1. admin@ajkerbasundhara.com : admin :
বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:১৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
নতুন রাডার ব্যবস্থায় আকাশসীমায় নজরদারি ও রাজস্বে বড় সাফল্য মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক শক্তি বৃদ্ধি, রণতরী ও সেনা মোতায়েন পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল জয়ী ফ্রান্সিস হালজ্যান জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সাংবিধানিক স্বীকৃতি ও দায়মুক্তির দাবিতে শহীদ পরিবারের দলের লোকেরাই প্রাধান্য পাবে, জানালেন চুয়াডাঙ্গা জেলা পরিষদ প্রশাসক ঢাবিতে ৭ অক্টোবর সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় সম্মেলন শাহজালাল বিমানবন্দরে যাত্রী ভোগান্তি ও অব্যবস্থাপনা নিয়ে তোলপাড় ফ্লাইদুবাই পাইলট হামাম আল-হামানির বিতর্কিত সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট ঢাকায় ব্যাটারিচালিত রিকশা নিয়ন্ত্রণে আসছে নতুন নীতিমালা লাওসের বান কিউনে চীনের সামরিক ঘাঁটি

নতুন রাডার ব্যবস্থায় আকাশসীমায় নজরদারি ও রাজস্বে বড় সাফল্য

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশ : মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অত্যাধুনিক এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল টাওয়ার ও পূর্ণাঙ্গ রাডার ব্যবস্থা স্থাপনের মাধ্যমে বাংলাদেশের আকাশসীমা ব্যবস্থাপনায় এক নতুন যুগের সূচনা হয়েছে। ফ্রান্সের প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান থেলসের সহযোগিতায় সরকারি উদ্যোগে প্রায় ৯৪২ কোটি টাকা ব্যয়ে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে। বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের নিজস্ব অর্থায়নে নির্মিত এই প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থার ফলে দেশের আকাশসীমায় বিদেশি উড়োজাহাজ শনাক্তকরণ এবং সার্বিক নজরদারি প্রক্রিয়ায় সক্ষমতা আগের চেয়ে বহুলাংশে বৃদ্ধি পেয়েছে।

প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতার কারণে এতদিন বঙ্গোপসাগর সংলগ্ন আকাশসীমার বড় একটি অংশে কার্যকর নজরদারি চালানো সম্ভব হতো না, যার ফলে সব উড়োজাহাজের চলাচল ও যথাযথ ওভারফ্লাই ফি আদায় নিয়ে জটিলতা ছিল। নতুন এয়ার ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট এবং নেভিগেশন ও সার্ভেইল্যান্স ব্যবস্থার ফলে সেই সংকট এখন দূর হয়েছে। চলতি বছরের এপ্রিল মাসে আনুষ্ঠানিকভাবে এই আধুনিক টাওয়ার ও রাডার ব্যবস্থা কার্যক্রম শুরু করে। এর সুফল হিসেবে বর্তমানে বিদেশি উড়োজাহাজগুলোর ওপর নিবিড় তদারকি নিশ্চিত করা যাচ্ছে, যা দেশের আকাশ নিরাপত্তার পাশাপাশি রাজস্ব আহরণের পথকেও প্রশস্ত করেছে।

আর্থিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এই প্রযুক্তি চালুর পর থেকে সরকারি রাজস্ব আদায়ের হার উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে কেবল ওভারফ্লাই ফি থেকেই আয় হয়েছে ৮০৫ কোটি টাকারও বেশি। এর মধ্যে অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে আয় ছিল ৩৩৮ কোটি টাকার কিছু বেশি। তবে নতুন রাডার ও কন্ট্রোল সিস্টেম পুরোপুরি কার্যকর হওয়ার পরবর্তী ছয় মাসে আয় বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৪১৬ কোটি টাকায়। সংশ্লিষ্টদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই আধুনিক ব্যবস্থা চালু হওয়ার পর প্রতি মাসে গড়ে ৭০ থেকে ৮০ কোটি টাকা রাজস্ব জমা হচ্ছে সরকারি কোষাগারে। এর মধ্যে অর্থবছরের প্রথম ছয় মাস, অর্থাৎ জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত আয় ছিল ৩৩৮ কোটি টাকার বেশি। একই সঙ্গে ওভারফ্লাই ফি আদায়ের ক্ষেত্রেও এসেছে উল্লেখযোগ্য সাফল্য।

ভৌগোলিক দিক থেকে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক রুটে উড়োজাহাজ চলাচলের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অবস্থানে রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, আকাশসীমা ব্যবস্থাপনায় এই আধুনিক প্রযুক্তির অন্তর্ভুক্তি নিরাপত্তা জোরদারের পাশাপাশি জাতীয় অর্থনীতিতে দীর্ঘমেয়াদী ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। পুরোনো সীমিত সক্ষমতার রাডারের পরিবর্তে বর্তমানের এই আধুনিক ব্যবস্থা উড়োজাহাজ শনাক্তকরণে যেমন স্বচ্ছতা এনেছে, তেমনি আন্তর্জাতিক মানের সক্ষমতা অর্জনে বাংলাদেশকে অনেক দূর এগিয়ে নিয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
২০২৬ © আজকের বসুন্ধরা কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customization By NewsSun