1. admin@ajkerbasundhara.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:২৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম
মাইলস্টোন কলেজে বর্ণিল আয়োজনে নবীনবরণ ও ক্লাস শুরু জামায়াত অকৃতজ্ঞ দল, বললেন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম অক্টোবরের তৃতীয় সপ্তাহে চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর জাতিসংঘ মহাসচিবের সঙ্গে কাতারের আমীরের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ: প্রশিক্ষণ পাচ্ছেন ৬৬ হাজার কর্মী মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেই কমবে জ্বালানির দাম: প্রতিমন্ত্রী চুয়েটে উপাচার্য পুনর্বহালের দাবিতে তৃতীয় দিনেও শিক্ষার্থীদের শাটডাউন রিয়ালের বদলে বার্সাকে কেন বেছে নিলেন রদ্রি? আবার ১০০ ডলার ছাড়াল অপরিশোধিত তেলের দাম জাতিসংঘে আজ বাংলায় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

অক্টোবরের তৃতীয় সপ্তাহে চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

অক্টোবরের তৃতীয় সপ্তাহে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে। বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) এয়ার ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট সদস্য এয়ার কমোডর মো. নূর-ই-আলম জানিয়েছেন, উদ্বোধনের লক্ষ্যে চূড়ান্ত প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনার জন্য বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসকে ইতিমধ্যে চিঠি দেওয়া হয়েছে এবং তাদের পক্ষ থেকে ইতিবাচক সাড়া পাওয়া গেছে।

বিমানবন্দরের বর্তমান অবকাঠামোগত অবস্থা নিয়ে পরিচালক গোলাম মুর্তজা হোসেন জানান, বেবিচক চেয়ারম্যানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের একটি দল সম্প্রতি কাজের অগ্রগতি পরিদর্শন করেছেন। আন্তর্জাতিক যাত্রী টার্মিনালসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার কাজ প্রায় সমাপ্তির পথে। বেবিচকের তথ্য অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক টার্মিনাল নির্মাণের ৯৮ দশমিক ৯৭ শতাংশ এবং রানওয়ে সম্প্রসারণের ৯১ দশমিক ৬৫ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। যদিও পুরো প্রকল্পের মেয়াদ ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত, তবে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালুর উপযোগী অবকাঠামো এখন ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত।

এই প্রকল্পের আওতায় রানওয়ের দৈর্ঘ্য ৯ হাজার ফুট থেকে বাড়িয়ে ১০ হাজার ৭০০ ফুটে উন্নীত করা হয়েছে। সমুদ্র থেকে ৪৩ হেক্টর জমি উদ্ধার করে সম্পন্ন এই রানওয়েতে বোয়িং ৭৭৭-৩০০ইআর ও বোয়িং ৭৪৭-৪০০-এর মতো বড় আকারের উড়োজাহাজ অনায়াসে ওঠানামা করতে পারবে। বিমানবন্দরের নতুন ১৭ হাজার ৯৫৬ বর্গমিটার আয়তনের আন্তর্জাতিক টার্মিনালে ৪৫০ যাত্রীর ধারণক্ষমতা সম্পন্ন প্রস্থান লাউঞ্জ, ইমিগ্রেশন সুবিধা, বোর্ডিং ব্রিজ, লিফট, এস্কেলেটর ও লাগেজ পরিবাহক ব্যবস্থা যুক্ত করা হয়েছে।

ফ্লাইট পরিচালনার সক্ষমতা বাড়াতে ৩৬ হাজার ৩০০ বর্গমিটারের অ্যাপ্রোনে দুটি বড় উড়োজাহাজ ও তিনটি ড্যাশ-৮ উড়োজাহাজ পার্কিংয়ের সুযোগ রাখা হয়েছে। এছাড়া দুটি ট্যাক্সিওয়ে ইতিমধ্যে চালু করা হলেও গাড়ি পার্কিংয়ের কিছু আনুষঙ্গিক কাজ বর্তমানে চলমান রয়েছে। বর্তমানে বিমানবন্দরটি প্রতিদিন গড়ে ২৮ থেকে ৩০টি যাত্রীবাহী উড়োজাহাজের ফ্লাইট পরিচালনা করছে।

তবে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনা নিয়ে এয়ারলাইন্সগুলোর অনাগ্রহের বিষয়টি উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এভিয়েশন বিশেষজ্ঞ কাজী ওয়াহিদুল আলমের মতে, বড় অবকাঠামো তৈরির পাশাপাশি আগে থেকেই বিমান সংস্থাগুলোর চাহিদা ও আগ্রহ যাচাই করা প্রয়োজন ছিল। বিদেশি কোনো এয়ারলাইন্স এখন পর্যন্ত কক্সবাজার থেকে ফ্লাইট পরিচালনার বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেনি, যদিও ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস প্রাথমিকভাবে আগ্রহের কথা জানিয়েছিল।

পর্যটন সংশ্লিষ্টদের দাবি, কেবল বিমানবন্দর আধুনিকায়ন করলেই আন্তর্জাতিক যাত্রী পাওয়া সম্ভব নয়। কক্সবাজারের পর্যটন অবকাঠামোর উন্নয়ন এবং কার্যকর বিপণন কৌশল গ্রহণ করা এখন জরুরি। এদিকে, কক্সবাজারকে একটি পূর্ণাঙ্গ আন্তর্জাতিক হাব হিসেবে গড়ে তুলতে বেবিচক ইতিমধ্যে দ্বিতীয় পর্যায়ের পরামর্শক ও নকশা প্রকল্পের কার্যক্রম এগিয়ে নিচ্ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
২০২৬ © আজকের বসুন্ধরা কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customization By NewsSun