1. admin@ajkerbasundhara.com : admin :
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৪৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
বিমান কার্গো নিরাপত্তা জোরদারের আহ্বান জানাল আইএটিএ দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি বাহিনীর নিষিদ্ধ ফসফরাস বোমার ব্যবহার বাংলা কিউআর লেনদেনে প্রণোদনা বাড়ানোর ঘোষণা বাংলাদেশ ব্যাংকের সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাঙচুরকে ‘মৌলবাদীদের’ কাজ বললেন ময়ূখরঞ্জন সাংবাদিকতায় পড়ার কারণ ও ভবিষ্যৎ ভাবনা নিয়ে শিক্ষার্থীদের অভিজ্ঞতা সাপ্লাই লাইন করা হয়েছে, সঠিকভাবে জ্বালানি আসছে: জ্বালানি মন্ত্রী কেন বিশ্বজুড়ে বাড়ছে বোয়িং বিমানের চাহিদা? গাজার মানবিক সংকট নিরসনে কাতার-জর্ডান-যুক্তরাজ্যের যৌথ উদ্যোগ সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা ও ভাঙচুর নেপালের হিমলুং হিমাল বেসক্যাম্পে তুষারধসে নিখোঁজ ১০

দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি বাহিনীর নিষিদ্ধ ফসফরাস বোমার ব্যবহার

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশ : রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

দক্ষিণ লেবাননের বিভিন্ন এলাকায় ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী তাদের চলমান অভিযানের অংশ হিসেবে বিপজ্জনক ফসফরাস অস্ত্র ব্যবহার করেছে। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা এনএনএ-র তথ্যের বরাতে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে এই খবর প্রকাশ করা হয়। বিশেষ করে নাবাতিহ জেলার জওতার আল-শারকিয়াহ, মেফাদুন এবং নাবাতিহ আল-ফাওকার আশপাশে ভয়াবহ এই গোলাবর্ষণ চালানো হয়েছে। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা এনএনএ-র বরাত দিয়ে আনাদোলু এজেন্সির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

অভিযান চলাকালে নাবাতিহ আল-ফাওকায় সরাসরি ফসফরাস শেল নিক্ষেপ করা হয় এবং পরবর্তীতে জওতার আল-শারকিয়াহ এলাকাতেও একই ধরনের অস্ত্র দিয়ে পুনরায় আক্রমণ করা হয়। এছাড়াও টায়ার জেলার ওয়াদি জিবকিনসহ হারিস ও হাদাসার সীমান্তঘেঁষা এলাকাগুলোতে ভারী কামানের গোলাবর্ষণ করেছে ইসরায়েলি বাহিনী।

তীব্র গোলার আঘাতের পাশাপাশি ইসরায়েলি বাহিনীর নিক্ষিপ্ত বেশ কিছু অবিস্ফোরিত বিমান বোমা উদ্ধার করেছে লেবানন সেনাবাহিনী। দেশটির সেনাদলের একটি বিশেষ দল মারজায়ুন ও বিনত জবেইল জেলার মাজদাল সেলম এবং আল-ঘান্দুরিয়াহ এলাকা থেকে ঝুঁকিপূর্ণ এই বোমাগুলো নিষ্ক্রিয় করে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়েছে।

চলতি বছরের মার্চ মাস থেকে লেবাননে চলমান ইসরায়েলি সামরিক অভিযানে এখন পর্যন্ত ৪,৩৮৬ জন নিহত এবং ১২,৪০৭ জন আহত হয়েছেন। এই সহিংসতায় বাস্তুচ্যুত হয়েছেন দশ লাখেরও বেশি মানুষ। গত জুন মাসে সংঘাত নিরসনে একটি সমঝোতা হলেও তা সত্ত্বেও দেশটিতে ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত রয়েছে। এই সমঝোতায় সেনা প্রত্যাহার ও হিজবুল্লাহর অস্ত্রসংবরণের শর্ত থাকলেও বাস্তবে সংঘাতের কোনো প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
২০২৬ © আজকের বসুন্ধরা কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customization By NewsSun