1. admin@ajkerbasundhara.com : admin :
শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৪০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ভারতের বাজারে রপ্তানি বাধা ও শুল্ক কমানোর দাবি বাংলাদেশের লুটপাটের টাকায় বিদেশে ফুর্তি করছেন জয়: রাশেদ খাঁন শাহজালাল বিমানবন্দরে নতুন ট্রলি: কমবে যাত্রীদের ভোগান্তি ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক প্রস্তুতির পথে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র গাজীপুরে বিকাশের তিন কোটি টাকা সম্পদ সংক্রান্ত ঘটনায়: গুলিবিদ্ধসহ ডারবানে প্রোটিয়া বোলিং তোপে কোণঠাসা অস্ট্রেলিয়া সীতাকুণ্ডে তরুণীর মৃত্যু: যৌতুকের অভিযোগ, স্বামীসহ আটক তিন গাজীপুরের শ্রীপুরে বিকাশের টাকা ছিনতাই, গুলিবিদ্ধ এক কর্মকর্তা দারুণ শুরুর পর আবুধাবি টেস্টে চাপে বাংলাদেশ শাহজালালে সোনা পাচারের ঘটনায় আরমান উদ্দিনের পাঁচ দিনের রিমান্ড

ভারতের বাজারে রপ্তানি বাধা ও শুল্ক কমানোর দাবি বাংলাদেশের

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশ : শুক্রবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৬

ভারতের বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের অবাধ প্রবেশ নিশ্চিত করতে সব ধরনের অশুল্ক বাধা ও স্থলবন্দরকেন্দ্রিক বিধিনিষেধ দূর করার জোরালো দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ। নয়াদিল্লিতে গত ৮ ও ৯ অক্টোবর অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ-ভারত বাণিজ্যবিষয়ক যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপের ১৬তম সভায় এই ইস্যুটিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আয়েশা আক্তারের নেতৃত্বে ১০ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল বৈঠকে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেন। শুক্রবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে।

বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে পাটপণ্য ও পেট (পলিইথিলিন টেরেফথ্যালেট) ফিল্মের ওপর ভারতীয় কর্তৃপক্ষ কর্তৃক আরোপিত অ্যান্টি-ডাম্পিং শুল্ক প্রত্যাহারের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণের পরও বর্তমানের মতো শুল্কসুবিধা যেন অব্যাহত থাকে, তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে ঢাকা। রপ্তানিকারকদের স্বার্থ রক্ষায় পণ্য যাচাইয়ের ক্ষেত্রে ব্যুরো অব ইন্ডিয়ান স্ট্যান্ডার্ডস (বিআইএস) সনদের জটিলতা কমিয়ে মান নির্ধারণে সামঞ্জস্য প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

বাণিজ্যিক সক্ষমতা বাড়াতে স্থলবন্দরগুলোর অবকাঠামো উন্নয়নে বিশেষ জোর দিয়েছে বাংলাদেশ। প্রবেশপথের প্রশস্তকরণ, পার্কিং ইয়ার্ডের পরিধি বাড়ানো, গুদাম ও শেড নির্মাণ এবং কোয়ারেন্টিন সুবিধা আধুনিকায়নের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে নেপাল ও ভুটানে পণ্য পরিবহনের সুযোগ সম্প্রসারণ এবং ব্যবসায়ীদের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপনে ‘সিইওস ফোরাম’ কার্যকর করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

অন্যদিকে, ভারতের পক্ষ থেকেও কিছু দাবির কথা জানানো হয়েছে। নয়াদিল্লি বাংলাদেশের নির্দিষ্ট কিছু স্থলবন্দর দিয়ে তাদের তুলাজাত সুতা ও অন্যান্য পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে বিদ্যমান বিধিনিষেধ তুলে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে। এছাড়া আখাউড়া-আগরতলা রুটের কার্যকারিতা বাড়ানো, রেল যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, সীমান্ত হাটগুলোর কার্যক্রম জোরদার এবং ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলো থেকে বাংলাদেশে পণ্য রপ্তানির পথ সহজ করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারকদের মতে, দুই প্রতিবেশী দেশের ভৌগোলিক নৈকট্য কাজে লাগিয়ে বাণিজ্য সম্পর্ক আরও দৃঢ় করা সম্ভব। তবে এর জন্য সীমান্তে পণ্য খালাসের সীমাবদ্ধতা এবং নানামুখী বাণিজ্য বাধা নিরসন অপরিহার্য। এই যৌথ বৈঠকের মাধ্যমে বিদ্যমান জটিলতাগুলো কাটিয়ে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যিক সম্পর্কের নতুন পথ সুগম হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
২০২৬ © আজকের বসুন্ধরা কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customization By NewsSun