বান্দরবানের লামা উপজেলা থেকে নিখোঁজ হওয়ার চারদিন পর তিন স্কুলছাত্রীকে চট্টগ্রাম থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার রাতে চট্টগ্রাম মহানগরের খুলশী থানা এলাকার দুটি ভিন্ন বাসা থেকে তাদের উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে একজন নবম শ্রেণির এবং অপর দুজন সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী। বান্দরবানে নিখোঁজ ৩ স্কুলশিক্ষার্থী চট্টগ্রামে উদ্ধার। আবারও ভারত সফর মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী রুবিওর, তবে যাচ্ছেন না দিল্লি।
বান্দরবানের পুলিশ সুপার মোহা. ওহাবুল ইসলাম খন্দকার উদ্ধার অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর কিশোরীদের তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। জাম্পা থাকার পরও যে কারণে রিশাদকে নিল হোবার্ট।
প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে, ওই তিন কিশোরী গৃহপরিচারিকার কাজের খোঁজে চট্টগ্রামের ওই বাসাগুলোতে অবস্থান করছিল। তবে তাদের নিখোঁজ হওয়ার নেপথ্যে অন্য কোনো রহস্য আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মজুরির চেয়ে মূল্যস্ফীতি বেশি, সংকট দীর্ঘ হচ্ছে শ্রমিকের।
পুলিশ জানায়, গত রোববার সকালে ওই তিন কিশোরী বাড়ি থেকে বেরিয়ে আর ফেরেনি। দীর্ঘ সময় তাদের কোনো সন্ধান না পাওয়ায় গত মঙ্গলবার লামা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। এরপরই পুলিশ তাদের উদ্ধারে তৎপরতা শুরু করে।
উল্লেখ্য যে, নিখোঁজের পর শিক্ষার্থীদের উদ্ধারের দাবির এক পর্যায়ে ভিডিও পাঠিয়ে এক পরিবারের কাছে মুক্তিপণ চাওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছিল।
বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত থাকলেও, ঘটনার পেছনের মূল কারণগুলো পুলিশ গুরুত্বের সাথে তদন্ত করছে। শিক্ষার্থী উদ্ধারের এই ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
উল্লেখ্য যে, এর আগে চাঁদা দাবির অভিযোগ তুলে বান্দরবান-থানচি রুটে বাস চলাচল বন্ধ রেখেছিল মালিক সমিতি। এছাড়া প্রশাসনিক পর্যায়ে বিআরটিসির চেয়ারম্যান তারিকুল ইসলাম এবং বান্দরবানের জেলা প্রশাসক নাজনীন আক্তারের সাথেও বিভিন্ন ইস্যুতে যোগাযোগ ছিল সংশ্লিষ্ট মহলের।