1. admin@ajkerbasundhara.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:১৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকার ধামরাইয়ে সমাবেশ ও র‍্যালি‎ সাত দিনের মধ্যে পোশাকশিল্পের মজুরি বোর্ডের গেজেট: শ্রমমন্ত্রী পিংক সাইকেল চালিয়ে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর কিশোরীদের উৎসাহ দিলেন গাজীপুরের ডিসি গাজীপুরে ঝুটের গোডাউনে আগুন, কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ৪ ইউনিট বিদেশে কর্মসংস্থানে আস্থার সংকট কাটাতে কাজ করছে আনসার-ভিডিপি দামুড়হুদায় নারী সংক্রান্ত বিরোধে একজনকে কুপিয়ে জখম, ঘটনাস্থলে এএসপি-ওসি ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজ: স্পিন সামলানোর প্রস্তুতিতে বাংলাদেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: নোট অব ডিসেন্টে পরিবর্তন চাইলে বৈঠকে আসতে হবে ২৯ অক্টোবর প্রকাশিত হবে ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল নতুন পোশাকে সাজছে পিআইএ: ৩১ অক্টোবর থেকে আকাশপথে যাত্রা

বেড়ে চলা বিমান ভাড়ার নেপথ্যে কর, জ্বালানি খরচ ও রানওয়ে জট

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশ : রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

অতিরিক্ত কর, জ্বালানির চড়া দাম, গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং চার্জের ভিন্নতা এবং হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের রানওয়েতে যানজটের কারণে আকাশপথের পরিচালন ব্যয় উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। এই অতিরিক্ত খরচের বোঝা শেষ পর্যন্ত যাত্রীদের টিকিটের ওপর পড়ছে বলে দাবি করেছেন ইউএস-বাংলা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মামুন। শনিবার রাজধানীর কুর্মিটোলায় ‘বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে বিশ্বমানের এভিয়েশন’ শীর্ষক এক নীতি সংলাপে তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানটির আয়োজক ছিল দৈনিক বণিক বার্তা।

আবদুল্লাহ আল মামুন তথ্য দেন যে, ঢাকা থেকে কুয়ালালামপুরগামী যাত্রীদের সরকারি কর ও আবগারি শুল্ক বাবদ প্রায় ৯ হাজার ৮৯০ টাকা গুনতে হয়, অথচ ফেরার পথে এই খরচ মাত্র ২ হাজার টাকা। একইভাবে ঢাকা-সিঙ্গাপুর রুটে করের পার্থক্য প্রায় ৪ হাজার টাকা। ঢাকা-মাসকাট রুটে যাত্রার সময় কর ১০ হাজার টাকা হলেও ফেরার পথে তা ৩ হাজার টাকা। দুবাই রুটেও একই ধরনের বৈষম্য দেখা যায়। এছাড়া অভ্যন্তরীণ রুটে ঢাকা থেকে যশোর গন্তব্যে একজন যাত্রীকে প্রায় ১ হাজার ২০০ টাকা বিমানবন্দর-সংশ্লিষ্ট চার্জ দিতে হয়, যার মধ্যে ৫০০ টাকা ভ্যাট ও ২০০ টাকা কর অন্তর্ভুক্ত।

জ্বালানি খরচ ও গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ের বৈষম্য নিয়েও তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন। মামুনের ভাষ্যমতে, বাংলাদেশে বিমানের জ্বালানির দাম কলকাতার তুলনায় বেশি। এছাড়া কুয়ালালামপুরে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং চার্জ ৯৭ হাজার টাকা হলেও ঢাকায় বিদেশি এয়ারলাইনসগুলোকে একই সেবার জন্য ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত খরচ করতে হয়। রানওয়ের জটের কারণে উড়োজাহাজগুলোকে ট্যাক্সিওয়েতে ১০ থেকে ২০ মিনিট বাড়তি অপেক্ষা করতে হয়, যা বোয়িংয়ে ৩০০-৪০০ কেজি, এয়ারবাসে ৯০০ কেজি এবং এটিআর উড়োজাহাজে ৭৫ কেজি অতিরিক্ত জ্বালানি অপচয় করে। রানওয়ে সংকটে ইউএস-বাংলার প্রতিদিন প্রায় ২০ লাখ টাকা লোকসান হচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) এয়ার ট্রাফিক ম্যানেজমেন্টের সদস্য এয়ার কমোডর নুর-ই-আলম জানান, বর্তমানে শাহজালালে ঘণ্টায় ২০ থেকে ২২টি ফ্লাইট ওঠানামা করে, যা হাইস্পিড ট্যাক্সিওয়ে চালু হলে ২৬ থেকে ২৮টিতে উন্নীত হবে। এছাড়া দ্বিতীয় রানওয়ে নির্মাণের পরিকল্পনাও রয়েছে। বিমান প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত জানান, ৪২ বছর পর বেসামরিক বিমান চলাচলের নিয়ম পরিবর্তনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যেখানে খাতসংশ্লিষ্টদের মতামত নেওয়া হবে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: অর্থাৎ দুই দিকের মধ্যে পার্থক্য প্রায় ৭ হাজার টাকা। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: একইভাবে ঢাকা থেকে সিঙ্গাপুর যেতে কর প্রায় ৯ হাজার ৮৯০ টাকা হলেও সিঙ্গাপুর থেকে ঢাকায় আসার ক্ষেত্রে তা প্রায় ৫ হাজার ৮০০ টাকা।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
২০২৬ © আজকের বসুন্ধরা কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customization By NewsSun