1. admin@ajkerbasundhara.com : admin :
সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:১৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম
এভিয়েশন হাব হিসেবে বাংলাদেশকে গড়ে তোলার পরিকল্পনা, গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার কাতারে ট্যাক্সি ও লিমোজিন সেবায় বসছে নজরদারি ক্যামেরা, বাধ্যতামূলক হচ্ছে নতুন নিয়ম মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় ওবায়দুল কাদেরসহ সাত নেতার রায় মঙ্গলবার সৌদির প্রধান তেল পাইপলাইনে ড্রোন হামলা: বিশ্ববাজারে চার শতাংশ সরবরাহের ঝুঁকি চাঁদপুরে ৫০ জন মেধাবী শিক্ষার্থীকে ৫ লাখ টাকার শিক্ষা অনুদান প্রদান বাংলা কিউআর লেনদেনে অস্বাভাবিক উল্লম্ফন: ভুয়া পেমেন্টের মাধ্যমে জালিয়াতির অভিযোগ মতিঝিলে ইসলামী ব্যাংকের সামনে সংঘর্ষে আহত অন্তত ২৫ জন ব্রিকস সম্মেলনের নৈশভোজে নিরামিষ মেনু নিয়ে ভারতে রাজনৈতিক বিতর্ক তুঙ্গে চার বছরেও শেষ হয়নি শাহ মখদুম বিমানবন্দরের ১০৭ কোটি টাকার আধুনিকায়ন প্রকল্প কাতার এয়ারওয়েজের বিশেষ ছাড়: সাশ্রয়ী মূল্যে মিলছে ইকোনমি ও বিজনেস ক্লাসের টিকিট

সৌদির প্রধান তেল পাইপলাইনে ড্রোন হামলা: বিশ্ববাজারে চার শতাংশ সরবরাহের ঝুঁকি

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশ : সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

হুতিদের চালানো ড্রোন হামলার জেরে সৌদি আরবের প্রধান পূর্ব-পশ্চিম তেল পাইপলাইনটি বন্ধ হয়ে গেছে। শুক্রবারের এই ঘটনার পর থেকে লোহিত সাগরমুখী তেল রপ্তানি কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে। পাইপলাইনটি দ্রুত পুনরায় চালু করা না গেলে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের সরবরাহ এক ধাক্কায় প্রায় চার শতাংশ কমে যেতে পারে বলে আন্তর্জাতিক জ্বালানি ব্যবসায়ীরা সতর্ক করেছেন। এতে বিশ্বব্যাপী বড় ধরনের জ্বালানি সংকটের ঝুঁকি সৃষ্টি হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এবং সংস্কারের সময়সীমা নিয়ে রিয়াদ আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু না জানালেও, সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্যমতে, সম্পূর্ণ মেরামতের জন্য পাঁচ থেকে ছয় সপ্তাহ সময় লেগে যেতে পারে। তবে জরুরি ভিত্তিতে আংশিকভাবে সরবরাহ চালুর চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। হরমুজ প্রণালিতে তেল রপ্তানি বাধাগ্রস্ত হওয়ার পর থেকেই সৌদি আরব এই পাইপলাইনের ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল ছিল। এর মাধ্যমে লোহিত সাগরের ইয়ানবু বন্দরে প্রতিদিন প্রায় ৪০ লাখ ব্যারেল তেল পৌঁছাত। বর্তমানে ইয়ানবু বন্দরে মাত্র পাঁচ থেকে সাত দিনের মজুত রয়েছে এবং মিশরের দুটি বন্দরেও মজুত সীমিত। পাইপলাইন সচল না হলে এই মজুত দ্রুত শেষ হয়ে যাবে। এদিকে আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, গত আগস্টে সৌদি আরবের তেল সরবরাহ তিন দশকের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে পৌঁছেছে। যুদ্ধ শুরুর আগে মধ্যপ্রাচ্য থেকে প্রতিদিন প্রায় দুই কোটি ২০ লাখ ব্যারেল তেল বিশ্ববাজারে সরবরাহ করা হতো, কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালি দিয়ে সেই প্রবাহ ৬০ থেকে ৯০ লাখ ব্যারেলে নেমে এসেছে। সরবরাহ সংকটের এই প্রভাব ইতোমধ্যে তেলের বাজারে অস্থিরতা তৈরি করেছে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশে মূল্যস্ফীতি ও বন্ডের সুদহার কয়েক বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছানোর আশঙ্কা বাড়ছে। সৌদি আরবের দৈনিক তেল উৎপাদনের হারও আগের তুলনায় নাটকীয়ভাবে কমেছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
২০২৬ © আজকের বসুন্ধরা কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customization By NewsSun