1. admin@ajkerbasundhara.com : admin :
শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ১২:৪২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা ভাতা ৫ হাজার টাকা করে বাড়ানোর প্রস্তাব পার্বত্য চট্টগ্রাম মন্ত্রণালয় খাতে ১৪৫৭ কোটি ৮২ হাজার টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব বিমান ও পর্যটন খাতে ১,৮৮৪ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের জন্য ২ হাজার ৭২৮ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব আইএইচফ ট্রফিতে অনূর্ধ্ব-১৮ বিভাগে মালদ্বীপকে হারাল বাংলাদেশ ১৫০ সিসির ঊর্ধ্বে মোটরসাইকেল নিবন্ধনে লাগবে টিআইএন বিশ্বকাপের আগে থিয়েরি অঁরি ও পেলের নামে সড়কের নামকরণ করল নিউইয়র্ক সেরা ৬৭ জন করদাতা পাবেন পুরস্কার, থাকছে বিশেষ সুবিধা  ২০৩০ সালের মধ্যে বিদ্যুৎ উৎপাদন ৩৫ হাজার মেগাওয়াটে উন্নীত করবে সরকার চিকিৎসা যন্ত্রপাতির কাঁচামালে রেয়াতি সুবিধা প্রদান, কমতে পারে মর্চুয়ারির শুল্ক

ইলেকট্রিক গাড়ি উৎপাদনে শুল্ক-কর ছাড়, সুবিধা থাকবে ২০৩১ সাল পর্যন্ত

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ১১ জুন, ২০২৬

দেশে পরিবেশবান্ধব ইলেকট্রিক গাড়ি (ইভি) উৎপাদন শিল্পে বিনিয়োগ আকর্ষণে বড় ধরনের শুল্ক-কর ছাড়ের প্রস্তাব দিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে ই-বাইক, ইলেকট্রিক বাস, ট্রাক ও চার্জিং অবকাঠামোর বিকাশে বিভিন্ন কর-সুবিধা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

আজ জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপন করেন। তিনি বলেন, জীবাশ্ম জ্বালানিনির্ভর পরিবহনের বিকল্প হিসেবে দেশে পরিবেশবান্ধব ইলেকট্রিক গাড়ি উৎপাদন এবং এর যন্ত্রাংশ স্থানীয়ভাবে তৈরির লক্ষ্যে নতুন করে শুল্ক-কর রেয়াতি সুবিধা দেওয়া হবে।

বাজেট প্রস্তাব অনুযায়ী, যেসব প্রতিষ্ঠান চার চাকা ও তিন চাকার বিদ্যুৎচালিত যানবাহনের বডি তৈরি, ওয়েল্ডিং, পেইন্টিং ও অ্যাসেম্বলিংয়ের মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে উচ্চ মূল্য সংযোজন করবে, তারা উপকরণ ও যন্ত্রাংশ আমদানির ক্ষেত্রে ৩ শতাংশ আমদানি শুল্ক ছাড়া অন্য সব ধরনের শুল্ক-কর থেকে অব্যাহতি পাবে।

অন্যদিকে যেসব প্রতিষ্ঠান পার্টস সংযোজন ও পেইন্টিংয়ের মাধ্যমে তুলনামূলক কম মূল্য সংযোজন করবে, তাদের জন্য ১৫ শতাংশ আমদানি শুল্ক বহাল রেখে অন্যান্য সব শুল্ক-কর মওকুফের প্রস্তাব করা হয়েছে।

স্থানীয়ভাবে ইলেকট্রিক বাস ও ট্রাক উৎপাদনকারী শিল্পের জন্যও বিশেষ সুবিধা রাখা হয়েছে। এসব শিল্পের উপকরণ ও কাঁচামাল আমদানির ক্ষেত্রে ৫ শতাংশ অগ্রিম ভ্যাট ছাড়া অন্য সব ধরনের শুল্ক-কর অব্যাহতির প্রস্তাব দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী।

প্রস্তাবিত বাজেট বক্তব্যে বলা হয়েছে, ইলেকট্রিক গাড়ি উৎপাদন শিল্পের জন্য প্রস্তাবিত এসব রেয়াতি সুবিধা ২০৩১ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত বহাল থাকবে।

এ ছাড়া দেশীয় ই-বাইক উৎপাদন ও সংযোজন শিল্পে বিনিয়োগ বাড়াতে স্থানীয়ভাবে যন্ত্রাংশ উৎপাদনকারী ভেন্ডর প্রতিষ্ঠানগুলোকেও উপকরণ আমদানিতে রেয়াতি সুবিধা দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে।

পরিবেশবান্ধব পরিবহন ব্যবস্থার সম্প্রসারণে ইলেকট্রিক বাস, ট্রাক ও চার্জিং স্টেশন আমদানির ক্ষেত্রে উৎসে করের হার ৫ শতাংশ থেকে সম্পূর্ণ প্রত্যাহারেরও প্রস্তাব দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
২০২৬ © আজকের বসুন্ধরা কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customization By NewsSun