বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের আঞ্চলিক প্রধানের দায়িত্ব পাওয়া সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের নিয়োগ প্রক্রিয়া যথাযথ ছিল না বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ূন কবির। রোববার দুপুরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, এই পদে নতুন নিয়োগের ক্ষেত্রে এখন মালদ্বীপের প্রার্থীকে সমর্থন দিচ্ছে বাংলাদেশ। ২০২৩ সালের নভেম্বরে সদস্য দেশগুলোর ভোটে আঞ্চলিক প্রধান নির্বাচিত হওয়ার পর ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে তিনি পাঁচ বছরের জন্য দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন। তবে ২০২৪ সালে বাংলাদেশে গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন দুর্নীতির অভিযোগের অনুসন্ধান শুরু করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এর প্রেক্ষিতে ২০২৫ সালের জুলাই মাসে ডব্লিউএইচও তাকে অবৈতনিক ছুটিতে পাঠায় এবং গত বুধবার তিনি সংস্থাটির মহাপরিচালক টেড্রোস আধানম গেব্রেয়েসুসের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন।
ভারতের সাথে বাংলাদেশের চলমান কূটনৈতিক সম্পর্ক ও দ্বিপাক্ষিক বিষয়ের ওপর আলোকপাত করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দুই দেশের সম্পাদিত চুক্তিগুলো বর্তমানে সংসদীয় কমিটির মাধ্যমে পর্যালোচনা করা হচ্ছে। নতুন ও কার্যকর সম্পর্ক গড়ার লক্ষে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বাংলাদেশ আগ্রহী বলেও তিনি জানান। পাশাপাশি ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে বেসামরিক নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা ও সীমান্তে প্রাণহানি রোধে কূটনৈতিক পর্যায়ে আলোচনা চলমান রয়েছে।
দেশের বাইরে পাচার হওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনার বিষয়ে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে জানিয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, এ লক্ষ্য অর্জনে যুক্তরাজ্যসহ নির্দিষ্ট কয়েকটি দেশের সরকারের সাথে আলোচনা ও সমন্বিত কাজ করছে বর্তমান প্রশাসন। এছাড়া আন্তর্জাতিক মহলে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ও স্বার্থ সংরক্ষণে কূটনৈতিক তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে বলেও তিনি ব্রিফিংয়ে উল্লেখ করেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।