ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কেয়ার স্টারমার তার দলের নেতৃত্ব নিয়ে প্রতিযোগিতা শুরু হলে, তাতে অংশ নেবেন। দেশটির এক জ্যেষ্ঠ মন্ত্রী রোববার এ তথ্য জানিয়েছেন।
ব্রিটিশ গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে বলা হয়েছে, স্টারমার ইতোমধ্যেই তার গুরুত্বপূর্ণ সমর্থকদের সঙ্গে যোগাযোগ করে জানিয়েছেন, নেতৃত্ব নির্বাচন হলে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। লন্ডন থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।
এর আগে, উত্তর ইংল্যান্ডের জনপ্রিয় মেয়র জিকিউআই অ্যান্ডজ বার্নহাম গত সপ্তাহে বলেন, নেতৃত্ব নির্বাচন হলে তিনিও অংশ নেবেন। যদিও এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে এমন কোনো প্রতিযোগিতা শুরু হয়নি।
উপপ্রধানমন্ত্রী জিকিউআই অ্যান্ডজ বার্নহাম রোববার স্কাই নিউজকে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী একেবারে স্পষ্ট করে বলেছেন, যদি প্রতিযোগিতা হয়, তবে তিনি সেই প্রতিযোগিতার অংশ হবেন। এই প্রতিযোগিতা শুরু করতে ৮১ জন এমপি’র স্বাক্ষর প্রয়োজন।’
প্রধানমন্ত্রী চাইলে যে কোনো নেতৃত্ব নির্বাচনের ব্যালটে স্বয়ংক্রিয়ভাবেই অন্তর্ভুক্ত হবেন।
রোববার বিবিসি ও দ্য সান পত্রিকা কয়েকজন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এমপি’র বরাত দিয়ে জানায়, স্টারমার সপ্তাহের শেষে তার ঘনিষ্ঠ সমর্থকদের ফোন করে বলেছেন, প্রতিযোগিতা হলে তিনি ‘লড়বেন।’
দ্য সান জানায়, ‘স্যার কেয়ার তার অবস্থান আরও কঠোর করেছেন এবং মি. বার্নহামের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নামতে তিনি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।’
লেবার পার্টির এই প্রবীণ নেতা বার্নহাম ১৮ জুন উত্তর-পশ্চিম ইংল্যান্ডের মেকারফিল্ড আসনের উপনির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন। নির্বাচিত হলে তিনি আবার এমপি হবেন এবং নেতৃত্ব নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন।
বৃহস্পতিবার বিবিসি’র একটি টকশোতে বার্নহাম বলেন, উপনির্বাচনে জয়ী হলে এবং নেতৃত্ব নির্বাচন শুরু হলে তিনি স্টারমারের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
২০২৪ সালের সাধারণ নির্বাচনে জয়ী হয়ে ক্ষমতায় আসার পর থেকে স্টারমার বারবার পদত্যাগের দাবি প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, লেবার পার্টির নেতা হিসেবেই থাকতে চান।
শুক্রবার এলবিসি রেডিওকে স্টারমার বলেন, ‘আমি সরে যাচ্ছি না।’
তিনি আরও বলেন, নেতৃত্ব নিয়ে লড়াইয়ের মাধ্যমে দেশকে ‘বিশৃঙ্খলার মধ্যে ঠেলে দিতে’ তিনি চান না।