তেল পাম্পের সামনে কাভার্ডভ্যান, ইজিবাইক ও ইঞ্জিনচালিত ভ্যানের সংঘর্ষে নিহতের ঘটনায় ক্ষুব্ধ জনতার কাভার্ডভ্যানে আগুন ধরিয়ে দেওয়াকে বিএনপি’র বিরুদ্ধে অপপ্রচার হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে।
ক্ষুব্ধ জনতার ক্ষোভের ঘটনার সঙ্গে বিএনপিকে জড়িয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টির অপচেষ্টা শনাক্ত করেছে প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের (পিআইবি) ফ্যাক্ট চেক ও মিডিয়া রিসার্চ টিম বাংলাফ্যাক্ট।
বাংলাফ্যাক্ট জানায়, ট্রাক চালক চাঁদা না দেওয়ায় বিএনপি”র নেতাকর্মীরা ট্রাকে আগুন দিয়ে দিয়েছে— এমন দাবি করে একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়েছে।
বাংলাফ্যাক্ট যাচাই করে দেখেছে, দাবিটি মিথ্যা। ঘটনাটি চাঁদা সম্পর্কিত নয় এবং এতে বিএনপি’র কোনো নেতাকর্মীও জড়িত নন।
এটি মূলত, গত ২৩ মে যশোর-খুলনা মহাসড়কের চাউলিয়া তেল পাম্পের সামনে কাভার্ডভ্যান, ইজিবাইক ও ইঞ্জিনচালিত ভ্যানের সংঘর্ষে ৪ জন নিহতের ঘটনায় মানুষজন ক্ষুব্ধ হয়ে দুর্ঘটনার জন্য দায়ী কাভার্ডভ্যানটিতে আগুন ধরিয়ে দেয়। এটি সেই ঘটনার দৃশ্য।
ফ্যাক্টচেকিং প্রতিষ্ঠানগুলো বলছে, বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্ট ও কিছু ফেসবুক পেজ থেকে বাংলাদেশকে ঘিরে নানা ভুয়া তথ্য ছড়ানোর প্রবণতা বেড়েছে।
এসব অপতথ্য বিএনপি ও নবনির্বাচিত বিএনপি সরকারের বিরুদ্ধে গুজব মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টির অপচেষ্টা হিসেবে শনাক্ত করা হচ্ছে।
‘বাংলাফ্যাক্ট’ প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ পিআইবি’র ফ্যাক্টচেক, মিডিয়া রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস টিম, যারা নিয়মিত ভুল ও বিভ্রান্তিকর তথ্য যাচাই করে সত্য তুলে ধরে এবং গণমাধ্যম ও সংবাদ নিয়ে গবেষণা করে।
ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়া শত শত ভুল তথ্য শনাক্ত করেছে বাংলাদেশের ফ্যাক্ট চেকিং প্রতিষ্ঠান বাংলাফ্যাক্ট। বাংলাদেশে চলমান গুজব, ভুয়া খবর ও অপতথ্য প্রতিরোধ করে জনগণের কাছে সঠিক তথ্য পৌঁছে দেওয়ায় দায়িত্ব পালন করছে বাংলাফ্যাক্ট।