অপহরন মারধর ও চাঁদাবাজি করে নগদ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ করলেন তিশামনি আক্তার ( ২২ ) পিতা – মোঃ লুৎফর রহামান, গাজীপুর কাশিমপুর থানার ১ নং ওয়ার্ড পলাশ হাউজিং সাদ্দামের বাড়ির ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করছে ২৭/৭/২৬ ইং রাত ৮ ঘটিকায় কাশিমপুর থানার জিরানী বাজার এলাকায় তার পরিচিত এলাকার ভাই দেলোয়ার হোসেনের সাথে দেখা হয়, রাত হওয়ায় বড় ভাই দেলোয়ার হোসেন তিশামনি আক্তার কে অটোরিকশা যোগে পৌঁছে দেওয়ার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয় এবং পলাশ হাউজিং এ পৌঁছালে
নহিদ পারভেজ (৩২) , শাহাদাৎ মোল্লা ( ৩৫) , অপু ( ৪০), জহির (৩৫) , হৃদয় ( ২৫) , সাকিব ( ২৮),
মনির হোসেন ( ২৮), অজ্ঞাতনামা ৩/৪ জন বিভিন্ন অশ্লীল কথাবার্তা বলতে থাকে
তিশা মনি আক্তার বলেন উল্লেখ ব্যক্তিদের কার্যকলাপের আমি বিরোধিতা করিলে তারা আরো বেশি উত্তেজিত হয়ে পরে এক পর্যায়ে আমাকে এবং আমার বড় ভাই দেলোয়ার হোসেন কে জোরপূর্বক অপহরণ করে দক্ষিণ পানিশাইল ময়মনসিংহের টেক লাবীব ফ্যাক্টরির পূর্ব পাশে ১ নং ওয়ার্ডেের তাদের অফিসের ভিতর নিয়ে আটক করে দেশিও অস্ত্র দিয়ে ভাই দেলোয়ার হোসেনকে মারধর করতে থাকে এ সময় নাহিদ পারভেজ খুন করার হুমকি প্রদান করে ১,০০,০০০
( এক লক্ষ) টাকা মুক্তি পন বাবদ চাঁদা দাবী করে,
এই ঘটনাটি মোবাইল ফোনের মাধ্যমে আমার বড় বোন লতা আক্তার ( ২২ ) কে জানাইলে তিনি নগদ ১০,০০০ ( দশ হাজার) টাকা শাহাদাৎ মোল্লাকে চাঁদা বাবদ প্রদান করে এবং ভাই দেলোয়ার হোসেনের সাথে থাকা নগদ ৮,৫০০ ( আট হাজার পাঁচশত) টাকা অপু কে চাঁদা বাবদ প্রদান করলে দাবিকৃত চাঁদার অবশিষ্ট টাকা ২৮/৭/২৬ ইং সকালে দেবার জন্য ভয়ভীতি দেখিয়ে অফিস থেকে বের করে দেয়।
তিশামনি আক্তার এমন ঘটনার পর কাশিমপুর থানায় হাজির হয়ে একটি অভিযোগ দায়ের করে এবং ঘটনাটির সত্যতা মিলায় কাশিমপুর থানা পুলিশ ১/৮/২৬ ইং আনুমানিক রাত ৯ ঘটিকায় নাহিদ পারভেজ কে গ্রেফতার করে ও নিয়মিত মামলা দিয়ে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করে।