1. admin@ajkerbasundhara.com : admin :
শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ০৫:৪৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম

সংস্কৃতি কেবল বিনোদনের অনুষঙ্গ নয়, এটি একটি জাতির আত্মপরিচয় : সংস্কৃতি মন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশ : শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬

সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বলেছেন, সংস্কৃতি কেবল বিনোদনের অনুষঙ্গ নয়, সংস্কৃতি একটি জাতির আত্মপরিচয়, চেতনা ও সভ্যতার ভিত্তি।

তিনি বলেন, যে জাতি তার সংস্কৃতিকে ধারণ ও লালন করতে পারে না, সে জাতি ইতিহাসের ধারাবাহিকতায় টিকে থাকতে পারে না। হাজার বছরের বাঙালি সংস্কৃতি মানবতা, অসাম্প্রদায়িকতা, সহনশীলতা ও মুক্তচিন্তার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আজ রাজধানীতে বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের প্রধান মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত বিশেষ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন তিনি।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও কাজী নজরুল ইসলাম তাদের সাহিত্য, সংগীত ও দর্শনের মাধ্যমে সেই চেতনাকেই বিশ্ব দরবারে প্রতিষ্ঠিত করেছেন বলেও উল্লেখ করেন সংস্কৃতি মন্ত্রী।

ইতিহাস ও ঐতিহ্য পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে  দেশের বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, শিক্ষাবিদ, শিক্ষার্থী ও সংস্কৃতিপ্রেমীরা অংশ গ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের ডেপুটি হাই কমিশনার পবন বাধে।  

মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান সরকার সংস্কৃতিকে রাষ্ট্র গঠনের অন্যতম চালিকাশক্তি হিসেবে বিবেচনা করছে। দেশের প্রতিটি অঞ্চলে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড বিস্তৃত করা, নতুন প্রজন্মকে ইতিহাস, ঐতিহ্য ও মানবিক মূল্যবোধের সঙ্গে সম্পৃক্ত করা এবং শিল্পী-সংস্কৃতি কর্মীদের মর্যাদা ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে সরকার বহুমুখী কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।

তিনি আরও বলেন, সংস্কৃতি কর্মীদের জন্য বিশেষ কল্যাণ কার্ড চালুর উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে, যাতে তারা প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা ও সামাজিক নিরাপত্তার আওতায় আসতে পারেন। পাশাপাশি দেশের প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন, লোকঐতিহ্য ও ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলো সংরক্ষণে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। কারণ, ঐতিহ্য রক্ষা মানেই জাতির শেকড়কে সুরক্ষিত রাখা।

অনুষ্ঠানে নৃত্যশিল্পী শিবলী মোহাম্মদ ও শামীম আরা নীপার নির্দেশনায় ‘নৃত্যাঞ্চল’-এর শিল্পীরা নৃত্যগীতি পরিবেশন করেন। পাশাপাশি রবীন্দ্রনাথ ও নজরুলের সাহিত্য, দর্শন ও মানবিক চেতনাকে কেন্দ্র করে প্রবন্ধ পাঠ করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. তারিক মনজুর এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক আহমেদ রেজা।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
২০২৬ © আজকের বসুন্ধরা কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customization By NewsSun