1. admin@ajkerbasundhara.com : admin :
মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:০৭ অপরাহ্ন

শেখ হাসিনার সঙ্গে পুতিনের ফোনালাপ নিয়ে কূটনৈতিক মহলে জল্পনা

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশ : মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত ব্রিকস সম্মেলনের প্রেক্ষাপটে ভারতের আশ্রয়ে থাকা বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ফোনালাপ নিয়ে কূটনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক জল্পনা চলছে। অনলাইনে প্রকাশিত বিভিন্ন খবরে দাবি করা হয়েছে, সম্মেলনের সময় পুতিন ও হাসিনার মধ্যে প্রায় ২০ মিনিট কথা হয়েছে। এই কথোপকথনের সময় ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল উপস্থিত ছিলেন বলেও বিভিন্ন মহলে প্রচার রয়েছে। তবে এই তথ্যের সত্যতা নিয়ে এখনো সরকারিভাবে কোনো নিশ্চয়তা পাওয়া যায়নি। ভারত, রাশিয়া কিংবা শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি বা কথোপকথনের বিস্তারিত বিবরণ এখনো প্রকাশ করা হয়নি। দিল্লির একটি সাংবাদিক সূত্র জানিয়েছে, যদিও দাবিটি নিশ্চিত নয়, তবে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকদের মতে এটি অসম্ভব নয়, কারণ ক্ষমতায় থাকাকালে হাসিনার সঙ্গে বিশ্বের অনেক রাষ্ট্রনেতারই ঘনিষ্ঠতা গড়ে উঠেছিল, যার মধ্যে ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুলার নামও উল্লেখযোগ্য।

শেখ হাসিনার শাসনামল থেকেই রাশিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশের অত্যন্ত বন্ধুত্বপূর্ণ ও কৌশলগত সম্পর্ক বজায় ছিল। এই সম্পর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে বাংলাদেশের প্রথম পরমাণু বিদ্যুৎ প্রকল্প রূপপুর। প্রায় ১২ বিলিয়ন ডলার ব্যয়ে নির্মিত এই মেগা প্রকল্পটিতে রাশিয়ার পরমাণু শক্তি সংস্থা রোসাটম সরাসরি কারিগরি ও অর্থনৈতিক সহায়তা প্রদান করছে। এটি কেবল বাংলাদেশের জ্বালানি খাতের জন্য নয়, বরং দক্ষিণ এশিয়ায় রাশিয়ার দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত প্রভাব বিস্তারের জন্যও একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। ফলে, পুতিন ও হাসিনার মধ্যকার এই কথিত ফোনালাপের খবর সত্য হলে, তা রাশিয়ার বাংলাদেশ নীতি এবং হাসিনার বর্তমান রাজনৈতিক অবস্থানের প্রেক্ষাপটে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দেয় বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

ভারতের আরএসএস সমর্থিত সাপ্তাহিক পত্রিকা ‘অর্গানাইজার’-এর এক প্রতিবেদনে বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত বিশ্লেষণ করা হয়েছে। তাদের ভাষ্যমতে, পুতিন ও হাসিনার মধ্যে যদি সত্যিই কোনো আলোচনা হয়ে থাকে, তবে তা রাশিয়ার ভূ-রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্বার্থের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মেলবন্ধন হিসেবে বিবেচিত হবে। বিশেষ করে বাংলাদেশে রাশিয়ার বিশাল বিনিয়োগের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক সম্পর্ক অটুট রাখার বিষয়টি এখানে বড় ফ্যাক্টর হিসেবে কাজ করছে। একই সঙ্গে, ব্রিকস সম্মেলনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ না করার সিদ্ধান্তের পরপরই ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্গঠনে সরকারের আকস্মিক উদ্যোগ এবং এই পুরো পরিস্থিতির সঙ্গে পুতিন-হাসিনা কথিত ফোনালাপের যোগসূত্র নিয়ে কূটনৈতিক মহলে ব্যাপক বিশ্লেষণ শুরু হয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়া এবং কূটনৈতিক বলয়ে ছড়িয়ে পড়া এসব তথ্য বর্তমানে পরিবর্তনশীল আঞ্চলিক সমীকরণের দিকে সকলের নজর কেড়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: কেননা, এই সব রাষ্ট্র নেতাদের অধিকাংশের সঙ্গে হাসিনা তার শাসনামলে বিশেষ পরিচিত ছিলেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: কথোপকথনের কোনও বিবরণও প্রকাশ্যে আসেনি।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
২০২৬ © আজকের বসুন্ধরা কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customization By NewsSun