1. admin@ajkerbasundhara.com : admin :
মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৫৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ঢাকাকেও লোডশেডিংমুক্ত রাখার পরিকল্পনা থেকে সরে আসছে সরকার: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা শেখ হাসিনাকে ধরে আনতে চাই, মৃত্যুদণ্ড অপেক্ষা করছে: ডা. জাহেদ উর রহমান প্রথমবারের মতো দেশের আটটি বিভাগীয় শহরেই হবে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশ ও জিম্বাবুয়েকে নিয়ে আফগানিস্তানের পূর্ণাঙ্গ সিরিজ পাকিস্তান ক্রিকেটের বিশৃঙ্খলা ও আকিব জাভেদের ভূমিকা নিয়ে বিস্ফোরক জেসন গিলেস্পি সৌদি আরবে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় সিলেটের ৪ প্রবাসীর মৃত্যু বোয়িং থেকে ১৪ উড়োজাহাজ কেনায় স্বচ্ছতা নিয়ে আইনি নোটিস ২০৩০ বিশ্বকাপ: নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারে স্পেনের সাথে কাতারের নতুন চুক্তি বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটের জন্য বিগত সরকারের অদূরদর্শিতাকে দায়ী করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য দিল্লি সফর: গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তির নবায়ন নিয়ে জোর তৎপরতা

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বদলিতে নতুন কড়াকড়ি ও শর্তাবলি জারি

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের বদলি প্রক্রিয়ায় নতুন করে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। সিলেট বিভাগীয় প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয় থেকে সম্প্রতি এ সংক্রান্ত একটি নোটিশ জারি করা হয়েছে, যেখানে বদলির জন্য বেশ কিছু কঠোর শর্ত নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, কোনো শিক্ষক চাকরিতে যোগদানের পর দুই বছর পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত বদলির আবেদন করতে পারবেন না। এছাড়া, একবার বদলি হওয়ার পর পরবর্তী তিন বছর পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত তিনি পুনরায় বদলির জন্য বিবেচিত হবেন না।

শিক্ষক সংকট নিরসনে বিদ্যালয়গুলোর জনবল কাঠামোর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। নোটিশ অনুযায়ী, যেসব বিদ্যালয়ে অনুমোদিত শূন্য পদ রয়েছে, কেবল সেখানেই বদলি হওয়া সম্ভব। যেসব বিদ্যালয়ে শিক্ষকের সংখ্যা পাঁচজন বা তার কম, অথবা শিক্ষক-শিক্ষার্থীর অনুপাত ১:৪০-এর বেশি, সেসব প্রতিষ্ঠান থেকে কোনো শিক্ষককে অন্য বিদ্যালয়ে বদলি করা হবে না। একই বিদ্যালয় থেকে একাধিক শিক্ষক বদলির আবেদন করলে জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। তবে কোনো শিক্ষকের নিজস্ব আবেদন ছাড়া তাকে নিজ কর্মস্থল থেকে বদলি করা যাবে না।

নারী শিক্ষকদের ক্ষেত্রে বদলির আবেদনে বিশেষ অগ্রাধিকারের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। সব শর্ত পূরণ সাপেক্ষে তারা তাদের স্থায়ী ঠিকানা কিংবা স্বামীর স্থায়ী ঠিকানার কাছাকাছি বিদ্যালয়ে বদলির সুযোগ পাবেন। অন্তঃবিভাগীয় বদলির আবেদনগুলো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যাচাই-বাছাই করে নিষ্পত্তি করবে এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পর্যালোচনার পর নির্ধারিত কমিটি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।

অন্যদিকে, আন্তঃবিভাগীয় বদলির ক্ষেত্রে সর্বশেষ বদলি নীতিমালা অনুসরণ করতে হবে। এ ধরনের আবেদনের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় নথিপত্র যাচাই-বাছাই শেষে মহাপরিচালকের দপ্তরে পাঠানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নতুন এই শর্তাবলি মূলত বিদ্যালয়ের শিক্ষার মান বজায় রাখা এবং শিক্ষক সংকটে থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোতে জনবল ধরে রাখার লক্ষ্যেই কার্যকর করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
২০২৬ © আজকের বসুন্ধরা কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customization By NewsSun