লা লিগায় দুর্দান্ত ছন্দে থাকা বার্সেলোনা চ্যাম্পিয়নস লিগের শুরুটাও করল দাপুটে পারফরম্যান্সে। ইউরোপসেরার লড়াইয়ে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ফেইনুর্ডকে ৫-১ গোলের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে কাতালান জায়ান্টরা। ম্যাচের শুরু থেকেই প্রতিপক্ষকে চাপে রেখে বার্সেলোনা বুঝিয়ে দিয়েছে এবারের আসরে তারা কতটা শক্তিশালী।
ম্যাচের মাত্র তৃতীয় মিনিটেই গোলের সূচনা করেন রাফিনহা। লামিনে ইয়ামালের বাড়ানো পাস থেকে বাঁ পায়ের বাঁকানো শটে তিনি বল জালে পাঠান। এরপর ২২ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন করিম আদেয়েমি। জোয়াও ক্যান্সেলোর থ্রো-ইন থেকে বল পেয়ে নিখুঁত ফিনিশিংয়ে স্কোরলাইন ২-০ করেন তিনি। প্রথমার্ধে বার্সেলোনার আধিপত্যের সামনে ফেইনুর্ড কোনো প্রতিরোধই গড়ে তুলতে পারেনি, উল্টো তাদের রক্ষণভাগ চাপে ছিল পুরো সময়।
বিরতির পর ৫৭ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোলটি তুলে নেন রাফিনহা, যার জোগানদাতা ছিলেন পেদ্রি। এরপর ৭৭ মিনিটে ফ্রি-কিক থেকে গোল করে ব্যবধান ৪-০ করেন ইয়ামাল। ৮২ মিনিটে ফেইনুর্ডের সেম স্টেইন একটি গোল শোধ করলেও তা কেবল ব্যবধানই কমিয়েছে। তবে ৮৫ মিনিটে ইয়ামালের ক্রস থেকে গ্যাব্রিয়েল জেসুস হেডে গোল করলে ৫-১ গোলের বড় জয় নিশ্চিত হয়। ম্যাচটিতে পাঁচ ভিন্ন খেলোয়াড়ের গোল ও অ্যাসিস্ট বার্সেলোনার দলীয় শক্তির গভীরতা প্রমাণ করেছে।
পুরো ম্যাচে বার্সেলোনা তাদের আক্রমণাত্মক ফুটবল বজায় রেখেছিল। অন্যদিকে, ফেইনুর্ড প্রথমার্ধে আটটি ফাউল করেও লক্ষ্যে মাত্র একটি শট নিতে সক্ষম হয়। শেষ পর্যন্ত দাপুটে জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে কাতালানরা, যা তাদের ইউরোপিয়ান অভিযানের জন্য একটি ইতিবাচক শুরু হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ইউরোপসেরার প্রথম ম্যাচেই আক্রমণের ধার দেখিয়ে ফেইনুর্ডকে ৫-১ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে কাতালান জায়ান্টরা। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ৭৭ মিনিটে আসে ম্যাচের অন্যতম আকর্ষণীয় গোল। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: দ্রুত এগিয়ে যাওয়ার পরও আক্রমণ থামায়নি স্বাগতিকরা। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: সেই আক্রমণের শেষ প্রান্তে ঠাণ্ডা মাথায় ফিনিশিং করে জাল খুঁজে নেন আদেয়েমি।