যুক্তরাজ্যে নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরুর মাত্র কয়েক দিনের মাথায় নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে সন্তানদের স্কুল পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন প্রিন্স হ্যারি ও মেগান মার্কেল। সোমবার ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। বর্তমানে এই দম্পতি তাঁদের সাত বছর বয়সী ছেলে প্রিন্স আর্চি ও পাঁচ বছর বয়সী মেয়ে প্রিন্সেস লিলিবেটকে নিয়ে যুক্তরাজ্যে অবস্থান করছেন।
সূত্র অনুযায়ী, কটসওল্ডস এলাকায় বসবাসের সময় সন্তানরা একটি বেসরকারি স্কুলে ভর্তি ছিল। তবে স্কুলের দূরত্ব এবং যাতায়াতের পথে তীব্র যানজটের কারণে পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়। হ্যারি ও মেগানের মুখপাত্র জানান, পারিবারিক নিরাপত্তার বিষয়টি পর্যালোচনা করে ব্যক্তিগত নিরাপত্তা দলের সঙ্গে আলোচনার পরই এই জরুরি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে নিরাপত্তা নিয়ে এই উদ্বেগ সত্ত্বেও এখনো হ্যারি ও মেগান কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেননি বা তাদের নিরাপত্তা দলের পক্ষ থেকে এএফপির প্রশ্নের কোনো জবাব পাওয়া যায়নি।
উল্লেখ্য যে, ২০২০ সালে রাজপরিবারের সঙ্গে মতবিরোধের জেরে হ্যারি ও মেগান তাদের রাজকীয় দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমিয়েছিলেন। ছয় বছর পর যুক্তরাজ্যে ফিরে আসার পর থেকে হ্যারি তাঁর ও পরিবারের জন্য সরকারি পুলিশি নিরাপত্তা পুনর্বহালের দাবি জানিয়ে আসছেন। যদিও এর আগে যুক্তরাজ্যের করদাতাদের অর্থে নিরাপত্তা পাওয়ার আইনি লড়াইয়ে তিনি সফল হতে পারেননি।
হ্যারি ও তাঁর পরিবারের এই নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে গত সপ্তাহে ব্রিটিশ রাজপরিবার ও গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কমিটি ‘র্যাভেক’ একটি পর্যালোচনা সভা করেছে। বর্তমানে পরিবারটির সুরক্ষায় বেসরকারি নিরাপত্তারক্ষীরা নিয়োজিত রয়েছেন। এদিকে রাজা তৃতীয় চার্লস স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, রাজপরিবার ছেড়ে আসায় হ্যারি ও মেগানকে আর ‘দায়িত্বরত সদস্য’ হিসেবে গণ্য করা হবে না।
রাজপরিবার ছাড়ার দীর্ঘ ছয় বছর পর হ্যারি ও মেগানের এই যুক্তরাজ্য প্রত্যাবর্তন এবং নিরাপত্তা নিয়ে সরকারের ওপর তাঁদের ক্রমাগত চাপ প্রয়োগ বিষয়টি ব্রিটিশ গণমাধ্যমে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তবে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, হ্যারি তাঁর ও পরিবারের নিরাপত্তায় পুলিশকে যুক্ত করার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: রাজপরিবার ছাড়ার ৬ বছর পর যুক্তরাজ্যে ফিরছেন হ্যারি ও মেগান। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এরপর চলে যান যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: পরিবারটি বসবাসের জন্য যুক্তরাজ্যের মধ্যাঞ্চলের কটসওল্ডস এলাকা বেছে নিয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এলাকাটি তারকাদের বসবাসের জন্য জনপ্রিয়।