1. admin@ajkerbasundhara.com : admin :
সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে মার্কিন নাগরিকদের সতর্কবার্তা ফেসবুকে: দুপুরে পদত্যাগের ঘোষণা দেবেন প্রতিমন্ত্রী ইশরাক উৎসবের আমেজে মহাষ্টমী, রামকৃষ্ণ মিশনে কুমারীপূজা আজ দেশ গড়ায় ধর্মীয় পরিচয়ের চেয়ে নাগরিক পরিচয়ই মুখ্য: প্রধানমন্ত্রী সৌদিতে বিধ্বস্ত সামরিক হেলিকপ্টার: নিহত ২ ক্রু সৌদিতে হুতিদের ধারাবাহিক হামলার তীব্র নিন্দা জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের পুতুলের বিরুদ্ধে চার্জশিট অনুমোদন: সিভিতে জালিয়াতির পদত্যাগের নির্দেশ গুজব, দাবি মুক্তিযুদ্ধ প্রতিমন্ত্রী ইশরাকের প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে সৈয়দপুরে ময়লার ভাগাড় আড়াল করার সুইডিশ জীবনদর্শন ‘লাগোম’: সুখী হওয়ার নতুন পথ

দেশ গড়ায় ধর্মীয় পরিচয়ের চেয়ে নাগরিক পরিচয়ই মুখ্য: প্রধানমন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশ : সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৬

দেশ গড়ার দীর্ঘ সংগ্রামের প্রতিটি ধাপে ধর্মীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রবিবার (১৮ অক্টোবর) রাতে রাজধানীর মহাখালী ও গুলশান-বনানীর বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে গিয়ে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে তিনি এ আহ্বান জানান। প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেন, রাষ্ট্র গঠনের ক্ষেত্রে ধর্মীয় পরিচয়ের চেয়ে নাগরিক পরিচয়ই সবার কাছে মুখ্য হওয়া উচিত।

তারেক রহমান তার বক্তব্যে মহান মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে সাম্প্রতিক বিভিন্ন আন্দোলনের ইতিহাস তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে দেশের স্বাধীনতার জন্য আমরা যখন যুদ্ধ করেছিলাম, তখন ধর্ম বা জাত কোনো বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি। একইভাবে স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের প্রতিটি আন্দোলনে দেশের মানুষ ভোটাধিকার ও বাকস্বাধীনতা প্রতিষ্ঠায় কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে রাজপথে নেমেছে। সেসময়েও ধর্মীয় পরিচয় ছাপিয়ে মানুষের প্রধান পরিচয় ছিল—আমরা সবাই বাংলাদেশের নাগরিক। মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান, যারা এই দেশকে ভালোবাসেন, সবাই মিলে দেশকে স্বাধীন করেছেন। এই দেশের ওপর আপনার যেমন অধিকার আছে, আমারও তেমন অধিকার আছে।

২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, সেই ঐতিহাসিক দিনেও দলমত নির্বিশেষে নারী-পুরুষ এবং সব শ্রেণি-পেশার মানুষ রাজপথে সমবেত হয়েছিল। দেশের মানুষের হাজার বছরের ঐতিহ্য ও ইতিহাস হলো, এখানে সব ধর্মের অনুসারীরা শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করে আসছে। ভবিষ্যতে দেশ গড়ার লড়াইয়েও এই অসাম্প্রদায়িক চেতনা বজায় রাখার আহ্বান জানিয়ে তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন যে, আমাদের সবচেয়ে বড় পরিচয় আমরা সবাই বাংলাদেশি। যুদ্ধের ময়দানে আমরা দেখিনি কে কোন ধর্মের মানুষ।

উল্লেখ্য, রাতে প্রধানমন্ত্রী প্রথমে মহাখালীর রক্ষাকালী মন্দিরের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন। সেখানে তিনি পূজা উদ্‌যাপন কমিটির নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় শুভেচ্ছা জানান। এই সফরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম মিল্টন উপস্থিত ছিলেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
২০২৬ © আজকের বসুন্ধরা কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customization By NewsSun