বিশ্বকাপ থেকে বিদায় এবং অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম প্রীতি ম্যাচে ১-১ গোলে ড্র করার পর ব্রাজিল দলের ওপর এখন বড় ধরনের চাপের সৃষ্টি হয়েছে। তবে ব্রিসবেনে দাঁড়িয়ে এসব সমালোচনাকে পাত্তা না দিয়ে কড়া জবাব দিয়েছেন কোচ কার্লো আনচেলত্তি। তিনি সাফ জানিয়েছেন, সমালোচনা আগে থেকেই ছিল, তবে তার ভাবনায় এর প্রভাব শূন্য। বর্তমান পরিস্থিতিতে তরুণদের ওপর পূর্ণ আস্থা রেখে আগামীকাল অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দ্বিতীয় প্রীতি ম্যাচে কৌশলগত বড় পরিবর্তনের পরিকল্পনা করেছেন তিনি। সাইবার সুরক্ষা আইন সংশোধনে সাংবাদিক ও বিশেষজ্ঞদের নিয়ে কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত।
আনচেলত্তির নতুন ছকে চার ফরোয়ার্ডের পরিবর্তে ৪-৩-৩ ফর্মেশনে মাঝমাঠ শক্তিশালী করে দল সাজানো হচ্ছে। গ্লোবোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, বার্সেলোনার তারকা রাফিনিয়াকে সেন্টার ফরোয়ার্ডের ভূমিকায় দেখা যেতে পারে। গত ম্যাচে মাঝমাঠে খেলা দানিলো সান্তোস এবারও দলে থাকছেন, তবে মার্কিনিউসকে বেঞ্চে রেখে রক্ষণ ও মাঝমাঠের সমন্বয়ে নতুনত্ব আনা হচ্ছে। আর্থার দিয়াস, গাব্রিয়েল বোন্তেম্পো ও জাইরের মতো নতুনদের পারফরম্যান্সে মুগ্ধ কোচ তাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদী। ব্রাজিলিয়ান গণমাধ্যম গ্লোবোর খবর, বার্সালোনা তারকা রাফিনিয়াকে খেলানো হতে পারে সেন্টার ফরোয়ার্ড হিসেবে। অন্যদিকে বার্সেলোনার হয়ে সেন্টার ফরোয়ার্ড হিসেবে সাফল্য পাওয়া রাফিনিয়া ব্রাজিলের জার্সিতেও পাচ্ছেন একই ভূমিকা।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে আনচেলত্তি জানান, ভবিষ্যতের জন্য শক্তিশালী দল গঠনই এখন তার প্রধান লক্ষ্য। প্রতিটি ম্যাচকেই তিনি বিশ্বকাপের মতো গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন। মাঝমাঠে সান্তোস, ব্রুনো গিমারেস ও বোন্তেম্পোকে নিয়ে ট্রানজিশন নিয়ন্ত্রণ করাই এখন কোচিং স্টাফের মূল পরিকল্পনা। আক্রমণভাগে রাফিনিয়ার সাথে থাকছেন ভিনিসিউস জুনিয়র ও রায়ানের মতো খেলোয়াড়রা। এছাড়া বর্তমান ডেঙ্গু পরিস্থিতির তথ্য অনুযায়ী, একদিনে এই রোগে ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা ২০৩৬ জন। এর বাইরে আদাবরে বাড়ি ও মোহাম্মদপুরে জমি দখলের চেষ্টায় ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আগামী মঙ্গলবার বাংলাদেশ সময় বিকেল ৪টায় ব্রাজিল ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় ও শেষ প্রীতি ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে।