1. admin@ajkerbasundhara.com : admin :
মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:২৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম
শেখ হাসিনাকে ধরে আনতে চাই, মৃত্যুদণ্ড অপেক্ষা করছে: ডা. জাহেদ উর রহমান প্রথমবারের মতো দেশের আটটি বিভাগীয় শহরেই হবে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশ ও জিম্বাবুয়েকে নিয়ে আফগানিস্তানের পূর্ণাঙ্গ সিরিজ পাকিস্তান ক্রিকেটের বিশৃঙ্খলা ও আকিব জাভেদের ভূমিকা নিয়ে বিস্ফোরক জেসন গিলেস্পি সৌদি আরবে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় সিলেটের ৪ প্রবাসীর মৃত্যু বোয়িং থেকে ১৪ উড়োজাহাজ কেনায় স্বচ্ছতা নিয়ে আইনি নোটিস ২০৩০ বিশ্বকাপ: নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারে স্পেনের সাথে কাতারের নতুন চুক্তি বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটের জন্য বিগত সরকারের অদূরদর্শিতাকে দায়ী করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য দিল্লি সফর: গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তির নবায়ন নিয়ে জোর তৎপরতা আয়ারল্যান্ডে গাজার শিক্ষার্থীদের ভিসা প্রত্যাখ্যান নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ ও ক্ষোভ

তারেক রহমানের সম্ভাব্য দিল্লি সফর: গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তির নবায়ন নিয়ে জোর তৎপরতা

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশ : মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বিদ্যমান গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তির মেয়াদ আগামী ডিসেম্বরে শেষ হতে যাচ্ছে। এই গুরুত্বপূর্ণ চুক্তিটি নবায়নের লক্ষ্যে দুই দেশের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ইতিমধ্যে আলোচনা শুরু করেছেন। বিষয়টি নিয়ে কাজ করার জন্য একটি ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠন করা হয়েছে, যারা তাদের প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পর নবায়ন প্রক্রিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে। কূটনৈতিক সূত্রগুলোর মতে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফরকালে এই চুক্তিটি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকতে পারে এবং সেখানেই চূড়ান্ত সমঝোতার সম্ভাবনা রয়েছে।

১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর স্বাক্ষরিত এই চুক্তিতে বাংলাদেশের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী এইচ ডি দেবেগৌড়া স্বাক্ষর করেছিলেন। চুক্তির মূল লক্ষ্য হলো শুষ্ক মৌসুমে ফারাক্কা বাঁধের মাধ্যমে গঙ্গার পানির সুষম বণ্টন নিশ্চিত করা। উল্লেখ্য, পশ্চিমবঙ্গের ফারাক্কায় ১৯৭৫ সালে এই বাঁধ নির্মাণ করা হয়েছিল। ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে মোট ৫৪টি আন্তঃসীমান্ত নদী রয়েছে, যার মধ্যে গঙ্গার পানি প্রবাহ ঋতুভেদে ব্যাপকভাবে পরিবর্তিত হয়। যদিও চুক্তির মেয়াদ ৩০ বছর, তবুও প্রতি পাঁচ বছর পর পর এটি পর্যালোচনার সুযোগ রয়েছে। এছাড়া চুক্তির প্রভাব মূল্যায়নের জন্য যেকোনো পক্ষ দুই বছর পর পর্যালোচনার দাবি জানাতে পারে।

চুক্তির শর্তানুযায়ী, প্রতি বছর ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ মে পর্যন্ত শুষ্ক মৌসুমে প্রতি দশদিন অন্তর পানি বণ্টন করা হয়। ফারাক্কায় পানির প্রবাহ ৭০ হাজার কিউসেকের কম হলে বাংলাদেশ ও ভারত সমান অনুপাতে পানি পায়। প্রবাহ ৭০ থেকে ৭৫ হাজার কিউসেক হলে বাংলাদেশ নির্দিষ্ট ৩৫ হাজার কিউসেক পানি পায় এবং অবশিষ্ট অংশ পায় ভারত। প্রবাহ ৭৫ হাজার কিউসেকের বেশি হলে ভারত ৪০ হাজার কিউসেক পানি রেখে বাকিটা বাংলাদেশকে দেয়। এছাড়া পানির প্রবাহ ৫০ হাজার কিউসেকের নিচে নেমে গেলে দুই দেশের মধ্যে জরুরি বৈঠকের বিধান রয়েছে। ফারাক্কা ফিডার ক্যানেল ও হার্ডিঞ্জ ব্রিজ নেভিগেশন লকের পানির প্রবাহ যৌথ কমিটির মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ করে উভয় দেশের সরকারের কাছে প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ঢাকার কর্মকর্তারা বলছেন, দু’দেশের শীর্ষ পর্যায়ের বৈঠকের পরেই এ ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তখনই চুক্তিটির নবায়নের ব্যাপারে দু’দেশের মধ্যে সমঝোতা হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এই চুক্তির অন্যতম উদ্দেশ্য হচ্ছে—ফারাক্কা বাঁধে গঙ্গার পানিবন্টন ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
২০২৬ © আজকের বসুন্ধরা কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customization By NewsSun