1. admin@ajkerbasundhara.com : admin :
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:০৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম

রাজধানীতে এখনো কাটছে না সয়াবিন তেলের সংকট

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশ : শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

রাজধানীর খুচরা বাজারগুলোতে বোতলজাত সয়াবিন তেলের সংকট দীর্ঘস্থায়ী রূপ নিয়েছে। গত ২ সেপ্টেম্বর কোম্পানিগুলো ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানোর পরও পরিস্থিতির কোনো উন্নতি হয়নি। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, অধিকাংশ মুদি দোকানে চাহিদামত বোতলজাত তেল পাওয়া যাচ্ছে না। যেসব দোকানে পণ্যটি আছে, সেখানে কেবল ২ ও ৫ লিটারের বোতলই বেশি দেখা যাচ্ছে। আধা লিটার বা এক লিটারের বোতলের সরবরাহ বাজারে প্রায় নেই বললেই চলে।

খুচরা বিক্রেতা ও পাইকারি সরবরাহকারীদের ভাষ্যমতে, পরিশোধনকারী কোম্পানিগুলো বাজারে পর্যাপ্ত তেল ছাড়ছে না। বর্তমান পরিস্থিতিতে মাত্র দু-তিনটি কোম্পানি বোতলজাত সয়াবিন তেল সরবরাহ করছে, যা ক্রেতাদের চাহিদার তুলনায় অত্যন্ত নগণ্য। সরবরাহ সংকটের কারণে ক্রেতাদের একটি বোতল কিনতে চার-পাঁচটি দোকান পর্যন্ত ঘুরতে হচ্ছে। এই ভোগান্তির মুখে অনেক বিক্রেতা বাধ্য হয়ে খোলা সয়াবিন তেল বিক্রির দিকে ঝুঁকছেন।

নতুন দাম অনুযায়ী, বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম লিটারপ্রতি ৫ টাকা বাড়ানো হয়েছে, যার ফলে বর্তমান দর দাঁড়িয়েছে প্রতি লিটার ২০৪ টাকা। সে হিসেবে ২ লিটারের বোতল ৪০৮ টাকা এবং ৫ লিটারের বোতল ১ হাজার ২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে খুচরা বিক্রেতারা বলছেন, কোম্পানিগুলো তাদের বিক্রয় কমিশনও নামিয়ে এনেছে লিটারপ্রতি মাত্র ১ টাকায়। এমন পরিস্থিতিতে ব্যবসায়ীদের মুনাফার পরিমাণ একেবারেই কমে গেছে বলে দাবি করছেন তারা।

রামপুরা এলাকার ‘ভাই ভাই স্টোর’-এর দোকানি আফজাল হোসেন বলেন, বর্তমানে ৫ লিটারের একটি বোতলে তাদের মুনাফা মাত্র ৫ টাকা। তিনি জানান, হাজার টাকা বিনিয়োগ করে ৫ টাকা লাভ করা কঠিন। এছাড়া গ্রাহকরাও দামের বিষয়ে দরকষাকষি করেন। কোম্পানিগুলো পর্যাপ্ত তেল সরবরাহ না করে বাজারকে জিম্মি করে রেখেছে বলে অভিযোগ তার।

বোতলজাত তেলের এই সংকটের পাশাপাশি বাজারে খোলা সয়াবিন ও পাম তেলের দামও ঊর্ধ্বমুখী। বিভিন্ন বাজারে খোলা সয়াবিন তেল প্রতি লিটার ২০৫ থেকে ২০৮ টাকা এবং পাম তেল ১৮০ থেকে ১৮৫ টাকা লিটার দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে। ব্যবসায়ীদের বারবার তাগাদা দেওয়ার পরও সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়ায় সাধারণ ক্রেতাদের মাঝে উদ্বেগ বাড়ছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: রামপুরা এলাকার ভাই ভাই স্টোরের দোকানি আফজাল হোসেন বলেন, ‘৫ লিটার তেল কিনলে এমনিতেই মানুষ ৫-১০ টাকা কম দিতে চায়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এখন আমাদের মুনাফাই ৫ টাকা। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এরপর কোনো দোকানে পাওয়া গেলেও কাঙ্ক্ষিত পরিমাণের বোতল মিলছে না।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
২০২৬ © আজকের বসুন্ধরা কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customization By NewsSun