1. admin@ajkerbasundhara.com : admin :
রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:২৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম
কাতার ও উজবেকিস্তানের মধ্যে পাঁচ বছর মেয়াদী ঐতিহাসিক সাংস্কৃতিক সহযোগিতা চুক্তি নেপালে বন্যায় নিখোঁজের ১১ দিন পর জীবিত উদ্ধার বৃদ্ধা, শোকের আবহে ফিরে এল স্বজন সাভারে প্রাইভেট কার পার্কিং নিয়ে বিরোধে পুলিশের এসআইয়ের মৃত্যু আনোয়ারায় মার্কেট দখল নিয়ে সংঘর্ষ: এনসিপি নেতাসহ আহত ৫ ইন্দোনেশিয়ার প্রধান বিমানবন্দরে ফ্লাইট চলাচল বন্ধ, ১৫০ কিমি দূর থেকে আসছে আগ্নেয়গিরির ছাই ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় মশা নিয়ন্ত্রণ ও চিকিৎসা ব্যবস্থাপনায় জরুরি উদ্যোগ প্রয়োজন কারাবন্দী ইমরান খানের সুচিকিৎসা ও মানবিক পরিস্থিতির বিষয়ে উদ্বেগ জানালেন ব্রায়ান লারা ৬ দেশের প্রবাসীদের জন্য বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের এসএসসি প্রোগ্রামে ভর্তি শুরু প্রেক্ষাপট: আধুনিকায়ন হচ্ছে ইস্টার্ন রিফাইনারি, বছরে তেল শোধন হবে ৪৫ লাখ টন অরাজকতা উসকে দিচ্ছে কি না গুপ্তরা, প্রশ্ন তুললেন প্রধানমন্ত্রী

নেপালে বন্যায় নিখোঁজের ১১ দিন পর জীবিত উদ্ধার বৃদ্ধা, শোকের আবহে ফিরে এল স্বজন

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশ : রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

নেপালের ভয়াবহ বন্যায় বাড়ি ভেসে যাওয়ার পর ১১ দিন নিখোঁজ ছিলেন ৬৪ বছর বয়সী চন্দিকা শ্রেষ্ঠা। টানা আট দিন হন্যে হয়ে খুঁজেও তার কোনো সন্ধান না পেয়ে পরিবার ধরে নিয়েছিল যে তিনি আর বেঁচে নেই। এমনকি কুশ ঘাস দিয়ে প্রতীকী মরদেহ তৈরি করে শেষকৃত্যের আনুষ্ঠানিকতাও শুরু করেছিলেন স্বজনরা। কিন্তু ঘটনার ১১তম দিনে সবাইকে অবাক করে দিয়ে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে চন্দিকাকে।

কাঠমান্ডুর সানো ভারিয়াংয়ে যখন চন্দিকার পরিবারের সদস্যরা তার শেষকৃত্যের আনুষ্ঠানিকতায় ব্যস্ত ছিলেন, ঠিক সেই সময়ে নুয়াকোটের বেত্রাবতী বাজারের একটি বাড়ি থেকে অচেতন অবস্থায় তাকে উদ্ধার করেন উদ্ধারকারীরা। সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর পরিদর্শক সুমন বিকের নেতৃত্বে পরিচালিত এই অভিযানে তাকে খুঁজে পাওয়া সম্ভব হয়। জানা যায়, নুয়াকোটের বিদুর পৌরসভা-১০-এর বাসিন্দা চন্দিকা বন্যার সময় স্বামীর সঙ্গে বাড়িতেই ছিলেন। ভোতেকোশি নদীর প্রবল স্রোতে তাদের সাড়ে চারতলা বাড়িটি উপড়ে ভেসে যায় এবং পরে ত্রিশূলী নদীর তীরে কোথাও আটকে যায় বলে জানান তার সম্বন্ধী রমেশ মান শ্রেষ্ঠা।

রমেশ মান শ্রেষ্ঠা জানান, তারা আট দিন ধরে চন্দিকাকে খুঁজেছেন। তার জামাইও দুই-তিন দিন ধরে বেত্রাবতী ও ত্রিশূলী নদীর তীর ধরে অনুসন্ধান চালিয়েছিলেন। কিন্তু ওই এলাকায় প্রবেশ করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছিল। আশপাশে মরদেহ পচতে শুরু করায় তীব্র দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়েছিল এবং গভীর কাদা ও জলাবদ্ধতার কারণে উদ্ধারকারীরাও অনেক এলাকায় পৌঁছাতে পারেননি। কোথাও কোনো আশা না পেয়ে শেষ পর্যন্ত তারা অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

উদ্ধারের পর হেলিকপ্টারে করে চন্দিকাকে ত্রিশূলীর নেপাল আর্মির মাইবাল ব্যারাকে নেওয়া হয়। সেখান থেকে প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাকে কাঠমান্ডুর ছাউনির আর্মি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। তবে চিকিৎসকেরা পরিবারকে এখনো ৭২ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। ফলে রমেশ এখনো সরাসরি চন্দিকার সঙ্গে দেখা করতে পারেননি, হাসপাতালের বাইরে থেকে দূর থেকেই তাকে দেখার চেষ্টা করছেন।

চন্দিকার নাতিও হাসপাতালে রয়েছে। রমেশ জানান, নানিকে দেখে ছেলেটি অনবরত কাঁদছে এবং ঠিকমতো খাওয়াদাওয়াও করছে না। পরিবারের আট দিনের তীব্র হতাশা, অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া শুরু করা এবং এরপর হঠাৎ চন্দিকার জীবিত ফিরে আসার ঘটনায় রমেশ মান শ্রেষ্ঠা গভীরভাবে আবেগাপ্লুত। তার ভাষায়, এই অলৌকিক ঘটনায় মনে হচ্ছে পৃথিবীতে সত্যিই ঈশ্বর আছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
২০২৬ © আজকের বসুন্ধরা কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customization By NewsSun