চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) নতুন উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলমকে অপসারণ এবং সাবেক উপাচার্য ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে আন্দোলন আরও জোরালো হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী সমিতি সর্বাত্মক অসহযোগিতা ও কর্মবিরতি পালনের ঘোষণা দিয়েছে। সোমবার দুপুরে চুয়েট অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক মোহাম্মদ আহসান উল্লাহ এই কর্মসূচির কথা জানান। দুর্গাপূজায় টানা ৫ দিন বন্ধ থাকবে ব্যাংক। এবার এয়ারলাইনসগুলোকে সৌদি আকাশসীমা এড়িয়ে চলার হুঁশিয়ারি হুতিদের। চুয়েটে ভিসিবদল: অসহযোগের ডাক শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের। সারা দেশে দুই দিন এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধের ঘোষণা। চার শূন্যের পর লিটনের সেঞ্চুরির হাসি। দাবি আদায়ে আমরা পূর্ণ কর্মবিরতি ও সর্বাত্মক অসহযোগিতার ডাক দিচ্ছি।’।
শিক্ষক সমিতির সভাপতি স্পষ্ট করে বলেছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে ক্যাম্পাসে কোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটলে তার সম্পূর্ণ দায় উপাচার্যকে নিতে হবে। তিনি আরও যোগ করেন, চুয়েট পরিবার অধ্যাপক শরীফুল আলমকে উপাচার্য হিসেবে মেনে নিচ্ছে না। এদিকে আজ সকাল ৯টার দিকে মাইক্রোবাসে করে ক্যাম্পাসে আসার পর শিক্ষার্থীরা নতুন উপাচার্যকে তার কার্যালয়ে অবরুদ্ধ করে বাইরে থেকে তালা লাগিয়ে দেন। এর আগে তিনি খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক প্রকৌশল বিভাগের শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এ পরিস্থিতিতে ক্যাম্পাসে জরুরি বৈঠকে বসে সমিতি তিনটি।
উপাচার্যের সঙ্গে আলোচনার কোনো প্রস্তাব পাওয়া গেছে কি না জানতে চাইলে অধ্যাপক আহসান উল্লাহ জানান, তার কাছে এ ধরনের কোনো তথ্য নেই। সামনে দুর্গাপূজার ছুটি থাকায় শিক্ষাকার্যক্রমের ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়ার বিষয়ে তারা পরিকল্পনা করছেন বলে জানান তিনি। তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার জন্য সরকারের দ্রুত হস্তক্ষেপ প্রত্যাশা করছে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার। এর আগে এই আন্দোলন নিয়ে ক্যাম্পাসে শাটডাউন ও তালা ভেঙে উপাচার্যের দপ্তরে প্রবেশের মতো নাটকীয় ঘটনাও ঘটেছে। কারা হামলা করেছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘যে বা যারাই করুক, এটি ঘৃণ্য কাজ।’।