বাংলাদেশে বিনিয়োগের পরিধি বাড়ানো এবং রোহিঙ্গা শরণার্থীদের নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনের পরিবেশ নিশ্চিত করতে চীনের সহায়তা কামনা করেছেন রাষ্ট্রপতি। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বঙ্গভবনে বিদায়ী চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতকালে তিনি এই আহ্বান জানান। রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় চীনের ইতিবাচক ও গঠনমূলক ভূমিকা প্রশংসার দাবি রাখে বলে উল্লেখ করেন তিনি। রাষ্ট্রপতির আশা, চীন এ বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগ অব্যাহত রাখবে যা প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করবে।
দ্বিপক্ষীয় অর্থনৈতিক সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি তৈরি পোশাক, ইলেকট্রনিকস, সেমিকন্ডাক্টর, বৈদ্যুতিক যান, লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং এবং সৌরশক্তি খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধির প্রস্তাব করেন। এছাড়া কুনমিং-চট্টগ্রাম করিডর ও চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক করিডরের মতো আঞ্চলিক যোগাযোগ স্থাপনের উদ্যোগকে তিনি স্বাগত জানান। পারস্পরিক স্বার্থে অংশীদারদের সঙ্গে কাজ করতে বাংলাদেশ প্রস্তুত রয়েছে বলেও জানান তিনি।
বৈঠকে তিনি দুই দেশের সম্পর্কের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট স্মরণ করেন। রাষ্ট্রপতি বলেন, ১৯৭৭ ও ১৯৮০ সালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের চীন সফর এবং ২০২৬ সালের এপ্রিলে তার নিজের ও বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলের চীন সফরের মাধ্যমে উভয় দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। তরুণ নেতৃত্ব ও শিক্ষার্থীদের সফর বিনিময় দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করেছে বলে তিনি মত প্রকাশ করেন।