1. admin@ajkerbasundhara.com : admin :
মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:২৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম
শেখ হাসিনাকে ধরে আনতে চাই, মৃত্যুদণ্ড অপেক্ষা করছে: ডা. জাহেদ উর রহমান প্রথমবারের মতো দেশের আটটি বিভাগীয় শহরেই হবে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশ ও জিম্বাবুয়েকে নিয়ে আফগানিস্তানের পূর্ণাঙ্গ সিরিজ পাকিস্তান ক্রিকেটের বিশৃঙ্খলা ও আকিব জাভেদের ভূমিকা নিয়ে বিস্ফোরক জেসন গিলেস্পি সৌদি আরবে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় সিলেটের ৪ প্রবাসীর মৃত্যু বোয়িং থেকে ১৪ উড়োজাহাজ কেনায় স্বচ্ছতা নিয়ে আইনি নোটিস ২০৩০ বিশ্বকাপ: নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারে স্পেনের সাথে কাতারের নতুন চুক্তি বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটের জন্য বিগত সরকারের অদূরদর্শিতাকে দায়ী করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য দিল্লি সফর: গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তির নবায়ন নিয়ে জোর তৎপরতা আয়ারল্যান্ডে গাজার শিক্ষার্থীদের ভিসা প্রত্যাখ্যান নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ ও ক্ষোভ

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটের জন্য বিগত সরকারের অদূরদর্শিতাকে দায়ী করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশ : মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

দেশের বিদ্যমান তীব্র বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটের জন্য বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের অদূরদর্শী নীতি এবং দলীয় ব্যবসায়ীদের স্বার্থ রক্ষার প্রবণতাকে দায়ী করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে ৬৮ বিধির আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি বলেন, বিগত সরকার বিদেশনির্ভর জ্বালানি নীতি গ্রহণ করেছিল এবং দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধানে কোনো নজর দেয়নি। এই অব্যবস্থাপনার কারণেই বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর ভঙ্গুর জ্বালানি খাত উত্তরাধিকারসূত্রে পেয়েছে।

সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই আন্তর্জাতিক পরিসরে গালফ ওয়ারের মতো পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়। এমন প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও কৃষকদের বোরো মৌসুমের সেচ কাজ নিরবচ্ছিন্ন রাখতে গত ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়নি। পরবর্তীতে সীমান্ত দিয়ে পাচার রোধ এবং আন্তর্জাতিক বাজারের পরিস্থিতি সামাল দিতে তেলের দাম সহনীয় পর্যায়ে পুনঃনির্ধারণ করা হয়েছে। সরকার সাধারণ মানুষের ওপর বাড়তি করের বোঝা না চাপিয়ে আর্থিক চাপ কমানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

বিদ্যুৎ উৎপাদন সচল রাখতে সরকারের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সরকার দ্রুত পদক্ষেপে বিশ্বাসী। মাতারবাড়িতে চীন সরকারের সাথে ‘জি টু জি’ চুক্তির আওতায় তৃতীয় এফএসআরইউ ১৮ মাসের মধ্যে বাস্তবায়নের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া ভূমিনির্ভর এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং এর জন্য প্রয়োজনীয় শত কিলোমিটার পাইপলাইন নির্মাণের আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বানের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

অভ্যন্তরীণ সম্পদ ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, বড়পুকুরিয়ার দেশীয় কয়লা ব্যবহার করে ৬০০ মেগাওয়াটের নতুন বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। একইসাথে পায়রা দ্বিতীয় পর্যায়ের ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াটের কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কাজ দ্রুত শুরু করার বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা চলছে। সঞ্চালন লাইনের ঘাটতি থাকলে সরকার নিজস্ব জিওবি তহবিল থেকে অর্থায়ন করবে।

জ্বালানি উৎস বহুমুখীকরণের অংশ হিসেবে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা দেশীয় অনশোর ও অফশোর গ্যাস কূপ খনন ও অনুসন্ধান কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে বলে জানান সালাহউদ্দিন আহমদ। বিশেষ করে ভোলাতে গ্যাস উত্তোলনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা কেন্দ্র করে ফার্টিলাইজার ইন্ডাস্ট্রি ও বিদ্যুৎ কেন্দ্র গড়ে তোলা হবে। এছাড়া মাতারবাড়িতে এলপিজি টার্মিনাল ও স্টোরেজ অবকাঠামো নির্মাণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং সমুদ্রের বৈরী আবহাওয়ায় গ্যাস খালাসের জন্য ভাসমান সিবিএস প্রযুক্তি স্থাপনের আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।

বিরোধী দলের উত্থাপিত সময়সীমার বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ভঙ্গুর ব্যবস্থা রাতারাতি পরিবর্তন করা কঠিন হলেও প্রধানমন্ত্রী মাত্র ছয় মাসের মধ্যে দৃশ্যমান পরিবর্তনের যে মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন, তা কার্যকর হতে শুরু করেছে। সরকারের মূল লক্ষ্য হলো গ্যাসের ওপর একক নির্ভরতা কমিয়ে কয়লা, বাতাস ও সৌরশক্তির সমন্বয়ে একটি টেকসই জ্বালানি খাত গড়ে তোলা, যা দেশে বিদেশি বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত করবে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: দেশে বর্তমানে যে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট দৃশ্যমান, তা পূর্ববর্তী সরকারের রেখে যাওয়া অর্থনৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক অব্যবস্থাপনারই ফল। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পরই এই ভঙ্গুর অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি নানা উদ্যোগ নিয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বৈশ্বিক আর্থিক সীমাবদ্ধতা ও আন্তর্জাতিক অর্থায়ন বন্ধের বিধিনিষেধ সত্ত্বেও ২০২১ সালের আগের চুক্তির আওতায় পায়রা দ্বিতীয় পর্যায়ের ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াটের কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কাজ দ্রুত শুরু করার বিষয়ে তাদের সঙ্গে সরকারের ফলপ্রসূ আলোচনা চলছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: সরকার প্রতিটি সমস্যার টেকসই সমাধানে কাজ করে যাচ্ছে এবং দ্রুততম সময়ের মধ্যেই এই সংকটের উত্তরণ সম্ভব হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
২০২৬ © আজকের বসুন্ধরা কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customization By NewsSun