1. admin@ajkerbasundhara.com : admin :
বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৫৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম
দুই সরকারি প্রতিষ্ঠানে ৮৪ জনকে নিয়োগের জন্য পিএসসির সাময়িক মনোনয়ন নির্ঘুম রাতের কাব্যময় মুহূর্ত: এক দীর্ঘ কবিতার মুগ্ধতা ও ক্লান্তি শাহজালাল বিমানবন্দরে গার্মেন্টস ফেব্রিকের আড়ালে ১,৬৫৫টি দামি মোবাইল জব্দ পরিবেশদূষণ রোধে কঠোর অবস্থানের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর: পলিথিন ও প্লাস্টিক ব্যবহারে জিরো টলারেন্স মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের জেরে ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়াল ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে ফিল্ড ফায়ারিং অনুশীলনে দুই সেনাসদস্য নিহত রিয়াল মাদ্রিদের জয়ের রাতেও ভিনিসিয়ুসকে দুয়োধ্বনি, ধৈর্য হারাচ্ছে বার্নাব্যু হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন চালকবিহীন সাবমেরিন আটকের দাবি ইরানের চ্যাম্পিয়নস লিগের নতুন মৌসুমের শুরুতেই ইন্টার মিলানকে হারালো রিয়াল মাদ্রিদ পণ্য পাচারের অভিযোগ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, দাবি বিমান কর্মকর্তার

আয়ারল্যান্ডে গাজার শিক্ষার্থীদের ভিসা প্রত্যাখ্যান নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ ও ক্ষোভ

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশ : মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

আয়ারল্যান্ডে উচ্চশিক্ষার জন্য বৃত্তিপ্রাপ্ত ফিলিস্তিনি শিক্ষার্থীদের ভিসা প্রত্যাখ্যানের ঘটনায় দেশটিতে ব্যাপক ক্ষোভ ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ এবং পূর্ণ অর্থায়িত বৃত্তি পাওয়ার পরও ভিসা না পাওয়ায় গাজার প্রায় ৪০ জন মেধাবী শিক্ষার্থীর শিক্ষাজীবন চরম অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। এই পরিস্থিতির বিরুদ্ধে ডাবলিনে দেশটির বিচার মন্ত্রণালয়ের সামনে জুলাইয়ের শেষ দিকে প্রায় ২৫০ জন বিক্ষোভকারী প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন।

সরকারি তথ্যের ভিত্তিতে আরটিই-এর প্রতিবেদনে উঠে এসেছে যে, গাজা ও অন্যান্য অঞ্চল থেকে আসা ফিলিস্তিনি শিক্ষার্থীদের ভিসা আবেদনের প্রত্যাখ্যানের হার উদ্বেগজনক। আগস্টে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ৫৯ জন শিক্ষার্থী পূর্ণ বা আংশিক বৃত্তি পাওয়ার পর ভিসার আবেদন করেছিলেন, যার মধ্যে অন্তত ৩১ জনের আবেদন বাতিল করা হয়েছে। শিক্ষাবিদদের একাংশের অভিযোগ, যুদ্ধের কারণে গাজার শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনে যে অস্বাভাবিক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তা সাধারণ ভিসা আবেদনের মানদণ্ড দিয়ে বিচার করা অযৌক্তিক।

গাজায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ধ্বংস, ব্যাংকিং ব্যবস্থা ও ডাকযোগাযোগের বিপর্যয় এবং প্রয়োজনীয় নথিপত্র সংগ্রহের জটিলতা শিক্ষার্থীদের স্বাভাবিক কাগজপত্র জমা দেওয়ার পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। সমালোচকদের মতে, যুদ্ধবিধ্বস্ত অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে স্বাভাবিক সময়ের মতো পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার প্রমাণ বা নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার নিশ্চয়তা চাওয়া বাস্তবতাবিবর্জিত। আয়ারল্যান্ডের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কর্মীরা সরকারের কাছে প্রত্যাখ্যাত আবেদনগুলো দ্রুত পর্যালোচনার জোর দাবি জানিয়েছেন।

এই বিতর্কের মধ্যেই গাজা থেকে যুদ্ধের সময় উদ্ধার হয়ে আয়ারল্যান্ডে পৌঁছানো তিন ফিলিস্তিনি শিল্পীর সাফল্য নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। আটলান্টিক টেকনোলজিক্যাল ইউনিভার্সিটির গলওয়ে ক্যাম্পাসে ‘ফ্রম ওয়ান ব্রেথ টু দ্য নেক্সট’ শীর্ষক প্রদর্শনীতে তাদের সৃজনশীল কাজ দর্শকদের বিশেষভাবে নাড়া দিয়েছে। এই সাফল্য প্রমাণ করে যে, সুযোগ পেলে গাজার তরুণরা উচ্চশিক্ষা ও সৃজনশীলতায় উল্লেখযোগ্য অবদান রাখতে সক্ষম।

মিডল ইস্ট মনিটর, ওপেন লেটার ও পিপল বিফোর প্রফিট-এর তথ্যানুযায়ী, গাজার শিক্ষার্থীদের এই মানবিক সংকটের বিষয়টি এখন আয়ারল্যান্ডের শিক্ষাঙ্গন ও মানবাধিকার মহলে বড় আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, যুদ্ধের ভয়াবহতা পেরিয়ে আসা শিক্ষার্থীদের প্রতি এই কঠোর নীতি তাদের ভবিষ্যৎ সম্ভাবনার পথ রুদ্ধ করে দিচ্ছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: একই সময়ে গাজায় থাকা প্রায় ৪০ জন মেধাবী তরুণ-তরুণীর আয়ারল্যান্ডে উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। চাকরির আরও তথ্য: কিন্তু সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে তাদের অনেকের ভিসা আবেদন প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ভিসা প্রত্যাখ্যানের কারণ নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: আর সেই বাস্তবতার বিপরীতে নতুন শিক্ষার্থীদের ভিসা প্রত্যাখ্যানের সিদ্ধান্ত নিয়েই এখন প্রশ্ন তুলছেন আয়ারল্যান্ডের শিক্ষাবিদ, শিক্ষার্থী ও মানবাধিকারকর্মীরা।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
২০২৬ © আজকের বসুন্ধরা কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customization By NewsSun