1. admin@ajkerbasundhara.com : admin :
সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ০১:১৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
নাটোরে ট্রেনের সিট থেকে মিলল জার্মান পর্যটকের ল্যাপটপ অ্যানফিল্ডে ‘প্রতারক’ দুয়ো শুনেও লিভারপুলকে উড়িয়ে দিল ম্যানসিটি ‘স্বৈরাচার’ ও ‘গুপ্তরা’ এক হতে পারে: তারেক রহমান কুমিল্লায় স্কুলছাত্রী মৃত্যুর ঘটনায় প্রেমিক রাজু কক্সবাজারে গ্রেপ্তার ১৬ কোটি টাকার সোনা পাচার রিয়াদ বিমানবন্দরে হুথি হামলা: ১২ জন নিহত, তীব্র নিন্দা আমাকে ‘নিরাপত্তা সংক্রান্ত ঘটনায়’ করা হয়েছিল: ধ্রুব রাঠি সপ্তাহব্যাপী গণসংযোগ ও শাহবাগে প্রতিবাদ করবে এনসিপি সাজেক ভ্রমণে অনির্দিষ্টকালের নিষেধাজ্ঞা, পর্যটকদের ফেরার নির্দেশ যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরে প্রশ্নফাঁস: প্রতিমন্ত্রী আমিনুলের পদত্যাগ দাবিতে ঘেরাও

শর্ত সাপেক্ষে মুক্তি পেলেন সিজেপির শীর্ষ নেতারা

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশ : রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬

ভারতের বিতর্কিত প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে চলা আন্দোলনে বড় ধরনের উন্নয়নের খবর পাওয়া গেছে। ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা প্রধান অভিজিৎ দিপকে, সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। তাদের জামিনের প্রধান শর্ত হলো, আগামী এক বছর তারা কোনো প্রকার শান্তি ভঙ্গ করতে পারবেন না। দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস ও হিন্দুস্তান টাইমসের তথ্য অনুযায়ী, প্রতিরোধমূলক আটকের পর আজ রোববার দিল্লি ক্যান্টনমেন্ট থানায় একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করে তাদের মুক্তি নিশ্চিত করা হয়। মুক্তির পর আশুতোষ রাঙ্কা জানিয়েছেন, আজ বেলা দুইটায় তারা এ বিষয়ে বিস্তারিত সংবাদ সম্মেলন করবেন।

এর আগে শনিবার বেঙ্গালুরু থেকে মুম্বাই হয়ে দিল্লি বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পরই এয়ার ইন্ডিয়ার উড়োজাহাজের ভেতর থেকে এই তিন নেতাকে আটক করেছিল পুলিশ। সেই সময় দিপকেকে তাঁর দাদির মৃত্যুসংবাদ দিয়ে বাড়ি ফেরার সহায়তার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু তিনি আন্দোলনের প্রতি অবিচল থাকেন। সিজেপির সহ-আহ্বায়ক অজিঙ্ক শিন্ডে স্পষ্ট জানিয়েছেন, জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ না হওয়া পর্যন্ত কোনোভাবেই এই প্রতিবাদ কর্মসূচি থামবে না। গতকাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘এক্স’-এ এক পোস্টে দলটি ঘোষণা দিয়েছে, তারা কোনোভাবেই পিছু হটছে না এবং যন্তর মন্তরের দিকে পদযাত্রা অব্যাহত রাখবে।

নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে এই আন্দোলন ঠেকাতে কেন্দ্রীয় সরকার শনিবার রাজধানী দিল্লিকে প্রায় অবরুদ্ধ করে ফেলেছিল। রাজধানীজুড়ে প্রায় সাত হাজার বিক্ষোভকারীকে আটক করে পুলিশ। আটকদের তালিকায় চারজন সাবেক মুখ্যমন্ত্রী—পিনারাই বিজয়ন, মমতা ব্যানার্জি, অরবিন্দ কেজরিওয়াল ও মানিক সরকারও ছিলেন। তবে পুলিশের বিপুল ধরপাকড় ও কঠোর বিধিনিষেধ সত্ত্বেও আইটিও, সাফদারজং ফ্লাইওভার ও দিল্লি হাটের মতো বিভিন্ন পয়েন্টে মানুষ জড়ো হয়ে প্রতিবাদ অব্যাহত রেখেছে।

বিক্ষোভ দমনে কর্তৃপক্ষ ব্যাপক কৌশল অবলম্বন করেছে। যার মধ্যে রয়েছে মেট্রো স্টেশন বন্ধ রাখা, রেল পরিষেবা স্থগিত করা, ইন্টারনেট বিচ্ছিন্নকরণ এবং গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলোতে বিপুল পুলিশ মোতায়েন। এর পরও তরুণ আন্দোলনকারীরা তাদের দৃঢ় অবস্থান ধরে রেখেছেন। দিল্লি ট্রাফিক পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিবেচনায় আজ রোববার মধ্য দিল্লির অন্তত ৩০টি পয়েন্টে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে এবং যানবাহন চলাচলে রুট ডাইভারশন কার্যকর রয়েছে। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত এই প্রতিবাদ কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে বামপন্থাসহ সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলগুলো। আজ রোববার একাধিক সংগঠন সিইসিবিরোধী বিক্ষোভ অব্যাহত রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে। বিদ্যমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির কারণে আজ রোববার নয়াদিল্লি এবং মধ্য দিল্লির বেশ কয়েকটি রাস্তায় যান চলাচল ব্যাহত হতে পারে বলে দিল্লি ট্রাফিক পুলিশ জানিয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
২০২৬ © আজকের বসুন্ধরা কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customization By NewsSun