1. admin@ajkerbasundhara.com : admin :
মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১১:০৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজধানীসহ সারাদেশে তীব্র গ্যাস সংকট গুরুতর অসুস্থতার কারণে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করেছেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আঞ্চলিক ক্যাম্পাসের সম্ভাব্য স্থান পরিদর্শন করলেন ভিসি নওগাঁয় ৮২ শিক্ষার্থীকে বাইসাইকেল, ৫৫ নারীর মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ জলবায়ু-সম্পর্কিত অভিবাসন ব্যবস্থাপনায় ১১.২৫ লাখ ইউরোর প্রকল্প বাস্তবায়নে চুক্তি করলো বাংলাদেশ-আইওএম দেশ গড়ার দায়িত্ব আমাদের সবার : প্রতিমন্ত্রী টুকু ডেপুটি স্পিকারের সহযোগিতায় শিশুর হৃদরোগের সফল অস্ত্রোপচার জাতিসংঘের নেতৃত্বের দৌড়ে ৬ প্রার্থী ইমনের ব্যর্থতার ম্যাচে জয় দিয়ে শুরু লাহোরের চীনে ২০৩১ সালের মধ্যে ঋণ দেওয়া বন্ধের পরিকল্পনা বিশ্বব্যাংকের

গাজীপুরে কৃষক লীগ নেতাকে আটকের পর অর্থের বিনিময়ে মুক্তির অভিযোগ, এসআইয়ের বিরুদ্ধে

মোঃ আলমগীর হোসাইন, গাজীপুর
  • প্রকাশ : শনিবার, ৪ জুলাই, ২০২৬

গাজীপুর মহানগরীর কোনাবাড়ী প্রতাবপুর এলাকায় আওয়ামী লীগের এক নেতাকে আটকের পর অর্থের বিনিময়ে ছেড়ে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে এক পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। ঘটনাটি জানাজানির পর বিভিন্ন মহলে সমালোচনা শুরু হয়েছে। এদিকে ছাড়া পাওয়ার পর ওই আওয়ামী লীগ নেতা ও তার পরিবারের সদস্যরা স্থানীয় এক মুদি দোকানীকে হুমকি দিচ্ছে।

অভিযুক্ত ওই পুলিশ সদস্য হলেন, গাজীপুর মেট্রোপলিটন কোনাবাড়ি থানার উপপরিদর্শক (এসআই) কামরুল হাসান।

এলাকাবাসী সূত্র জানা গেছে, গত ২২ জুন রাত সাড়ে ১১ টার দিকে এসআই কামরুলসহ ৩-৪ জন পুলিশ সদস্য কোনাবাড়ী থানাধীন প্রতাবপুর এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযানে গিয়ে ১১নং ওয়ার্ড কৃষকলীগের সভাপতি মতিন মিয়াকে আটক করে। এসময় কৃষক লীগ নেতা মতিন মিয়ার পরিবারের সদস্যরা এসআই কামরুল ইসলামকে দুই লাখ টাকা দিয়ে ছাড়িয়ে নেয়। পুলিশের পরামর্শে পরদিন ২৩ জুন সকালে মতিন মিয়া আত্নগোপনে চলে যায়। ওই ঘটনার পর কৃষক লীগ নেতার পরিবার স্থানীয় মুদি দোকানী নূর মোহাম্মকে হুমকি দিচ্ছি তাকে পুলিশের কাছে ধরিয়ে দেওয়ার অপরাধে। এ ঘটনায় ওই মুদি দোকানী কোনাবাড়ী থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ২২ জুন রাতে প্রতাবপুর নূর মোহাম্মাদ নিজের দোকানে বসে ছিল। এমন সময় কোনাবাড়ী থানার কয়েকজন পুলিশ তার দোকানে আসে এবং মতিনের বাড়ি কোন পাশে জানতে চায়। ওইদিন রাতেই জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ মতিনকে ধরে নিয়ে যায়। এর পরের দিন আটক আওয়ামীলীগ নেতার ভাই মোঃ আলম দোকানে গিয়ে তার ভাই মতিনকে পুলিশে ধরিয়ে দেয়ার অভিযোগে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেয়।

মুদি দোকানদার নূর মোহাম্মদ বলেন, আমি গরীব মানুষ, দোকান করে খাই। পুলিশ এসে আওয়ামী লীগ নেতার বাড়ি কোনদিকে জানতে চায়, আমি বলে দেই। এরপর পুলিশ তাকে ধরে নিয়ে যায়। শুনেছি রাতের মধ্যেই দুই লাখ টাকা নিয়ে আবার ছেড়েও দিয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে কোনাবাড়ী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) কামরুল হাসান মুঠোফোনে বলেন, আপনি কোথায় আছেন, থানায় এসে কথা বলেন। এ কথা বলেই তিনি ফোন কেটে দেন। পরে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি আর ফোন রিসিভ করেননি।

কোনাবাড়ী মেট্রো থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ ইফতেখার হোসেন বলেন, ওই নেতাকে আটক এবং ওই ব্যবসায়ীর অভিযোগের কথা আমি শুনেছি। অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
২০২৬ © আজকের বসুন্ধরা কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customization By NewsSun