এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণের ফলাফল আজ বৃহস্পতিবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়েছে। প্রকাশিত ফলাফলে দেখা গেছে, পুনর্নিরীক্ষণের মাধ্যমে নতুন করে জিপিএ-৫ অর্জন করেছে ৩ হাজার ৭৯ জন শিক্ষার্থী। এছাড়া, আগে অকৃতকার্য হওয়া ৪ হাজার ৮৫ জন শিক্ষার্থী নতুন করে পাস করেছে।
ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের জ্যেষ্ঠ সিস্টেম অ্যানালিস্ট মনজুরুল কবীর জানিয়েছেন, ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছিল। এর মধ্যে ৪ লাখ ২ হাজার ৫২ জন শিক্ষার্থী পুনর্নিরীক্ষণের জন্য আবেদন করেছিল। সামগ্রিক প্রক্রিয়ায় ২৭ হাজার ৮৩৬ জনের গ্রেড পরিবর্তন হয়েছে এবং ৫৬ হাজার ২৫৯ জনের প্রাপ্ত নম্বরে পরিবর্তন এসেছে।
চলতি বছরের ১১ থেকে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত অনলাইনে পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন গ্রহণ করা হয়। শিক্ষা বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, ১১টি বোর্ডের অধীনে মোট ৪ লাখ ২ হাজার ৫১ জন পরীক্ষার্থী ১২ লাখ ৮৭ হাজার ৯২৬টি বিষয়ের উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণের জন্য আবেদন করেছিল। এর মধ্যে লিখিত পরীক্ষার জন্য ১০ লাখ ৫৬ হাজার ৪৫৫টি এবং ব্যবহারিক পরীক্ষার জন্য ২ লাখ ৩১ হাজার ৪৭১টি আবেদন জমা পড়েছিল।
এবার উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণের পাশাপাশি পুনর্মূল্যায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আখতারুজ্জামান জানিয়েছিলেন, বিপুলসংখ্যক উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়নের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক পরীক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। মূলত প্রাপ্ত নম্বরের যোগ-বিয়োগে কোনো ভুল আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তিন পদ্ধতিতে জানা যাচ্ছে পুনর্নিরীক্ষণে ফল। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা ২০২৬-এর পুনর্নিরীক্ষণসহ মূল্যায়নের ফলাফল শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়। চাকরির আরও তথ্য: এ বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল পুনর্নিরীক্ষণের জন্য ৪ লাখের বেশি পরীক্ষার্থী প্রায় ১৩ লাখ আবেদন করে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এত দিন বোর্ডের নিয়মে উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়নের সুযোগ ছিল না।