1. admin@ajkerbasundhara.com : admin :
সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৪৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজ: স্পিন সামলানোর প্রস্তুতিতে বাংলাদেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: নোট অব ডিসেন্টে পরিবর্তন চাইলে বৈঠকে আসতে হবে ২৯ অক্টোবর প্রকাশিত হবে ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল নতুন পোশাকে সাজছে পিআইএ: ৩১ অক্টোবর থেকে আকাশপথে যাত্রা চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কঠোর আইন আসছে, অভিযোগ ছাড়াই ব্যবস্থা নেবে পুলিশ: আইজিপি তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি নিয়ে সংবিধান সংশোধন কমিটিতে বিস্তারিত আলোচনা শ্রীপুরে ১২০ ইয়াবাসহ আটক পুলিশ কনস্টেবলসহ তিনজন খুলনায় পৃথক ঘটনায় যুবদল নেতাসহ গুলিবিদ্ধ ২ দিল্লিতে ১ নভেম্বরের জনসভা পেছাতে রাহুল গান্ধীকে ব্যবসায়ীদের অনুরোধ এআই নিয়ে বিল গেটসের সতর্কবার্তা: আসছে বড় ধরনের অস্থিরতা

চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কঠোর আইন আসছে, অভিযোগ ছাড়াই ব্যবস্থা নেবে পুলিশ: আইজিপি

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশ : শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬

দেশজুড়ে চাঁদাবাজি নির্মূলে সরকার নতুন একটি আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) খুলনায় পুলিশ লাইনে আয়োজিত এক সভায় তিনি বলেন, এই আইন কার্যকর হলে ভুক্তভোগী ব্যক্তির আনুষ্ঠানিক অভিযোগ ছাড়াই পুলিশ নিজে বাদী হয়ে চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারবে। বর্তমানে চাঁদাবাজরা প্রভাবশালী হওয়ায় সাধারণ মানুষ ভয়ে থানায় অভিযোগ করতে বা সাক্ষ্য দিতে সাহস পান না। নতুন এই আইনের মাধ্যমে পুলিশ এখন থেকে যেকোনো ডিজিটাল প্রমাণের ভিত্তিতে চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে স্বপ্রণোদিত হয়ে কঠোর ব্যবস্থা নিতে সক্ষম হবে। আইজিপি আশ্বস্ত করেছেন যে, আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই এই নতুন আইনের সুফল দেখা যাবে এবং অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড নির্মূল করা সম্ভব হবে। তিনি বলেন, সমাজে যারা চাঁদাবাজি করে, তারা সাধারণত প্রভাবশালী হয়ে থাকে। রাজনৈতিক বা অন্য কোনো ক্ষমতার দাপটে তারা এসব অপরাধ করে। ফলে সাধারণ মানুষ বা ভুক্তভোগীরা ভয়ে তাদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করতে চান না, এমনকি সাক্ষ্যও দিতে চান না। যেকোনো ধরনের ডিজিটাল এভিডেন্স (প্রমাণ) পেলেই তার বিরুদ্ধে সঠিক ব্যবস্থা নেওয়া যাবে।

পুলিশের কাজের চ্যালেঞ্জ ও জনপ্রত্যাশা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে আইজিপি বলেন, দায়িত্ব পালনকালে আইন প্রয়োগে বল প্রয়োগ করলে পুলিশকে ‘ফ্যাসিস্ট’ এবং না করলে ‘দুর্বল’ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। এই দুই পরিস্থিতির কোনোটিই কাঙ্ক্ষিত নয়। তিনি একটি কার্যকরী ও জনবান্ধব পুলিশ বাহিনী গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং শান্তি প্রতিষ্ঠায় নতুন প্রজন্মের সক্রিয় ভূমিকার কথা তুলে ধরেন। বিগত ১৭ বছরে মাদককে সমাজের একটি স্বীকৃত বিষয় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার প্রচেষ্টার সমালোচনা করে তিনি জানান, বর্তমান সরকার মাদকের পাশাপাশি কিশোর গ্যাং ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। আর যদি বল প্রয়োগ না করে, তখন বলা হয় ‘পুলিশ দুর্বল’। আপনারা এবং আমরা সবাই মিলে একটি কার্যকরী পুলিশ বাহিনী গড়ে তুলতে চাই। সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠা, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা এবং দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গড়ার জন্যই আমাদের নতুন প্রজন্ম কাজ করছে।

কমিউনিটি পুলিশিং ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানোর ঘোষণা দিয়ে আইজিপি বলেন, এতদিন এটি কেবল খাতা-কলম বা ‘বুক প্র্যাকটিস’ হিসেবে সীমাবদ্ধ ছিল। এখন স্বরাষ্ট্র ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় এই কার্যক্রমকে গতিশীল করা হচ্ছে। আইনের কাঠামোর ভেতরেই পুলিশের একটি শাখা হিসেবে কমিউনিটি পুলিশিং এখন থেকে কার্যকরভাবে তাদের দায়িত্ব পালন করবে। সভায় খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ জাহিদুল হাসান এবং খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি মো. রেজাউল করিমসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। অপরাধমুক্ত সমাজ গড়ায় পুলিশ বাহিনীর দৃঢ় অবস্থানের কথা পুনরায় ব্যক্ত করেন আইজিপি।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
২০২৬ © আজকের বসুন্ধরা কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customization By NewsSun