পৃথিবীতে মায়ের চেয়ে আপন আর কেউ নেই বলে মন্তব্য করেছেন কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন। তিনি বলেন, জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত মায়ের পাশে থাকা এবং তাকে খুশি রাখা প্রতিটি সন্তানের দায়িত্ব। মা খুশি থাকলে আল্লাহও সন্তুষ্ট থাকেন। গত মঙ্গলবার দুপুর ১২টা ৫০ মিনিটে ঢাকার নিজ বাসভবনে ১০৩ বছর বয়সে ইন্তেকাল করেন মন্ত্রীর মা আমেনা বেগম। তিনি চার ছেলে ও পাঁচ মেয়েসহ মোট নয় সন্তানের জননী ছিলেন; মন্ত্রী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন তার পঞ্চম সন্তান।
বুধবার দুপুর ২টায় কুমিল্লার বিজয়পুর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আমেনা বেগমের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজার পূর্বে আবেগাপ্লুত হয়ে মন্ত্রী মুসল্লিদের কাছে তার মায়ের জন্য দোয়া প্রার্থনা করেন। তিনি জানান, তাদের নয় ভাইবোনের মধ্যে একজন আগেই মারা গেছেন এবং বাকি আটজন মায়ের শেষ সময় পর্যন্ত তার পাশে থাকার সৌভাগ্য অর্জন করেছেন। জানাজায় ইমামতি করেন বিজয়পুর জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা মোহাম্মদ আতাউল্লাহ। জানাজা শেষে কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার পরাণপুর গ্রামে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
জানাজায় কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ইউছুফ মোল্লা টিপু, কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান উদবাতুল বারী আবু, কুমিল্লা ওয়াসার চেয়ারম্যান আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম, পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সাইফুল ইসলাম এবং জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির কাজী দ্বীন মোহাম্মদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী, সরকারি কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় হাজারো মানুষ অংশ নেন।
মায়ের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে সমবেদনা জানানোয় রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, বিএনপির মহাসচিবসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ ও সরকারের মন্ত্রীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন মন্ত্রী। তিনি জানান, বিভিন্ন পর্যায়ের বিশিষ্টজনরা তার মায়ের মৃত্যুতে শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন। শোকাবহ এই সময়ে আত্মীয়স্বজন, শুভাকাঙ্ক্ষী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের উপস্থিতি ও সহমর্মিতাকে তিনি কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তিনি বলেন, আমার মা ১০৩ বছর বয়সে পৃথিবী থেকে বিদায় নিয়েছেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তাদের সবার প্রতি আমি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞতা জানাই।