বাংলা কিউআর পেমেন্ট ব্যবস্থায় গ্রাহকদের ভোগান্তি কমাতে এবং অভিযোগ নিষ্পত্তিতে স্বচ্ছতা আনতে নতুন সময়সীমা ও নিয়ম বেঁধে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আগামী ১ ডিসেম্বর থেকে এই নিয়ম কার্যকর হবে, যার আওতায় লেনদেন ব্যর্থ হওয়ার ঘটনায় গ্রাহককে বাড়তি কোনো ঝামেলায় পড়তে হবে না।
নতুন নিয়মের আওতায়, যদি গ্রাহকের অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা কেটে নেওয়া হয় কিন্তু বিক্রেতা সেই অর্থ না পান, তবে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক বা মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানকে সর্বোচ্চ ৩০ মিনিটের মধ্যে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সেই টাকা গ্রাহকের হিসাবে ফেরত দিতে হবে। এই প্রক্রিয়ার জন্য গ্রাহককে ম্যানুয়ালি কোনো অভিযোগ জানানোর প্রয়োজন হবে না। যুক্তরাজ্যে মার্কিন বিমানঘাঁটির কাছে গ্রেপ্তার ৫, ট্রাম্পের প্রশংসা। আদাবরে ভবন দখলচেষ্টা: দেড় বছরে দেড় কোটি টাকা আদায় করেছিল একই দখলদার গ্রুপ। সংসার ও ক্যারিয়ারের সফলতার শুরুতেই ডেঙ্গুতে প্রাণ হারালেন ডা. আঁচল। অর্থাৎ, যে অ্যাকাউন্টে টাকা জমা হয়।
যেসব লেনদেন স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিষ্পত্তি হবে না, সেগুলোর ক্ষেত্রে গ্রাহক লেনদেনের ৪৫ দিনের মধ্যে অভিযোগ জানাতে পারবেন। অভিযোগ পাওয়ার পর ইস্যুয়িং প্রতিষ্ঠানকে দুই কার্যদিবসের মধ্যে তা গ্রহণ বা বাতিল করতে হবে। সমাধান না হলে বিষয়টি সেন্ট্রালাইজড ডিসপুট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের (ডিএমএস) মাধ্যমে ‘চার্জব্যাক’ প্রক্রিয়ায় চলে যাবে। এতে অ্যাকোয়ারিং প্রতিষ্ঠানের জবাব দেওয়ার জন্য সাত দিন সময় থাকবে এবং এরপরও অমীমাংসিত থাকলে ৩০ দিনের মধ্যে সালিশ বা আরবিট্রেশনের মাধ্যমে চূড়ান্ত সমাধান করতে হবে। বিশ্লেষণ / মধ্যপ্রাচ্যের তেল-গ্যাস বন্ধ হলে কোন পথে যাবে বিশ্ব।
অভিযোগ নিষ্পত্তিতে অভিন্ন প্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক আটটি নির্দিষ্ট ‘চার্জব্যাক রিজন কোড’ চালু করেছে। এছাড়া ‘ট্রানজেকশন স্ট্যাটাস ইনকোয়ারি’ ব্যবস্থার মাধ্যমে ইস্যুয়িং প্রতিষ্ঠানগুলো এখন তাৎক্ষণিকভাবে পেমেন্টের অবস্থা যাচাই করতে পারবে। এতে করে গ্রাহকের অভিযোগ জানানোর প্রয়োজনীয়তা অনেকাংশেই কমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। সব প্রতিষ্ঠানে অভিযোগ নিষ্পত্তির প্রক্রিয়া অভিন্ন করতেই এই কোডগুলো আনা হয়েছে।
অন্যদিকে, ডিজিটাল পেমেন্টকে উৎসাহিত করতে নগদ প্রণোদনার আওতাও বাড়িয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন থেকে শুধু তালিকাভুক্ত ক্ষুদ্র বিক্রেতাই নয়, বরং ট্রেড লাইসেন্সধারী যেসব মার্চেন্ট এনপিএসবি চ্যানেলে বাংলা কিউআর ব্যবহার করেন, তারাও এই প্রণোদনা পাবেন। গতকাল এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
নতুন নীতি অনুযায়ী, বাংলা কিউআরে সর্বোচ্চ ২ হাজার টাকা পর্যন্ত প্রতিটি লেনদেনের বিপরীতে অ্যাকোয়ারিং প্রতিষ্ঠান লেনদেন মূল্যের শূন্য দশমিক ১০ শতাংশ এবং ইস্যুয়িং প্রতিষ্ঠান শূন্য দশমিক ২০ শতাংশ হারে মাসিক নগদ প্রণোদনা পাবে। তবে মূল প্রজ্ঞাপনের অন্যান্য শর্ত আগের মতোই অপরিবর্তিত থাকবে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।