তুরস্কের আন্তর্জাতিক যোগাযোগের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র ইস্তানবুল বিমানবন্দরে আনুষ্ঠানিকভাবে চতুর্থ রানওয়ে চালু করা হচ্ছে। আগামী বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) নতুন এই অবকাঠামোর উদ্বোধন করা হবে। নতুন সুবিধা যুক্ত হওয়ার পর বিমানবন্দরটিতে মোট ল্যান্ডিং স্ট্রিপের সংখ্যা ছয়টিতে পৌঁছাবে। দেশটির পরিবহন ও অবকাঠামোমন্ত্রী আবদুলকাদির উরালোগ্লু জানান, এই সংযোজনের মাধ্যমে বিমানবন্দরের সার্বিক উড়োজাহাজ পরিচালনা সক্ষমতা অনেকটাই বৃদ্ধি পাবে।
কংক্রিট দিয়ে নির্মিত নতুন রানওয়েটি পূর্ব-পশ্চিমমুখী, যার দৈর্ঘ্য ২ হাজার ৮২০ মিটার এবং প্রস্থ ৪৫ মিটার। এটিই ইস্তানবুল বিমানবন্দরের প্রথম পূর্ব-পশ্চিমমুখী রানওয়ে, যা রানওয়ে ব্যবস্থাপনায় বাড়তি বৈচিত্র্য ও নমনীয়তা এনে দেবে। পরিবহনমন্ত্রী আবদুলকাদির উরালোগ্লু উল্লেখ করেন, এই কাঠামোর কারণে আকাশে এবং ভূমিতে উড়োজাহাজের ট্যাক্সি ও টার্নঅ্যারাউন্ডের প্রয়োজনীয় সময় কমে আসবে। বিশেষ করে অভ্যন্তরীণ রুট এবং পূর্বদিকের বিভিন্ন গন্তব্যের ফ্লাইটগুলো এই সুবিধার মূল সুবিধাভোগী হবে।
অপেক্ষার সময় ও যাতায়াতের দূরত্ব হ্রাস পাওয়ার সরাসরি প্রভাব পড়বে বিমান সংস্থাগুলোর পরিচালন ব্যয়ে। রানওয়ে ও ট্যাক্সিওয়েতে ইঞ্জিন চালানোর সময় কমে আসায় জ্বালানি সাশ্রয় হবে। একই সঙ্গে নতুন অবকাঠামোটি বিদ্যমান হ্যাঙ্গারগুলোর কাছাকাছি অবস্থিত হওয়ায় রক্ষণাবেক্ষণ বা পার্কিং এলাকা থেকে রানওয়েতে উড়োজাহাজ আনা-নেওয়া অনেক দ্রুত হবে।
প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে অনেক সময় নির্দিষ্ট রানওয়েতে উড়োজাহাজ নামানো বা ওঠানো সম্ভব হয় না। সে ধরনের পরিস্থিতিতে এই বিকল্প অবকাঠামোটি কার্যক্রম নিরবচ্ছিন্ন রাখতে সহায়ক হবে। ইউরোপ ও এশিয়ার মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সংযোগকারী এই বিমানবন্দরে যাত্রী ও ফ্লাইটের বর্ধিত চাপ সামাল দিতেই রানওয়ে সম্প্রসারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ছয়টি ল্যান্ডিং স্ট্রিপ একসঙ্গে কার্যকর থাকায় ফ্লাইট শিডিউল বিপর্যয় কমে আসবে এবং কার্যক্রমের দক্ষতা বাড়বে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: সময় কমার পাশাপাশি জ্বালানি খরচও কমবে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ফলে বিমানবন্দরে উড়োজাহাজকে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে নিতে কম সময় লাগবে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: আবহাওয়ার কারণে কোনো নির্দিষ্ট রানওয়ের ব্যবহার সীমিত হলে বিকল্প অবকাঠামো ব্যবহারের সুযোগ বাড়বে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এতে ফ্লাইট পরিচালনায় নমনীয়তা বৃদ্ধি পাবে এবং আবহাওয়াজনিত কারণে সৃষ্ট বিঘ্ন মোকাবিলা করা সহজ হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ইউরোপ, এশিয়া ও অন্যান্য অঞ্চলের মধ্যে সংযোগ তৈরিতে বিমানবন্দরটির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।