নেত্রকোনার মদনে বাড়িওয়ালার ওপর হামলার ঘটনায় দুই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। অভিযুক্ত শিক্ষিকারা মারামারির মামলায় কারাগারে থাকায় জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। বরখাস্ত হওয়া শিক্ষিকারা হলেন—পশ্চিম জাহাঙ্গীরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা লায়লা আক্তার লাবনী এবং ফচিকা মহিম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা আফরোজা আক্তার স্মৃতি। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ শহিদুল আজম বুধবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলা সূত্রে জানা যায়, মদন উপজেলার জাহাঙ্গীরপুর কোর্ট বিল্ডিং এলাকায় কলেজ প্রভাষক গিয়াস মাহমুদের বাসায় তার স্ত্রী নুসরাত জাহান ও শাশুড়ি রোকেয়া আক্তার থাকেন। গত ৫ অক্টোবর বিকেলে বাসায় নুসরাত জাহান ফিরে দেখেন, তাদের ভাড়াটিয়া হাফছা আক্তারের সঙ্গে বাসাভাড়া নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিবেশী আফরোজা আক্তার স্মৃতি, লায়লা আক্তার লাবনী, তাদের মা মিলন আক্তার ও বোন ইতালী আক্তার দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেছেন। এ সময় তারা নুসরাত জাহান ও তার ক্যানসার আক্রান্ত মা রোকেয়া আক্তারকে মারধর করেন। হামলায় দীনা আক্তার নামের আরও এক শিক্ষিকা আহত হন এবং বৃদ্ধা রোকেয়া আক্তারের হাত ভেঙে যায়। ই-মেইল দেখার পর বিস্তারিত জানা যাবে।
ঘটনার পরদিন ৬ অক্টোবর গিয়াস মাহমুদ বাদী হয়ে মদন থানায় পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করেন। পুলিশ তদন্ত শেষে অভিযুক্ত দুই শিক্ষিকা ও তাদের মাকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠায়। জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা জানিয়েছেন, নিয়ম অনুযায়ী তারা যেদিন থেকে কারাগারে আছেন, সেদিন থেকেই এই বরখাস্তের আদেশ কার্যকর হয়েছে। এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ফাতেমা সুলতানা জানান, জেলা অফিস থেকে ই-মেইলের মাধ্যমে চিঠির বিষয়ে অবহিত করা হতে পারে, যা পর্যালোচনা সাপেক্ষে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।