মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি এবং তাদের মিত্র ইসরায়েলের ভবিষ্যৎ নিয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি। পবিত্র হজ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি বলেন, এই অঞ্চলের জাতি ও ভূখণ্ডগুলো আর মার্কিন ঘাঁটিগুলোর জন্য ঢাল হিসেবে ব্যবহৃত হবে না।
ইসরায়েল প্রসঙ্গে খামেনি দাবি করেন, ‘ভঙ্গুর জায়নবাদী শাসনব্যবস্থা’ এবং ‘ইসরায়েল নামের ক্যান্সারাক্রান্ত টিউমার’টি তাদের দুর্ভাগ্যজনক জীবনকালের শেষ পর্যায়ের কাছাকাছি পৌঁছে গেছে। হজের বার্তায় খামেনি বলেন, অন্যায়-অপকর্ম এবং এই অঞ্চলে সামরিক ঘাঁটি স্থাপনের জন্য আমেরিকার আর কোনও নিরাপদ আশ্রয় থাকবে না। এ সময় তিনি ‘সাহসী যোদ্ধা এবং আত্মোৎসর্গকারী সশস্ত্র বাহিনী’র ভূয়সী প্রশংসা করেন। ইরানের সর্বোচ্চ নেতার মতে, এই বাহিনী ‘মহান শয়তান অর্থাৎ আমেরিকা এবং তার দ্বারা লালিত পশু, জায়নবাদী শাসকগোষ্ঠীর’ ওপর আঘাত হেনেছে। তিনি বলেন, এবারের হজে আরাফাতের ময়দানের আচার-অনুষ্ঠানগুলোর গুরুত্ব দ্বিগুণ। কারণ, হজের এই মৌসুমে এবং নির্ধারিত স্থানে আমেরিকা ও জায়নবাদী শাসকগোষ্ঠীকে ‘অস্বীকার বা বর্জনের’ গভীরতা ও ব্যাপকতা পূর্বের যেকোনো সময়ের চেয়ে অনেক বেশি। হজ পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা বলেন, এই বরকতময় দিনগুলোর পর, ‘আমেরিকা নিপাত যাক’ এবং ‘ইসরায়েল নিপাত যাক’ এটিই হবে মুসলিম উম্মাহর প্রধান ও প্রচলিত স্লোগান।