় তারা সালিসের আয়োজন করেছেন। এতে পাশের ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার হরিপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান জামাল মিয়াসহ স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। তবে এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে সাবেক চেয়ারম্যান জামাল মিয়া কোনো মন্তব্য করেননি।

এ বিষয়ে মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহেল রানা জানান, এখন পর্যন্ত ভুক্তভোগী পরিবার পুলিশের কাছে কোনো অভিযোগ করেনি। তবে তারা আইনগত সহায়তা চাইলে পুলিশ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে। সালিসের বিষয়টি পুলিশ খতিয়ে দেখছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তিনি মেয়েকে নিয়ে বেশির ভাগ সময় শ্বশুরবাড়িতে থাকেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তাঁরা আত্মীয়স্বজন নিয়ে ঘটনাস্থলে গেলে হানিফ সেখান থেকে পালিয়ে যান। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ভুক্তভোগী কিশোরীর মা বলেন, ‘খাল্লা বাড়িত আমার মাইয়ারে পুশলাইয়া নিইয়া ধর্ষণ করছে হানিফে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ইউপি সদস্য আবেদুর রহমানসহ কয়েকজন সালিস কইরা ওই ৯০ হাজার টেকা ধার্য করছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ওই টেকার মাঝে আমি ২০ হাজার টেকা পাইছি।’।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
২০২৬ © আজকের বসুন্ধরা কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customization By NewsSun