1. admin@ajkerbasundhara.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:২৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
জর্ডানে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের হামলা: ক্ষতিগ্রস্ত একাধিক যুদ্ধবিমান দক্ষিণ আফ্রিকায় দুর্বৃত্তের হামলায় চাঁদপুরের মতলব উত্তরের যুবক নিহত মধ্যবর্তী নির্বাচনে জয়ী হলে প্রত্যেক আমেরিকানকে ৫ হাজার ডলার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি ট্রাম্পের শাহজালাল বিমানবন্দরের নাম পরিবর্তনের পরিকল্পনা নেই: বিমানমন্ত্রী দোহায় ইসরায়েলি হামলার এক বছর: মধ্যপ্রাচ্যের কূটনীতি ও সার্বভৌমত্বের সংকট আর্থিক অনিয়ম ও জালিয়াতির অভিযোগের মুখে ডব্লিউএইচওর পদ ছাড়লেন সায়মা ওয়াজেদ সুপ্রিম কোর্টকে দুর্নীতিমুক্ত করতে প্রধান বিচারপতিকে এক মাসের আল্টিমেটাম দিলেন মাহবুব উদ্দিন খোকন কক্সবাজারে স্বামী হারানো ফাতেমার আইনি লড়াই ও শিশুসহ কারাবাসের ঘটনা প্রেক্ষাপট: ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনের তফসিল ঘোষণা: ভোট ২৯ অক্টোবর এসএসসি পুনর্নিরীক্ষণের ফল প্রকাশ: নতুন করে জিপিএ-৫ পেল তিন হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থী

শাহজালাল বিমানবন্দরের নাম পরিবর্তনের পরিকল্পনা নেই: বিমানমন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নাম পরিবর্তনের বিষয়ে কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই বলে স্পষ্ট করেছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল পরিদর্শনকালে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, জনগণের কষ্টার্জিত অর্থের অপচয় না করে বরং তৃতীয় টার্মিনাল দ্রুত চালু করাই বর্তমান সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার। নাম পরিবর্তনের চেয়ে যাত্রীসেবার মান উন্নয়ন ও কার্যকর অবকাঠামো গড়ে তোলাই এখন মূল লক্ষ্য।

পরিদর্শনকালে মন্ত্রী জানান, চলতি বছরের ১৬ ডিসেম্বর থেকে তৃতীয় টার্মিনালের আংশিক কার্যক্রম শুরুর পরিকল্পনা রয়েছে। প্রাথমিকভাবে সীমিত পরিসরে ফ্লাইট পরিচালনার মাধ্যমে এর যাত্রা শুরু হবে এবং পরবর্তীতে ধাপে ধাপে সক্ষমতা বাড়ানো হবে। টার্মিনালটি পুরোপুরি চালু হলে বিমানবন্দরের যাত্রী হ্যান্ডলিং সক্ষমতা বর্তমানের তুলনায় চার গুণ বৃদ্ধি পাবে। এছাড়া সর্বোচ্চ ২৫০টি এয়ারক্রাফট পরিচালনার মতো প্রয়োজনীয় অবকাঠামোগত সুবিধা নিশ্চিত হবে, যা বিমানবন্দরের ওপর চাপ কমিয়ে সেবার মান উন্নত করবে।

টার্মিনাল পরিচালনার ক্ষেত্রে জাপানি কনসোর্টিয়ামের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে বাংলাদেশের রাজস্বের অংশ ১৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ২৭ শতাংশে উন্নীত করা হয়েছে। মন্ত্রী একে সরকারের বড় সাফল্য হিসেবে উল্লেখ করে জানান, এই অতিরিক্ত আয় টার্মিনাল নির্মাণের ঋণ পরিশোধে সহায়ক হবে। প্রকল্পের প্রায় ৯০০ কোটি টাকার কিস্তি পরিশোধের প্রক্রিয়া এরই মধ্যে শুরু হয়েছে। দ্রুত টার্মিনাল চালু হলে এর আয় থেকে ঋণ পরিশোধের পাশাপাশি বিমানবন্দর পরিচালনায় আর্থিক স্বয়ংসম্পূর্ণতা আসবে।

যাত্রীসেবার মান নিয়ে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, বিমান অবতরণের পর ১৫ মিনিটের মধ্যে যাত্রীদের লাগেজ পৌঁছে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে লাগেজ দিতে ব্যর্থ হলে সিভিল এভিয়েশনের পক্ষ থেকে জরিমানা করা হবে। এছাড়া গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ের ৫০ শতাংশ বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স পরিচালনা করবে, যা বিমানের কর্মীদের দক্ষতা কাজে লাগাতে সাহায্য করবে।

আধুনিক এই টার্মিনাল শুধু যাত্রীসেবার সক্ষমতা বাড়াবে না, বরং বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তিও উজ্জ্বল করবে বলে মন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এতে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা আরও বেশি আকৃষ্ট হবেন। পরিদর্শনের সময় মন্ত্রীর সঙ্গে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-১ হুমায়ুন কবির, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ সাকি এবং বিডা চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
২০২৬ © আজকের বসুন্ধরা কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customization By NewsSun