1. admin@ajkerbasundhara.com : admin :
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৫:৩২ অপরাহ্ন
শিরোনাম
হরমুজ, মালাক্কাসহ গুরুত্বপূর্ণ প্রণালীগুলো শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার কেন্দ্র ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন ও ভাষা সংরক্ষণে কাজ করছে সরকার : ডেপুটি স্পিকার স্থায়ী বাঁধ নির্মাণে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা গঙ্গাচড়াবাসীর রাঙ্গামাটিতে বন্যাদুর্গত প্রতিবন্ধী পরিবারের মাঝে খাদ্যশস্য বিতরণ উত্তর আমেরিকায় বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখেছেন ৬ কোটিরও বেশি দর্শক পিঁপড়া দিয়ে তৈরি শরবত পরিবেশন: দক্ষিণ কোরিয়ার রেস্তোরাঁ মালিকের কারাদণ্ডের ঝুঁকি ২০২৬-২৭ করবর্ষের ই-রিটার্ন সেবা চালু, জুলাই-সেপ্টেম্বরে রিটার্ন দিলে ৫ শতাংশ প্রণোদনা ১৫৫ বছরে রাজশাহী এসোসিয়েশন, ইতিহাস-ঐতিহ্য সংরক্ষণের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দের সাক্ষাৎ বাগেরহাটে শিশুদের নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিতে সংবাদ সম্মেলন

ঝিনাইদহে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অপারেশন থিয়েটার চালুর দাবি 

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬

জেলার হরিণাকুণ্ডু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দ্রুত অপারেশন থিয়েটার চালুর দাবি জানিয়েছেন রোগী ও তাদের স্বজনরা। অ্যানেস্থ্যসিস্ট কনসালট্যান্ট না থাকায় হাসপাতালটিতে দীর্ঘ ৭ মাস বন্ধ হয়ে আছে অপারেশন থিয়েটার। এতে উপজেলার অসচ্ছল ও নিম্ন আয়ের মানুষের ছোট খাটো অস্ত্রোপচার করতে হলেও যেতে হচ্ছে দূরের হাসপাতালে। এমনকি এই হাসপাতালে সিজারিয়ান অপারেশন বন্ধ রয়েছে গত ৭ মাস ধরে। এতে অনেক প্রসূতি রোগী ঝুঁকি নিয়ে প্রাইভেট ক্লিনিকে সিজারিয়ান অপারেশন করতে বাধ্য হচ্ছেন। ফলে সেবা প্রার্থীদের ব্যয় ও স্বাস্থ্য ঝুঁকি বাড়ছে।

হাসপাতালের প্রশাসনিক শাখা সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের নভেম্বরে গুরুত্বপূর্ণ এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে খন্ডকালীন অ্যানস্থ্যসিস্ট কনসালটেন্ট সাময়িক অপারেশন থিয়েটার চালু রাখার লক্ষ্যে নিয়ে আসা হয়। মাস খানেক দায়িত্ব পালনের পরে ওই কনসালটেন্ট নিজের কর্মস্থলে ফিরে যান। তারপর থেকে হাসপাতালে আর কোনো অ্যানেস্থ্যসিস্ট নিয়োগ দেয়া হয়নি। এই নিয়ে জেলা সিভিল সার্জন অফিস ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট দপ্তরে একাধিকবার চিঠিপত্র পাঠিয়েও কোনো সুরাহা হয়নি। ফলে দীর্ঘ ৭ মাসেরও বেশি সময় ধরে সব ধরনের সার্জারি অপারেশন বন্ধ হয়ে গেছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন উপজেলার অন্তত সাড়ে তিন লাখ মানুষ।

উপজেলার বরিশখালী গ্রামের সমশের আলী বাসস’কে বলেন, আমরা গরিব মানুষ। সরকারি হাসপাতালে কম খরচে ছোট খাটো অপারেশন করতে পারছিনা। ৭ মাসের বেশি সময় ধরে এই হাসপাতালে অপারেশন থিয়েটার বন্ধ রয়েছে। বাধ্য হয়ে দূরের পথ পাড়ি দিয়ে অন্য হাসপাতালে যেতে হচ্ছে। আমরা খুব কষ্টে আছি।

পারদখলপুর গ্রামের সাজিয়া বানু নামে এক নারী বাসস’কে বলেন, গর্ভবতী নারীদের অপারেশন এখন আর এখানে হচ্ছে না। উপায় না পেয়ে প্রাইভেট ক্লিনিকে সিজারিয়ান অপারেশন করতে হচ্ছে। এতে গরিব ও অসচ্ছল রোগীদের ভোগান্তি ও ব্যয় অনেক বেড়ে গেছে। আমরা চাই,সরকার যেন দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে হাসপাতালে অপারেশন থিয়েটার ব্যবস্থা চালু করে।

হাসপাতালের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. আলমগীর হোসেন বাসস’কে বলেন, অ্যানেস্থ্যসিস্ট কনসালট্যান্ট না থাকায় সার্জারিক্যাল অপারেশন সাময়িক বন্ধ হয়ে আছে। অ্যানেস্থ্যসিস্ট কনসালট্যান্ট না থাকলে তো অপারেশন করা যায় না। এছাড়া আমাদের হাসপাতালে জনবল সংকট রয়েছে। কনসালট্যান্ট, নার্সও আয়ার পদ শূন্য রয়েছে। সংশ্লিষ্ট দপ্তরে এ বিষয়ে আমরা চিঠি দিয়ে জানিয়েছি। আশা করছি, দ্রুতই সমস্যার সমাধান হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
২০২৬ © আজকের বসুন্ধরা কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customization By NewsSun