ডিজিটাল লেনদেন ব্যবস্থার প্রসারে বাংলা কিউআর কোডের মাধ্যমে সম্পন্ন লেনদেনে প্রণোদনার নতুন নীতিমালা জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। রোববার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেমস ডিপার্টমেন্ট-২ থেকে এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার সব তফসিলি ব্যাংক, মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস প্রোভাইডার, পেমেন্ট সার্ভিস প্রোভাইডার, পেমেন্ট সিস্টেম অপারেটর এবং আন্তর্জাতিক পেমেন্ট স্কিমগুলোর কাছে পাঠানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় এনপিএসবি বা ন্যাশনাল পেমেন্ট সুইচ বাংলাদেশের মাধ্যমে ২ হাজার টাকা পর্যন্ত প্রতিটি বাংলা কিউআর লেনদেনে মাসিক ভিত্তিতে নির্দিষ্ট হারে প্রণোদনা দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে একুয়্যারিং প্রতিষ্ঠান ০.১০ শতাংশ এবং ইস্যুয়িং প্রতিষ্ঠান ০.২০ শতাংশ হারে এই সুবিধা পাবে।
এর আগে গত ১০ আগস্ট জারি করা এক সার্কুলার লেটারের মাধ্যমে বাংলা কিউআর লেনদেনে প্রথমবারের মতো প্রণোদনার বিধান চালু করা হয়েছিল। তবে আগের নির্দেশনায় প্রণোদনার পরিধি শুধুমাত্র নির্দিষ্ট কিছু ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক বিক্রেতা এবং সেবাদানকারী পয়েন্টের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল। সাম্প্রতিক নতুন সার্কুলারের মাধ্যমে আগের সেই অনুচ্ছেদটি সংশোধন করে ট্রেড লাইসেন্সধারী অন্যান্য মার্চেন্টদেরও প্রণোদনার আওতায় আনা হয়েছে। ফলে এখন থেকে ক্ষুদ্র বিক্রেতাদের পাশাপাশি বড় মার্চেন্ট পয়েন্টগুলোতেও এই প্রণোদনা কার্যকর হবে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেমস ডিপার্টমেন্ট-২-এর পরিচালক মো. শরাফত উল্লাহ খানের সই করা এই নতুন নির্দেশনায় স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে, সংশোধন করা অনুচ্ছেদ ছাড়া আগের সার্কুলারের অন্য সব শর্ত ও নির্দেশনা অপরিবর্তিত থাকবে। ডিজিটাল লেনদেনকে জনপ্রিয় করতে এবং আর্থিক অন্তর্ভুক্তির লক্ষ্য অর্জনে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রতিনিয়ত এই কার্যক্রমগুলো মনিটর করছে। নতুন এই উদ্যোগের ফলে বাংলা কিউআরের ব্যবহার আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।