1. admin@ajkerbasundhara.com : admin :
রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬, ১২:২৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
জমকালো আয়োজন ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হলো ফয়সাল সরকারের জন্মদিন গাজীপুরে কৃষক লীগ নেতাকে আটকের পর অর্থের বিনিময়ে মুক্তির অভিযোগ, এসআইয়ের বিরুদ্ধে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের প্রথম এয়ারলাইন্স ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপ শিরোপা জয় বিএনপি রাষ্ট্রক্ষমতায় আসলে দেশের কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন হয় : গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী মালিজুড়ে নতুন করে সমন্বিত বিদ্রোহী হামলা নোয়াখালীতে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১  দুর্নীতি করলে বদলি নয়, চাকরিচ্যুত করা হবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী  এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার দ্বিতীয় দিনে অনুপস্থিত সাড়ে ২৭ হাজার, বহিষ্কার ১৭ জাপানে ‘ফ্যাশন ওয়ার্ল্ড টোকিও’তে অংশগ্রহণে আগ্রহীদের আবেদনের  আহ্বান জানিয়েছে বিসিক নীলফামারীতে কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে ‘আর্ন’ প্রকল্পের কর্মশালা 

যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগ বাড়াতে অর্থনৈতিক সংস্কারের আহ্বান মার্কিন রাষ্ট্রদূতের

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশ : শনিবার, ৪ জুলাই, ২০২৬

বাংলাদেশে আরও বেশি মার্কিন বিনিয়োগ আকর্ষণ করতে বড় পরিসরে দৃঢ় অর্থনৈতিক সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন। 

তিনি বলেছেন, পারস্পরিক বাণিজ্য, বেসরকারি খাতনির্ভর প্রবৃদ্ধি এবং দীর্ঘমেয়াদি বাণিজ্যিক অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের নতুন অধ্যায় গড়ে তোলা প্রয়োজন।

আজ শনিবার রাজধানীর একটি হোটেলে যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম স্বাধীনতা বার্ষিকী উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশ (অ্যামচেম), ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের সহযোগিতায় এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন বলেন, যুক্তরাষ্ট্র এখন প্রচলিত সহায়তানির্ভর সম্পর্কের বাইরে গিয়ে ন্যায্য ও ভারসাম্যপূর্ণ বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং যৌথ সমৃদ্ধির ভিত্তিতে প্রকৃত অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে চায়। 

তার ভাষায়, ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতির অর্থ ‘আমেরিকা একা’ নয়; বরং অভিন্ন অর্থনৈতিক স্বার্থ রয়েছে— এমন নির্ভরযোগ্য অংশীদারদের সঙ্গে কাজ করে উভয় পক্ষের প্রবৃদ্ধির সুযোগ তৈরি করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র।

রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে প্রস্তাবিত ‘অ্যাগ্রিমেন্ট অন রেসিপ্রোকাল ট্রেড’ (এআরটি) দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, উদ্ভাবন, মানসম্মত কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দীর্ঘমেয়াদি ব্যবসায়িক সহযোগিতার একটি কাঠামো তৈরি করবে।

বাংলাদেশকে এ অঞ্চলের অন্যতম উদীয়মান অর্থনীতির দেশ উল্লেখ করে তিনি বলেন, তরুণ কর্মশক্তি, স্থিতিশীল বেসরকারি খাত এবং কৌশলগত ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে দেশটি মার্কিন বিনিয়োগকারীদের জন্য আকর্ষণীয় গন্তব্য।

তবে এই সম্ভাবনা কাজে লাগাতে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কমানো, দুর্নীতি মোকাবিলা এবং বাজারে প্রতিযোগিতা বাড়িয়ে সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করার ওপর জোর দেন তিনি। তার মতে, এসব সংস্কার উদ্যোক্তাদের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি করবে এবং আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়াবে।

বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সহযোগিতা সম্প্রসারণের জন্য জ্বালানি, ডিজিটাল প্রযুক্তি, স্বাস্থ্যসেবা, উন্নত উৎপাদনশিল্প, প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা খাতকে সম্ভাবনাময় হিসেবে উল্লেখ করেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত।

সম্প্রতি সই হওয়া জ্বালানি খাতের সমঝোতা স্মারকের (এমওইউ) প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, এটি বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র অর্থনৈতিক সম্পর্কে নতুন গতি সঞ্চার করেছে এবং বিনিয়োগ ও কৌশলগত সহযোগিতার নতুন সুযোগ তৈরি করেছে।

অ্যামচেম বাংলাদেশের ভূমিকাও তুলে ধরেন ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন। তিনি বলেন, মার্কিন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও বাংলাদেশের বেসরকারি খাতের মধ্যে সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করছে সংগঠনটি। বিশেষ করে জ্বালানি খাতসহ বিভিন্ন নীতিগত সংস্কারে সরকারের সঙ্গে তাদের গঠনমূলক সম্পৃক্ততার প্রশংসা করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক, ব্যবসায়ী নেতা এবং দেশি-বিদেশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
২০২৬ © আজকের বসুন্ধরা কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customization By NewsSun