1. admin@ajkerbasundhara.com : admin :
শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৩৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজধানীর লালবাগে নিখোঁজ ব্যবসায়ীর রহস্যজনক অন্তর্ধানের ঘটনায় উদ্ধার হলো নিথর দেহ সংকট কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, অক্টোবরেই ফিরছে স্বাভাবিক কার্যক্রম প্রবাসীদের পাসপোর্ট ও এনআইডি সেবা সহজ করতে ৪১ দেশে কার্যক্রম সম্প্রসারণের উদ্যোগ যুক্তরাষ্ট্রে বিদেশি কর্মীদের ৬০ দিনের গ্রেস পিরিয়ড বাতিলের প্রস্তাব ট্রাম্প প্রশাসনের ভারতের সঙ্গে শেখ হাসিনার করা ১০১টি চুক্তি পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত সরকারের জয়পুরহাটের ক্ষেতলালে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে গৃহবধূর অনশন কাপ্তাই লেকের পানির উচ্চতা বৃদ্ধি: আবারও খোলা হলো বাঁধের ১৬টি স্পিলওয়ে গেট সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে সব ধরনের কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করল আলজেরিয়া ১৮তম ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিচ্ছেন পুতিন, যাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শাহজালাল বিমানবন্দরে এয়ার ইন্ডিয়ার ফ্লাইটে ৩৮ লিটার বিদেশি মদ জব্দ, আটক ৭

শাহজালাল বিমানবন্দরে এয়ার ইন্ডিয়ার ফ্লাইটে ৩৮ লিটার বিদেশি মদ জব্দ, আটক ৭

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশ : শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মুম্বাই থেকে ঢাকাগামী এয়ার ইন্ডিয়ার এআই-২১৮৩ ফ্লাইটের সাত যাত্রীর কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ বিদেশি মদ জব্দ করা হয়েছে। গত ৮ সেপ্টেম্বর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের এয়ারপোর্ট সার্কেলের সি-শিফট এই বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। ফ্লাইটটি সকাল ১০টা ৪৩ মিনিটে বিমানবন্দরে অবতরণের পর সন্দেহভাজন যাত্রীদের ওপর নজরদারি বাড়ানো হয়। ইমিগ্রেশন শেষে গ্রিন চ্যানেল দিয়ে বের হওয়ার সময় তল্লাশি চালিয়ে এই মদের চালান উদ্ধার করা হয়।

জব্দকৃত মদের মধ্যে আজমল হকের ব্যাগ থেকে ১০ লিটার, মোজাম্মেল হক ভূঁইয়ার ব্যাগ থেকে ৭ লিটার, মো. ইমরানের ব্যাগ থেকে ৬ লিটার এবং বাবুল মিয়ার ব্যাগ থেকে ৬ লিটার বিদেশি মদ পাওয়া গেছে। এছাড়া মো. নাফিজ সাবাত ও আল আমিন শেখের ব্যাগ থেকে ৩ দশমিক ৫০ লিটার করে এবং সাদ্দাম হোসেনের ব্যাগ থেকে ৩ লিটার মদ উদ্ধার করা হয়। সব মিলিয়ে সাত যাত্রীর কাছ থেকে মোট ৩৮ দশমিক ৫০ লিটার বিদেশি মদ জব্দ করা হয়েছে, যার আনুমানিক বাজারমূল্য ৭ লাখ ৭০ হাজার টাকা।

একই ফ্লাইটে আসা একাধিক যাত্রীর কাছ থেকে একসঙ্গে এত বিপুল পরিমাণ মদ উদ্ধারের ঘটনাটিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে কর্তৃপক্ষ। জব্দ করা মদের বিষয়ে প্রচলিত কাস্টমস আইন ও বিধি অনুযায়ী পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। এই যাত্রীরা ব্যক্তিগতভাবে এসব মদ বহন করছিলেন, নাকি এর পেছনে কোনো সংঘবদ্ধ চক্রের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এছাড়া ব্যাগেজে কীভাবে এত পরিমাণ মদ আনা হলো এবং এর সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত কি না, তা নিয়েও যাচাই-বাছাই চলছে।

বিমানবন্দরে অবৈধভাবে মদসহ যেকোনো শুল্কযোগ্য বা নিষিদ্ধ পণ্য চোরাচালান ঠেকাতে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের নজরদারি ও তল্লাশি কার্যক্রম নিয়মিত অব্যাহত রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
২০২৬ © আজকের বসুন্ধরা কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customization By NewsSun