1. admin@ajkerbasundhara.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:০৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম
পুলিশ বাহিনীতে বড় নিয়োগ: ১০ হাজার কনস্টেবলসহ মোট ১৪ হাজার ৪০০ জনবল নেওয়া হবে দক্ষিণ লেবাননে ফের ইসরায়েলি বিমান হামলা, যুদ্ধবিরতি নিয়ে বাড়ছে অনিশ্চয়তা ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা প্রশমনে তেহরানে কাতারের প্রধানমন্ত্রী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বদলিতে নতুন কড়াকড়ি ও শর্তাবলি জারি নেপাল-তিব্বত সীমান্তে আকস্মিক বন্যায় চোখের সামনে পরিবার হারালেন ব্যবসায়ী বিলুপ্তির পথে সিরাজগঞ্জের কামারখন্দের ঐতিহ্যবাহী শীতলপাটি শিল্প অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বাংলাদেশের জয় সতর্কবার্তা, ২৭ বছর আগের প্রস্তাব মনে করালেন স্টিভ ওয়াহ নেপালে বন্যা ও ভূমিধসে নিখোঁজ চার শতাধিক বিদেশি পর্যটক নিউইয়র্ক সিটি পাবলিক স্কুল: ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষ শুরু ১০ সেপ্টেম্বর দক্ষিণ কোরিয়ার আকাশ প্রতিরক্ষা অঞ্চলে রুশ বিমানের অনুপ্রবেশ, সতর্কতায় যুদ্ধবিমান মোতায়েন

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বদলিতে নতুন কড়াকড়ি ও শর্তাবলি জারি

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের বদলি প্রক্রিয়ায় নতুন করে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। সিলেট বিভাগীয় প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয় থেকে সম্প্রতি এ সংক্রান্ত একটি নোটিশ জারি করা হয়েছে, যেখানে বদলির জন্য বেশ কিছু কঠোর শর্ত নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, কোনো শিক্ষক চাকরিতে যোগদানের পর দুই বছর পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত বদলির আবেদন করতে পারবেন না। এছাড়া, একবার বদলি হওয়ার পর পরবর্তী তিন বছর পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত তিনি পুনরায় বদলির জন্য বিবেচিত হবেন না।

শিক্ষক সংকট নিরসনে বিদ্যালয়গুলোর জনবল কাঠামোর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। নোটিশ অনুযায়ী, যেসব বিদ্যালয়ে অনুমোদিত শূন্য পদ রয়েছে, কেবল সেখানেই বদলি হওয়া সম্ভব। যেসব বিদ্যালয়ে শিক্ষকের সংখ্যা পাঁচজন বা তার কম, অথবা শিক্ষক-শিক্ষার্থীর অনুপাত ১:৪০-এর বেশি, সেসব প্রতিষ্ঠান থেকে কোনো শিক্ষককে অন্য বিদ্যালয়ে বদলি করা হবে না। একই বিদ্যালয় থেকে একাধিক শিক্ষক বদলির আবেদন করলে জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। তবে কোনো শিক্ষকের নিজস্ব আবেদন ছাড়া তাকে নিজ কর্মস্থল থেকে বদলি করা যাবে না।

নারী শিক্ষকদের ক্ষেত্রে বদলির আবেদনে বিশেষ অগ্রাধিকারের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। সব শর্ত পূরণ সাপেক্ষে তারা তাদের স্থায়ী ঠিকানা কিংবা স্বামীর স্থায়ী ঠিকানার কাছাকাছি বিদ্যালয়ে বদলির সুযোগ পাবেন। অন্তঃবিভাগীয় বদলির আবেদনগুলো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যাচাই-বাছাই করে নিষ্পত্তি করবে এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পর্যালোচনার পর নির্ধারিত কমিটি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।

অন্যদিকে, আন্তঃবিভাগীয় বদলির ক্ষেত্রে সর্বশেষ বদলি নীতিমালা অনুসরণ করতে হবে। এ ধরনের আবেদনের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় নথিপত্র যাচাই-বাছাই শেষে মহাপরিচালকের দপ্তরে পাঠানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নতুন এই শর্তাবলি মূলত বিদ্যালয়ের শিক্ষার মান বজায় রাখা এবং শিক্ষক সংকটে থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোতে জনবল ধরে রাখার লক্ষ্যেই কার্যকর করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
২০২৬ © আজকের বসুন্ধরা কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customization By NewsSun