1. admin@ajkerbasundhara.com : admin :
শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ০২:১৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
কারারক্ষীর বিরুদ্ধে অর্থ আদায়ের অভিযোগ: তদন্তে সাক্ষ্য-প্রমাণসহ উপস্থিত থাকতে অভিযোগকারীকে নোটিশ গোপালগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় যুবক নিহত ভিয়েতনামে প্রথমবারের মতো ‘বিটিফিকেশন’ অনুষ্ঠান সম্পন্ন দিনাজপুরে কারেন্ট জাল জব্দ করে ধ্বংস করেছে প্রশাসন হাম সন্দেহে আরও ৫ জনের মৃত্যু এমন জনকল্যাণমুখী ও জীবনঘনিষ্ঠ বাজেট আর কখনও হয়নি: চিফ হুইপ  রিজার্ভ চুরি মামলার প্রতিবেদন দাখিল ৯ আগস্ট শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কারই হবে স্বনির্ভর বাংলাদেশের মৌলিক ভিত্তি: মাহ্দী আমিন প্রাথমিকের ৩২ হাজার প্রধান শিক্ষক নিয়োগের জটিলতা নিরসন দারিদ্র্যের কশাঘাতে ভোলার উপকূলীয় শিশুর শিক্ষাজীবন সংকটে

কারারক্ষীর বিরুদ্ধে অর্থ আদায়ের অভিযোগ: তদন্তে সাক্ষ্য-প্রমাণসহ উপস্থিত থাকতে অভিযোগকারীকে নোটিশ

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই, ২০২৬

চুয়াডাঙ্গা জেলা কারাগারের এক কারারক্ষীর বিরুদ্ধে বন্দির কাছ থেকে অর্থ আদায়ের অভিযোগের ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে কারা কর্তৃপক্ষ। এ ঘটনায় অভিযোগকারীকে সাক্ষ্য-প্রমাণসহ তদন্তে উপস্থিত থাকার জন্য আনুষ্ঠানিক নোটিশ জারি করেছে চুয়াডাঙ্গা জেলা কারাগার কর্তৃপক্ষ।

চুয়াডাঙ্গা জেলা কারাগারের জেল সুপারের কার্যালয় থেকে ২৯ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা এক পত্রে উল্লেখ করা হয়, চুয়াডাঙ্গা জেলা কারাগারের ভর্তি শাখায় কর্মরত কারারক্ষী মো. হেলাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের তদন্ত আগামী ৪ জুলাই ২০২৬, শনিবার সকাল ১০টায় চুয়াডাঙ্গা জেলা কারাগারের অফিস কক্ষে অনুষ্ঠিত হবে।

নোটিশে অভিযোগকারীকে অভিযোগের স্বপক্ষে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, তথ্য-প্রমাণ এবং জাতীয় পরিচয়পত্রসহ নির্ধারিত সময়ে তদন্তে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগপত্রে অভিযোগকারী মো. মামুন অর রশিদ দাবি করেন, তিনি একটি মামলায় চুয়াডাঙ্গা জেলা কারাগারে বন্দি থাকাকালে কারারক্ষী হেলাল উদ্দিন তার সঙ্গে পরিচিত হন। পরে তাকে বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি দেখিয়ে এবং নতুন মামলার আশঙ্কা তৈরি করে অর্থ দাবি করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

লিখিত অভিযোগে আরও বলা হয়, কারাগার থেকে আদালতে হাজিরা এবং পুনরায় কারাগারে ফেরার সময় বিভিন্ন অজুহাতে কয়েক দফায় অর্থ নেওয়া হয়। সর্বশেষ চুয়াডাঙ্গা জেলা কারাগারের সামনে নগদ ৭৬ হাজার ৫০০ টাকা গ্রহণ করা হয়েছে বলেও অভিযোগে দাবি করা হয়েছে। অভিযোগকারী দাবি করেন, এ অর্থ তিনি পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে সংগ্রহ করে প্রদান করেন।

অভিযোগপত্রে আরও উল্লেখ করা হয়, কারারক্ষী শুধু তার কাছ থেকেই নয়, অন্য বন্দিদের কাছ থেকেও একই ধরনের অনৈতিক আর্থিক লেনদেন করে থাকেন বলে তার ধারণা। তিনি বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

এদিকে, অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে কারা অধিদপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী তদন্ত কার্যক্রম শুরু হয়েছে। তদন্তের স্বার্থে অভিযোগকারীকে উপস্থিত থাকার জন্য নোটিশ প্রদান করা হয়েছে।

তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কারারক্ষী মো. হেলাল উদ্দিনের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী প্রতিবেদনে প্রকাশ করা হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
২০২৬ © আজকের বসুন্ধরা কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customization By NewsSun