২১ আগষ্ট আনুমানিক ৪:৩০ মিনিটে গাজীপুর কাশিমপুর থানার ২নং ওয়ার্ড মুক্তিযোদ্ধা টেক এলাকায় সংঘটিতভাবে গণধর্ষণ ও লুটের ঘটনা ঘটে । এই ঘটনায় রেখা খাতুন (২৭) কাশিমপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করে, মামলাটির তদন্তকারী হিসেবে নিযুক্ত করা হয় সাব- ইন্সপেক্টর অজয় চন্দ্র রায়কে ২৭/৮/২০২৬ তারিখে শাহিন ও রায়হানকে ২৯/৮/২০২৬ তারিখে জিসান ও তুহিন কে মোট ৪ জনকে গ্রেপ্তার করে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করে কাশিমপুর থানা পুলিশ।এই ঘটনা নিয়ে ভুক্তভোগীর পরিবার সাথে কথা বললে জানায় ভুক্তভোগী একজন গার্মেন্টস কর্মী ঘটনার দিন তার পরিচিত এক বন্ধুকে ১ হাজার টাকা ধার দিতে আসলে সড়ক থেকে তাকে তুলে নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। পরে তাকে মুক্তিযোদ্ধা টেকের একটি নির্জন বাড়িতে পালাক্রমে গণধর্ষণ করে ও অশ্লীল ভিডিও ধারণ করে এরপর বিকাশের মাধ্যমে প্রায় ৪৬ হাজার টাকা আদায় করে ভুক্তভোগীকে ছেড়ে দেয় এবং ছেড়ে দেওয়ার সময় ধর্ষকরা এই বলে হুমকি প্রদান করে ঘটনাটি থানা পুলিশকে জানানো হলে প্রানে মেরে ফেলা হবে । এই মামলায় গ্রেফতারকৃতরা হলো ১- শাহিন (২৮)২- রায়হান ( ২৬) ৩- জিসান (২৫) ৪- তুহিন ( ২৬)স্থানীয় সূত্রে জানা যায় গ্রেফতারকৃতরা গাজীপুর কাশিমপুর থানার ২ নং ওয়ার্ড ১ নং খাস খতিয়ানের জমি, মুক্তিযোদ্ধা টেক এলাকার বাসিন্দা।এ বিষয়ে কাশিমপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোল্লা মোঃ খালিদ হোসেনের সাথে কথা বললে জানায় ভুক্তভোগীর পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা দায়ের পর কাশিমপুর থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে ৪জন আসামি গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় ও ২৯ আগস্ট বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয় ,ওসি কাশিমপুর আরো বলেন এমন ঘটনার সাথে জড়িত কেউ আইনের হাত থেকে রক্ষা পাবেনা। কাশিমপুরের এমন ধর্ষণের মত নির্মম ঘটনাটি নিয়ে পোশাক শ্রমিকসহ এলাকাবাসীর মনে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে, এমন ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছে সকলে।