ইসরায়েলের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সংস্থা শিন বেতের সাবেক প্রধান রোনেন বার প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে ১২ কোটি টাকার মানহানি মামলা দায়ের করেছেন। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার দায় কার, তা নিয়ে নেতানিয়াহুর দেওয়া বক্তব্যকে কেন্দ্র করে এই আইনি লড়াই শুরু হয়েছে। আদালতকে দেওয়া ১৩৪ পৃষ্ঠার আবেদনে রোনেন বার অভিযোগ করেছেন যে, নিজের ব্যর্থতা ঢাকার জন্য প্রধানমন্ত্রী মিথ্যাচার করছেন এবং তাকে অপরাধী হিসেবে চিত্রিত করার চেষ্টা করছেন। এএফপি সূত্রে জানা গেছে, ক্ষতিপূরণ বাবদ তিনি ৩০ লাখ শেকেল দাবি করেছেন। ৪৫তম বিসিএসের চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশ, ১৭০২ জনকে নিয়োগ। ‘অপারেশন ক্লিন হার্ট’ চালানোর পরিকল্পনা নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। বার্তাসংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। নেতানিয়াহুকে মিত্র দেশের নেতারা ‘আগাম সতর্কতা দিয়েছিলেন’, কিন্তু সে অনুযায়ী সতর্কতা অবলম্বন করেননি তিনি—এমন খবর বারবার প্রকাশ্যে আসছে। ইসরায়েলের ইতিহাসে সবচেয়ে প্রাণঘাতী ওই হামলা ঠেকাতে ব্যর্থ হওয়ায় বিরোধীদের তোপের মুখে পড়েছেন তিনি। জনমত জরিপ অনুযায়ী, আসন্ন নির্বাচনে কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখে রয়েছেন নেতানিয়াহু। কয়েক দশকের রাজনৈতিক জীবনে নেতানিয়াহু সব পরিস্থিতিতে ইসরায়েলকে বাইরের শত্রুর হাত থেকে নিরাপদ রাখার আশ্বাস দিয়ে এসেছেন।
নেতানিয়াহুর দাবি ছিল, হামলার দিন ভোরে যদি শিন বেতের প্রধান বা সামরিক কর্মকর্তারা তাকে ফোন করে ঘুম থেকে জাগাতেন, তবে তিনি হামলাটি ঠেকাতে পারতেন। এই বক্তব্যকে রোনেন বার ভিত্তিহীন ও মানহানিকর বলে অভিহিত করেছেন। তার মতে, ঘটনার জন্য প্রধানমন্ত্রীর অনুসৃত নীতিই দায়ী, যার ফলে গাজায় সশস্ত্র গোষ্ঠীর হুমকি তৈরি হয়েছিল। রোনেন বার জানান, সম্ভাব্য হামলার লক্ষণ দেখা দেওয়ার পরপরই তিনি প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিবকে সতর্ক করেছিলেন, তবে তার কাছে প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি যোগাযোগের নম্বর ছিল না।
নিজের দলের পক্ষ থেকে দেওয়া বিবৃতিতে নেতানিয়াহু এই অভিযোগ নাকচ করে দিয়েছেন। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, ‘রেড লাইন’ বা জরুরি যোগাযোগের বিশেষ নম্বরে তার নম্বর বারের কাছে ছিল কি না। নেতানিয়াহু বলেন, অন্য নিরাপত্তাপ্রধানদের মতো রোনেন বারও চাইলে তাকে সরাসরি ফোন করতে পারতেন। ২৭ অক্টোবর সাধারণ নির্বাচনকে সামনে রেখে এই উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় ইসরায়েলি রাজনীতিতে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। আগামী ২৭ অক্টোবর ইসরায়েলের সাধারণ নির্বাচনকে সামনে রেখে এ ধরনের আলোচনা নেতানিয়াহুর জন্য বেশ বিব্রতকর।