1. admin@ajkerbasundhara.com : admin :
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৩৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
দামুড়হুদায় অবৈধ দুই ইটভাটা গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন জীবননগর থানা পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযান, ৪৬ বোতল এসকাফসহ যুবক আটক ‎‎‎ধামরাইয়ে পুকুর থেকে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার সাভারে মেডিকেল অফিসারের বিরুদ্ধে মানববন্ধন‎‎ ‎ যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকার ধামরাইয়ে সমাবেশ ও র‍্যালি‎ সাত দিনের মধ্যে পোশাকশিল্পের মজুরি বোর্ডের গেজেট: শ্রমমন্ত্রী পিংক সাইকেল চালিয়ে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর কিশোরীদের উৎসাহ দিলেন গাজীপুরের ডিসি গাজীপুরে ঝুটের গোডাউনে আগুন, কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ৪ ইউনিট বিদেশে কর্মসংস্থানে আস্থার সংকট কাটাতে কাজ করছে আনসার-ভিডিপি দামুড়হুদায় নারী সংক্রান্ত বিরোধে একজনকে কুপিয়ে জখম, ঘটনাস্থলে এএসপি-ওসি

যুক্তরাষ্ট্রে বিদেশি কর্মীদের ৬০ দিনের গ্রেস পিরিয়ড বাতিলের প্রস্তাব ট্রাম্প প্রশাসনের

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশ : শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রে কর্মরত বিদেশি কর্মীদের জন্য বড় ধরনের নীতি পরিবর্তনের প্রস্তাব করেছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। বর্তমানে কোনো বিদেশি কর্মী চাকরি হারানোর পর নতুন নিয়োগকর্তা খোঁজার জন্য যে ৬০ দিনের গ্রেস পিরিয়ড বা সুযোগ পান, তা বাতিলের পরিকল্পনা করা হয়েছে। এই প্রস্তাব কার্যকর হলে এইচ-১বি ভিসাধারীদের মতো অস্থায়ী কর্মীরা চাকরি শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই দেশ ছাড়তে বাধ্য হতে পারেন।

গত বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ (ডিএইচএস) ফেডারেল রেজিস্টারে এই প্রস্তাবিত পরিবর্তনের ঘোষণা দেয়। ২০১৭ সাল থেকে চালু থাকা এই নিয়মের আওতায় দক্ষ বিদেশি কর্মীরা চাকরি হারানোর পর দুই মাস সময় পেতেন। এই সময়ে তারা নতুন চাকরি খোঁজার পাশাপাশি সন্তানদের স্কুল পরিবর্তন বা ব্যক্তিগত সম্পদ গুছিয়ে নেওয়ার সুযোগ পেতেন। নতুন নিয়ম কার্যকর হলে এই সুবিধা আর পাওয়া যাবে না।

প্রস্তাবিত এই পরিবর্তনের প্রভাব শুধু এইচ-১বি ভিসাধারীদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। এর আওতায় ই-১ আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক ভিসা, ই-২ ভিসা, এল-১ ভিসা (নির্বাহী ও ব্যবস্থাপক), এবং ও-১ ভিসাধারীরাও (বিজ্ঞান, ক্রীড়া বা শিল্পকলার দক্ষ কর্মী) পড়তে পারেন। এছাড়া সিঙ্গাপুর ও চিলির কর্মীদের জন্য এইচ-১বি১ এবং অস্ট্রেলিয়ার কর্মীদের জন্য ই-৩ ভিসার ক্ষেত্রেও একই ধরনের কঠোরতা আরোপের সম্ভাবনা রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি খাতে এইচ-১বি ভিসার গুরুত্ব অপরিসীম। ১৯৯০ সালে চালু হওয়া এই ভিসার ওপর ভিত্তি করে ভারত ও চীনসহ বিভিন্ন দেশের দক্ষ কর্মীরা মার্কিন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন। ডেলয়েট, পিডব্লিউসি, আর্নস্ট অ্যান্ড ইয়ংয়ের মতো পরামর্শক প্রতিষ্ঠান এবং টাটা কনসালটেন্সি সার্ভিসেস, ইনফোসিস, এইচসিএল টেক ও এলটিআইমাইন্ডট্রির মতো আউটসোর্সিং প্রতিষ্ঠানগুলো এই ভিসার বড় স্পনসর।

ডিএইচএস জানিয়েছে, এই পরিবর্তনের ফলে কিছু প্রতিষ্ঠানে কর্মী ব্যবস্থাপনায় সাময়িক জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে, তবে এর মাধ্যমে মার্কিন নাগরিকদের জন্য চাকরির সুযোগ বাড়বে। বেরার্ডি ইমিগ্রেশন ল-এর আইনজীবীদের মতে, এই নিয়ম কার্যকর হলে মানবসম্পদ বিভাগগুলোর হাতে কর্মী ছাঁটাই বা চাকরি ছাড়ার প্রক্রিয়া পরিচালনার সময় অনেক কমে যাবে, যা বড় বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

অবশ্য প্রস্তাবটিতে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার পর যদি কোনো নতুন নিয়োগকর্তা আবেদন করেন, তবে সংশ্লিষ্ট কর্মী পুনরায় ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবেন। তবে সামগ্রিকভাবে এটি ট্রাম্প প্রশাসনের কঠোর অভিবাসন নীতিরই অংশ। ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই বৈধ অভিবাসন সীমিত করা এবং ভিসা ফি বাড়ানোর মতো একের পর এক পদক্ষেপ নিচ্ছে বর্তমান প্রশাসন।

বর্তমানে প্রস্তাবটি চূড়ান্ত হয়নি। আগামী দুই মাস এটি জনমত গ্রহণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। এই সময়ের মধ্যে বিভিন্ন ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্ট সংগঠন তাদের মতামত ও আপত্তি জানাতে পারবে। সব পক্ষের মতামত পর্যালোচনার পরই মার্কিন কর্তৃপক্ষ চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: রয়টার্সের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। চাকরির আরও তথ্য: তবে এর ফলে এসব পদে সমান যোগ্যতার মার্কিন নাগরিকদের নিয়োগের সুযোগ তৈরি হবে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এ ছাড়া আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের নির্বাহী ও ব্যবস্থাপকদের এল-১ ভিসা এবং বিজ্ঞান, ক্রীড়া বা শিল্পকলায় অসাধারণ দক্ষতার অধিকারীদের ও-১ ভিসাও প্রস্তাবিত পরিবর্তনের আওতায় আসতে পারে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: সম্প্রতি বিভিন্ন দেশে মার্কিন মিশনে অভিবাসী ভিসার সাক্ষাৎকার স্থগিত করা হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
২০২৬ © আজকের বসুন্ধরা কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customization By NewsSun