1. admin@ajkerbasundhara.com : admin :
শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১০:৪৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
হিজলগাড়ী প্রেসক্লাবের নতুন কমিটি গঠন:রাশেদুল ইসলাম সহ- সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হিজলগাড়ী প্রেসক্লাবের নতুন কমিটি গঠন: সভাপতি আরিফ হাসান, সাধারণ সম্পাদক সেলিম রেজা আমতলীতে অজ্ঞাত এক যুবকের বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ‎কাশিমপুরে দুই লাখ দশ হাজার টাকা জরিমানা করলো এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সাংবাদিক জামালের ওপর সন্ত্রাসী হামলা গাজীপুর কাশিমপুরে দুই সাংবাদিকের ওপর সন্ত্রাসী হামলা রাজধানীসহ সারাদেশে তীব্র গ্যাস সংকট গুরুতর অসুস্থতার কারণে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করেছেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আঞ্চলিক ক্যাম্পাসের সম্ভাব্য স্থান পরিদর্শন করলেন ভিসি নওগাঁয় ৮২ শিক্ষার্থীকে বাইসাইকেল, ৫৫ নারীর মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ

উত্তর কোরিয়ার সীমান্ত প্রতিরক্ষাকে আরও শক্তিশালী করার নির্দেশ কিমের 

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশ : সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬

উত্তর কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কিম জং উন দেশটির সামরিক কর্মকর্তাদের দক্ষিণ সীমান্তকে ‘অভেদ্য দুর্গে’ পরিণত করার এবং একই সঙ্গে সামনের সারির সেনা ইউনিটগুলোকে আরও শক্তিশালী করার নির্দেশ দিয়েছেন। 

সোমবার দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম এ তথ্য জানিয়েছে।

রোববার অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের এক সামরিক বৈঠকে কিম জং উন এ নির্দেশ দেন। 

কোরিয়ান সেন্ট্রাল নিউজ এজেন্সি (কেসিএনএ) কর্তৃক প্রকাশিত একটি ছবিতে তাকে পূর্ণ সামরিক পোশাক পরিহিত শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করতে দেখা যায়।

খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন সামরিক কর্মকর্তাদের বলেন, যুদ্ধ প্রতিরোধে ‘বড় ধরনের পরিবর্তন’ আনা হবে। একই সঙ্গে তিনি কমান্ডিং কর্মকর্তাদের ‘প্রধান শত্রু’ সম্পর্কে তাদের দৃষ্টিভঙ্গি আরও কঠোর ও স্পষ্ট করার নির্দেশ দেন। বিশ্লেষকদের মতে, এখানে ‘প্রধান শত্রু’ বলতে দক্ষিণ কোরিয়াকেই ইঙ্গিত করা হয়েছে।

কেসিএন-এর প্রতিবেদনে বলা হয়, যুদ্ধ প্রতিরোধকে আরও কার্যকর করতে সামনের সারির ইউনিট এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বাহিনীকে সামরিক ও প্রযুক্তিগতভাবে আরও শক্তিশালী করার পরিকল্পনা উপস্থাপন করেন কিম জং উন। 

তিনি এটিকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হিসেবে উল্লেখ করেন।

কিম জং উন আরও বলেন, দক্ষিণ সীমান্তে সামনের সারির ইউনিটগুলোকে আরও শক্তিশালী করে সীমান্তকে ‘অভেদ্য দুর্গে’ রূপান্তর করা হবে।

কোরিয়া ইনস্টিটিউট ফর ন্যাশনাল ইউনিফিকেশনের জ্যেষ্ঠ বিশ্লেষক হং মিন বলেন, কিম জং উনের এই নির্দেশনায় রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ থেকে পাওয়া সামরিক শিক্ষার প্রতিফলন রয়েছে। 

ওই যুদ্ধে উত্তর কোরিয়া সেনা পাঠিয়ে মস্কোকে সহায়তা করেছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি এএফপিকে বলেন, ‘এই বক্তব্যে ইউক্রেন যুদ্ধ ও মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে দেখা ড্রোন যুদ্ধ, নির্ভুল হামলা, ইলেকট্রনিক যুদ্ধ ও বহু-মাত্রিক যুদ্ধক্ষেত্রের বিষয়গুলো এখন উত্তর কোরিয়ার সামরিক পরিকল্পনায় গুরুত্ব পাচ্ছে।

হং মিন আরও বলেন, কিমের পরিকল্পনায় স্থল, নৌ ও আকাশসীমার বাইরে পানির নিচে, মহাকাশ, সাইবার ও ইলেকট্রনিক ক্ষেত্রকেও যুদ্ধ কৌশলের অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
২০২৬ © আজকের বসুন্ধরা কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customization By NewsSun